সংবাদদাতা, কাঁথি: আর এক মাস পরই দীঘায় জগন্নাথ ধামের উদ্বোধন। মন্দির উদ্বোধনের আগে রবিবার সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগের কাজের পর্যালোচনা করার পাশাপাশি সরেজমিনে সবকিছু খতিয়ে দেখলেন জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজী। এদিন জেলাশাসক জগন্নাথ ধাম সহ পার্কিং এরিয়া, স্নানঘাট সংস্কারের কাজ পরিদর্শন করেন। পানীয় জল, বিদ্যুৎ, পূর্ত সহ বিভিন্ন বিভাগের কাজকর্ম কতদূর এগিয়েছে, আধিকারিক ও ইঞ্জিনিয়ারদের কাছে তার খোঁজখবর নেন। জেলাশাসকের সঙ্গে দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন সংস্থার(ডিএসডিএ) মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক অপূর্বকুমার বিশ্বাস সহ অন্যান্য আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া দীঘা ও দীঘা কোস্টাল থানার পুলিস আধিকারিক এবং ট্রাফিক বিভাগের অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন।
জানা গিয়েছে, জগন্নাথধাম উদ্বোধনের সময় পুণ্যার্থী, পর্যটক, অতিথি, মন্ত্রী-আমলা সহ বহু মানুষের সমাগম হবে। প্রচুর গাড়ি আসবে। তাই পার্কিং প্রশাসনের কাছে বড় মাথাব্যথার কারণ। এই পরিস্থিতিতে উন্নয়ন সংস্থা ওল্ড দীঘায় নেহরু মার্কেটের পশ্চিমদিকে পার্কিং এরিয়া তৈরি করবে। এছাড়া নেহরু মার্কেটের সামনে ফাঁকা জায়গায় গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য আরও একটি জায়গা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। রবিবার থেকে দু’টিরই পরিকাঠামো তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এদিকে পুরনো জগন্নাথ মন্দির(মাসির বাড়ি) এবং নতুন জগন্নাথধামের সোজাসুজি সমুদ্রতীরে দু’টি নতুন ঘাট তৈরি হয়েছে। জেলাশাসক সেই ঘাটগুলি পরিদর্শন করেন। এছাড়া নিউ দীঘায় রেলস্টেশন ঘাট ও পুলিস হলিডে হোম ঘাট বেহাল হয়ে গিয়েছিল। সেই দু’টি ঘাট সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। সেগুলিও ঘুরে দেখেন জেলাশাসক। জগন্নাথধামের উদ্বোধন এবং পরবর্তী সময়ে ট্রাফিকের ভূমিকা কী হবে, তার পরিকল্পনা নিয়ে পুলিস আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন জেলাশাসক। রাস্তার দু’দিকে গাড়ি রাখা কিংবা যানজট করা যাবে না বলেও সংশ্লিষ্ট সকলকে এদিন জেলাশাসক পরিদর্শনের সময় স্পষ্ট জানিয়ে দেন। ডিএসডিএর মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক বলেন, নিউ দীঘা এলাকায় আমাদের পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। চাইলে যেখানে খুশি গাড়ি পার্কিং করা যায়। ওল্ড দীঘায় গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গার অভাব। তাই পার্কিং এরিয়া তৈরির উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য যে কাজগুলি বাকি রয়েছে তা ১৫এপ্রিলের মধ্যে যাতে শেষ করা যায়, সেব্যাপারে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।