নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: জুয়া খেলার সময় সাঙ্গপাঙ্গ সমেত পুলিসের কাছে হাতেনাতে ধরা পড়লেন বিজেপির যুব মোর্চার জেলা সম্পাদক রাজা সামন্ত। ধৃতের বাড়ি নন্দকুমার থানার কল্যাণপুর পঞ্চায়েতের মাধবপুর গ্রামে। তাঁর স্ত্রী যমুনা মণ্ডল কল্যাণপুর পঞ্চায়েতের প্রধান। মঙ্গলবার রাতে মহিষাদল থানার পুলিস তাজপুর গ্রামে জুয়ার আসর থেকে রাজা সহ ১০জনকে গ্রেপ্তার করে। বোর্ড থেকে ১৮৬০০টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়। পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী জুয়া খেলতে গিয়ে ধরা পড়ায় প্রচণ্ড অস্বস্তিতে পদ্ম শিবির। মহিষাদল থানার ওসি নাড়ুগোপাল বিশ্বাস বলেন, তাজপুরে জুয়ার ঠেক থেকে রাজা সামন্ত সহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যদিও যুব মোর্চার জেলা সভাপতি দেবাংশু মাইতি বলেন, রাজু সামন্ত আমাদের সংগঠনের জেলা সম্পাদক। জুয়ার ঠেক থেকে ওঁর গ্রেপ্তারির খবর জানা নেই।
Advertisement
মহিষাদল-গাড়ুঘাটা রাস্তায় তাজপুরে ফাঁকা জায়গায় প্রায়ই জুয়ার আসর বসে। বাড়ি থেকে প্রায় দু’কিলোমিটার দূরে সেই আসরে পৌঁছে গিয়েছিলেন রাজা। রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ বোর্ডের চারপাশে ভিড় জমেছে। বোর্ডে ৫০০টাকার নোট জমা পড়ছে। খবর পেয়ে পুলিসের টহলদারি ভ্যান তাড়াতাড়ি তাজপুরে পৌঁছে যায়। ঘটনাস্থল থেকে ১০জনকে হাতেনাতে পাকড়াও করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শীতের সন্ধ্যায় নন্দকুমার ও মহিষাদলের নানা প্রান্তে জুয়ার আসর বসে। বিজেপির ওই যুব নেতা জুয়ায় আসক্ত। পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী প্রায়ই বেশ কিছু সাঙ্গপাঙ্গর সঙ্গে সেসব ঠেকে হাজির হন। মঙ্গলবার রাতে পুলিসি অভিযানের সময় পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ব্যর্থ হন। কল্যাণপুর পঞ্চায়েতে ওই নেতার দাপট প্রশ্নাতীত। তাঁর গ্রেপ্তারের খবরে অনেকেই বলছেন, ‘পাপ বাপকেও ছাড়ে না।’
তার আগের দিন তমলুক ব্লকের নিমতৌড়ি থেকে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীকে বেআইনি মদ সহ পুলিস গ্রেপ্তার করেছিল। ধৃত পিণ্টু ঘোষ স্থানীয় বিজেপি নেতা। জনপ্রতিনিধির স্বামী হয়েও বিজেপি নেতাদের এই কাজকর্মে এলাকার বাসিন্দারা অবাক। ধৃত রাজা সামন্তের স্ত্রী যমুনা সামন্ত বলেন, পুলিস স্বামীকে কী জন্য গ্রেপ্তার করেছে জানা নেই।
মহিষাদলের তৃণমূল বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী বলেন, বিজেপি নেতারা হতাশ হয়ে বিপথগামী হচ্ছে। সম্প্রতি তমলুকে এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে ওদের দলেরই নেত্রী ধর্ষণের অভিযোগ আনেন। নিমতৌড়িতে বেআইনি মদ বিক্রি করতে গিয়ে, নন্দকুমারে জুয়া খেলতে গিয়ে ওদের নেতারা পুলিসের জালে পড়েছে। আসলে এরা এখন দিশাহীন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শীতের সন্ধ্যায় নন্দকুমার ও মহিষাদলের নানা প্রান্তে জুয়ার আসর বসে। বিজেপির ওই যুব নেতা জুয়ায় আসক্ত। পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী প্রায়ই বেশ কিছু সাঙ্গপাঙ্গর সঙ্গে সেসব ঠেকে হাজির হন। মঙ্গলবার রাতে পুলিসি অভিযানের সময় পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ব্যর্থ হন। কল্যাণপুর পঞ্চায়েতে ওই নেতার দাপট প্রশ্নাতীত। তাঁর গ্রেপ্তারের খবরে অনেকেই বলছেন, ‘পাপ বাপকেও ছাড়ে না।’
তার আগের দিন তমলুক ব্লকের নিমতৌড়ি থেকে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীকে বেআইনি মদ সহ পুলিস গ্রেপ্তার করেছিল। ধৃত পিণ্টু ঘোষ স্থানীয় বিজেপি নেতা। জনপ্রতিনিধির স্বামী হয়েও বিজেপি নেতাদের এই কাজকর্মে এলাকার বাসিন্দারা অবাক। ধৃত রাজা সামন্তের স্ত্রী যমুনা সামন্ত বলেন, পুলিস স্বামীকে কী জন্য গ্রেপ্তার করেছে জানা নেই।
মহিষাদলের তৃণমূল বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী বলেন, বিজেপি নেতারা হতাশ হয়ে বিপথগামী হচ্ছে। সম্প্রতি তমলুকে এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে ওদের দলেরই নেত্রী ধর্ষণের অভিযোগ আনেন। নিমতৌড়িতে বেআইনি মদ বিক্রি করতে গিয়ে, নন্দকুমারে জুয়া খেলতে গিয়ে ওদের নেতারা পুলিসের জালে পড়েছে। আসলে এরা এখন দিশাহীন।



