নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: বাবা-দাদার মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনার দু’দিন পরেও বাড়ির একমাত্র ছেলে প্রণবকুমার বৈশ্যর খোঁজ নেই। পুলিস ওই যুবকের মোবাইল ফোন সুইচ অফ পাচ্ছে। ফলে তাঁর অবস্থান ঠিক কোথায় তাও ‘ট্র্যাক’ করা যাচ্ছে না। তদন্তকারীদের আতশকাচের তলায় প্রণবের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে লেনদেন। সম্প্রতি তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কত টাকা জমা হয়েছে বা কত টকা তোলা হয়েছে সব কিছুই খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। কোনওরকম লেনদেন হলে সেটা তদন্তের স্বার্থে কাজে লাগতে পারে। অফিসারদের দাবি, সোমবার ওই ঘটনার পর বুধবার পর্যন্ত ব্যাঙ্কে কোনও লেনদেন হয়নি। ফলে প্রণবকুমার বৈশ্যকে ধরার ব্যাপারে এখনও পুলিস কার্যত অন্ধকারেই।
Advertisement
কোচবিহারের পুলিস সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য বলেন, ওই বাড়ির ছেলে প্রণবকুমার বৈশ্যর খোঁজ চলছে। ওকে পাওয়া গেলে তদন্তে অনেকটাই সুবিধা হবে। ওই যুবকের মোবাইল বন্ধ। তবে ব্যাঙ্ক লেনদেন হচ্ছে কি না, সেদিকে আমরা নজর রাখছি।
সোমবার কোচবিহারের ডাউয়াগুড়ির বৃদ্ধ বিজয়কুমার বৈশ্যর মৃতদেহ উদ্ধার হয় ঘরের আলমারিতে কম্বল জড়ানো অবস্থায়। ওই দিনই প্রায় দেড় মাস ধরে নিখোঁজ থাকা বিজয়বাবুর ভাগ্নে প্রৌঢ় গোপাল রায়ের পচাগলা দেহ উদ্ধার হয় বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কে। এই ঘটনার পর থেকে বিজয়বাবুর ছেলে প্রণবের খোঁজ নেই।
ইংরাজিতে স্নাতক প্রণব যে মাদকাসক্ত, প্রতিবেশীদের কথায় তা স্পষ্ট। মাদকের টাকা জোগান নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বাকবিতণ্ডা লেগেই থাকত। অসুস্থ বাবাকে তিনি মারধর করতেন বলেও অভিযোগ। স্থানীয়রাই জানিয়েছেন, রগচটা মারকুটে প্রণব আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী সকলের সঙ্গেই খারাপ ব্যবহার করতেন। ফলে তাঁর সঙ্গে কারওই তেমন সম্পর্ক নেই। বন্ধুবান্ধবদের একটা অংশও তাঁকে এড়িয়ে চলে। এহেন প্রণব কি কর্পূরের মতো উবে গেলেন? তিনদিন ধরে কোথায় লুকিয়ে তিনি?
এখানেই পুলিসের সন্দেহ, ওই যুবকের কাছে যথেষ্ট টাকা আছে। না হলে এভাবে পালিয়ে থাকা সম্ভব নয়। অত্যন্ত চালাক প্রণব গা ঢাকা দিয়ে কোন কোন জায়গায় থাকতে পারেন, সেসবও পুলিস খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে। কিন্তু মোবাইল বন্ধ থাকা, ব্যাঙ্ক লেনদেন না হওয়ায় পুলিস সাধারণত যেসমস্ত প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে থাকে, এক্ষেত্রে এখনও সেগুলি কার্যকর হচ্ছে না। ফলে প্রযুক্তি নির্ভর তদন্তের পথ ছেড়ে পুলিসও অনেকটা প্রথাগত ও গতানুগতিক পথে তদন্ত করছে বলে সূত্রের খবর।
এদিকে, ঘটনার পর থেকে ডাউয়াগুড়ির বৈশ্যপাড়ায় আতঙ্ক ও ভয়ের পরিবেশ রয়েছে এখনও।
সোমবার কোচবিহারের ডাউয়াগুড়ির বৃদ্ধ বিজয়কুমার বৈশ্যর মৃতদেহ উদ্ধার হয় ঘরের আলমারিতে কম্বল জড়ানো অবস্থায়। ওই দিনই প্রায় দেড় মাস ধরে নিখোঁজ থাকা বিজয়বাবুর ভাগ্নে প্রৌঢ় গোপাল রায়ের পচাগলা দেহ উদ্ধার হয় বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কে। এই ঘটনার পর থেকে বিজয়বাবুর ছেলে প্রণবের খোঁজ নেই।
ইংরাজিতে স্নাতক প্রণব যে মাদকাসক্ত, প্রতিবেশীদের কথায় তা স্পষ্ট। মাদকের টাকা জোগান নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বাকবিতণ্ডা লেগেই থাকত। অসুস্থ বাবাকে তিনি মারধর করতেন বলেও অভিযোগ। স্থানীয়রাই জানিয়েছেন, রগচটা মারকুটে প্রণব আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী সকলের সঙ্গেই খারাপ ব্যবহার করতেন। ফলে তাঁর সঙ্গে কারওই তেমন সম্পর্ক নেই। বন্ধুবান্ধবদের একটা অংশও তাঁকে এড়িয়ে চলে। এহেন প্রণব কি কর্পূরের মতো উবে গেলেন? তিনদিন ধরে কোথায় লুকিয়ে তিনি?
এখানেই পুলিসের সন্দেহ, ওই যুবকের কাছে যথেষ্ট টাকা আছে। না হলে এভাবে পালিয়ে থাকা সম্ভব নয়। অত্যন্ত চালাক প্রণব গা ঢাকা দিয়ে কোন কোন জায়গায় থাকতে পারেন, সেসবও পুলিস খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে। কিন্তু মোবাইল বন্ধ থাকা, ব্যাঙ্ক লেনদেন না হওয়ায় পুলিস সাধারণত যেসমস্ত প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে থাকে, এক্ষেত্রে এখনও সেগুলি কার্যকর হচ্ছে না। ফলে প্রযুক্তি নির্ভর তদন্তের পথ ছেড়ে পুলিসও অনেকটা প্রথাগত ও গতানুগতিক পথে তদন্ত করছে বলে সূত্রের খবর।
এদিকে, ঘটনার পর থেকে ডাউয়াগুড়ির বৈশ্যপাড়ায় আতঙ্ক ও ভয়ের পরিবেশ রয়েছে এখনও।



