Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জঙ্গিপুরে জলের সমস্যা মেটাতে ৩টি প্ল্যান্ট

জঙ্গিপুর পুরসভার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে

জঙ্গিপুরে জলের সমস্যা মেটাতে ৩টি প্ল্যান্ট
  • ২০ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: জঙ্গিপুর পুরসভার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে। গ্রীষ্ম পড়তেই সেই সমস্যা চরমে উঠেছে। জলের চাহিদা মেটাতে বাম আমলেই জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরভাগীরথীর দু’ ধারে তৈরি করেছিলদু’টি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট। যার মাধ্যমে গঙ্গার জল পরিশুদ্ধ করে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে পৌঁছে দেওয়া হতো। কিন্তু সেই জলেও চাহিদা মিটছিল না পুরবাসীদের। তাই পুরসভার উদ্যোগে প্রায় ৮১ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন তিনটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট তৈরির কাজ প্রায় সম্পূর্ণ। 

Advertisement

বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হচ্ছে এই পরিষেবা। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে প্ল্যান্টগুলি চালু হয়ে যাবে বলে পুর কর্তৃপক্ষের দাবি।পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, আগে বেশ কিছু ওয়ার্ডে জল পৌঁছে গেলেও ১, ২, ৬, ৮, ৯, ১৩, ১৪, ২১নম্বর ওয়ার্ডের মানুষ ঠিকঠাক পানীয় জল পাচ্ছিলেন না। তাই অম্রুত প্রকল্পের মাধ্যমে ভাগীরথীর দু’ ধারে নতুন প্ল্যান্ট তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে পুলিস সুপারের অফিসের পাশে, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসুদেবপুর কলোনি এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর এলাকায় প্ল্যান্টের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। ইতিমধ্যেই নদী থেকে জল তোলার জন্য ‘ইনটেক জেটি’ তৈরি হয়ে গিয়েছে। রিজার্ভার তৈরিও প্রায় শেষ। বর্তমানে প্রায় ৯০শতাংশ পরিবারে জলের কানেকশন দেওয়ার কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। তবে ৭ ও ৮নম্বর ওয়ার্ড সহ কয়েকটি এলাকায় পাইপ লাইনের কাজ চলছে। পাইপ লাইনের কাজ শেষ হলেই বাড়িতে বাড়িতে পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হবে। শহরের বাসিন্দা সেরিনা বানু, অনুপ্রিয়া দাস বলেন, পানীয় জলের সমস্যা ছিলই। গরমের সময়ে সমস্যা বাড়ে। কিছুদিন আগে বাড়িতে জলের কানেকশন দিয়ে গিয়েছে। মাঝেমধ্যে জলও দেওয়া হচ্ছে। জলের পরিষেবাটা নিয়মিত হলে ভালো হয়।পুরসভার বিরোধী দলনেতা সিপিএমের সুবীর রায় বলেন, পুরসভা পানীয়জল, শহরের আবর্জনা সাফাই থেকে নিকাশি নালা শহরবাসীকে নাগরিক পরিষেবা দিতে ব্যর্থ। ইতিপূর্বে এই ইস্যুতে একাধিকবার বিক্ষোভ আন্দোলন করেছি ও চেয়ারম্যানকে ডেপুটেশন দিয়েছি। আমরা ফের আন্দোলনে নামব। অন্যদিকে, পুরসভার চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম বলেন, প্রত্যেক মানুষের বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়াটা আমাদের লক্ষ্য ছিল। সেটাই সফল হতে চলেছে। ৮১ কোটি টাকা ব্যয়ে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট হচ্ছে। খুব শীঘ্রই নতুন প্ল্যান্টগুলি চালু হয়ে যাবে, পানীয়জলের আর সমস্যা থাকবে না। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ