Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

চন্দননগরের আলোকসজ্জায় সেজে উঠেছে জগন্নাথ মন্দির

দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের দ্বারোদঘাটন উপলক্ষ্যে সৈকত শহরে সাজো সাজো রব। অক্ষয় তৃতীয়ার পুণ্য লগ্নে উদ্বোধন হবে মন্দিরের। অনেকদিন আগে থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে প্রস্তুতিপর্ব।

চন্দননগরের আলোকসজ্জায় সেজে উঠেছে জগন্নাথ মন্দির
  • ৩০ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের দ্বারোদঘাটন উপলক্ষ্যে সৈকত শহরে সাজো সাজো রব। অক্ষয় তৃতীয়ার পুণ্য লগ্নে উদ্বোধন হবে মন্দিরের। অনেকদিন আগে থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে প্রস্তুতিপর্ব। মন্দির উদ্বোধনের জন্য দীঘায় পৌঁছেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জগন্নাথের থিম ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে একটুকরো ‘শ্রীক্ষেত্র’-কে আলোকসজ্জায় সাজিয়ে তুলেছেন চন্দননগরের আলোকশিল্পীরা। দীঘার রাস্তাঘাট তথা মন্দির প্রাঙ্গণের পাশাপশি সাজিয়ে তোলা হয়েছে সমুদ্র সৈকতকে। বিশাল গেট থেকে শুরু করে ছোট আকারের আলোকসজ্জাও তুলে ধরা হয়েছে। দিকে দিকে দীঘা জুড়ে বসানো হয়েছে আটটি বড় গেট। যেখানে রয়েছে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের আদল থেকে শুরু করে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের ধ্বজায় থাকা ধর্মচক্র। আর গেটের মাথায় আলোকসজ্জা দিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার মূর্তি। অন্যদিকে প্রত্যেকটি বাতিস্তম্ভে জগন্নাথদেবের তিলক, বলরামের লাঙল এবং ধ্বজায় থাকা চক্র সহ একাধিক বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে আলোকসজ্জার মাধ্যমে। পরিকল্পনা মেনে নিজেদের কারিগরি শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে গোটা দীঘাকে জগন্নাথময় করে তুলেছেন চন্দননগরের আলোকশিল্পীরা। এছাড়াও ২২ একরেরও বেশি এলাকা জুড়ে গড়ে ওঠা দিঘার জগন্নাথ মন্দির নির্মাণে আনুমানিক ২৫০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। যা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তহবিল থেকে দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ