নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: পৌষমাসের ১০টি দিন কেটে গিয়েছে। তবে হাড় কাঁপানো ঠান্ডার পরিবর্তে বেশ মনোরম আবহাওয়া গৌড়বঙ্গে। বাংলাদেশের ওপরে একটি ঘূর্ণাবর্তের অবস্থান ও পশ্চিমি ঝঞ্ঝার কারণে কনকনে ঠান্ডার গতিপথ কিছুটা রুদ্ধ বলে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে জোড়া বাধা সরে গেলে দিন সাতেকের মধ্যে জাঁকিয়ে শীত পড়ার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে দপ্তর। ফলে আপাতত শীতের মনোরম আবহাওয়া উপভোগ করছেন গৌড়বঙ্গের বাসিন্দারা।
Advertisement
মালদহে সকালের দিকে কুয়াশা থাকলেও বেলার দিকে ঝকঝকে রোদের দেখা মিলছে। পৌষের ঠান্ডা বেশ সহনীয় থাকায় শীতের শুরুটা উপভোগ করছেন প্রায় সকলেই। বছর শেষে উৎসবের দিনগুলিতেও গা ভাসাতে দেখা যাচ্ছে প্রায় সকলকে।
জেলা আবহাওয়া দপ্তরের পদস্থ আধিকারিক তপন কুমার দাস বলেন, ঠান্ডার কামড় ততটা বোঝা যাচ্ছে না। দিন সাতেক পর শীতের দাপট আস্তে আস্তে বাড়তে শুরু করবে। কারণ তখন পশ্চিমি ঝঞ্ঝার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের উপরে থাকা
ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবও একেবারে দুর্বল হয়ে পড়বে।
তিনি জানান, মালদহে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। সর্বনিম্ন ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আপেক্ষিক আর্দ্রতা দিনে প্রায় ৯০ শতাংশের কাছাকাছি হলেও রাতে অনেকটাই কমছে বলে ঠান্ডার প্রভাব বেশি অনুভূত হচ্ছে।
ঘন কুয়াশার দাপট যেভাবে কমেছে তাতে উত্তর দিনাজপুরের পারদ নিম্নমুখী হওয়ার আপাতত কোনও লক্ষণ নেই। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ২৬ ও সর্বনিম্ন ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ঘোরাফেরা করেছে। কয়েকদিন এখানকার আবহাওয়া তেমন বদল হবে না বলে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর। দিনে সেভাবে ঠান্ডার অনুভূতি না থাকলেও রাতে অনুভূতি যথেষ্ট বেশি। লাগাতার মৃদুমন্দ হাওয়া শীতের আমেজ বজায় রেখেছে জেলার আনাচেকানাচে। সিকিম আবহাওয়া দপ্তরের আধিকারিক গোপীনাথ রাহা বলেন, মঙ্গল, বুধবার নাগাদ উত্তর দিনাজপুর জেলার কুয়াশার প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে।
দুপুরে রোদ, রাতে ঠান্ডা। বালুরঘাট সহ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে আবহাওয়ার এমন ছবি। এদিন দুপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি এবং ভোরবেলায় সর্বনিম্ন ছিল ১১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বালুরঘাট মাঝিয়ান আবহাওয়া পর্যবেক্ষক কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী দু’দিন একই আবহাওয়া থাকবে জেলাজুড়ে। আবহাওয়া পর্যবেক্ষক সুমন সূত্রধর বলেন, বালুরঘাটে ২৮ তারিখ থেকে তাপমাত্রা আরও কমবে।
জেলা আবহাওয়া দপ্তরের পদস্থ আধিকারিক তপন কুমার দাস বলেন, ঠান্ডার কামড় ততটা বোঝা যাচ্ছে না। দিন সাতেক পর শীতের দাপট আস্তে আস্তে বাড়তে শুরু করবে। কারণ তখন পশ্চিমি ঝঞ্ঝার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের উপরে থাকা
ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবও একেবারে দুর্বল হয়ে পড়বে।
তিনি জানান, মালদহে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। সর্বনিম্ন ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আপেক্ষিক আর্দ্রতা দিনে প্রায় ৯০ শতাংশের কাছাকাছি হলেও রাতে অনেকটাই কমছে বলে ঠান্ডার প্রভাব বেশি অনুভূত হচ্ছে।
ঘন কুয়াশার দাপট যেভাবে কমেছে তাতে উত্তর দিনাজপুরের পারদ নিম্নমুখী হওয়ার আপাতত কোনও লক্ষণ নেই। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ২৬ ও সর্বনিম্ন ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ঘোরাফেরা করেছে। কয়েকদিন এখানকার আবহাওয়া তেমন বদল হবে না বলে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর। দিনে সেভাবে ঠান্ডার অনুভূতি না থাকলেও রাতে অনুভূতি যথেষ্ট বেশি। লাগাতার মৃদুমন্দ হাওয়া শীতের আমেজ বজায় রেখেছে জেলার আনাচেকানাচে। সিকিম আবহাওয়া দপ্তরের আধিকারিক গোপীনাথ রাহা বলেন, মঙ্গল, বুধবার নাগাদ উত্তর দিনাজপুর জেলার কুয়াশার প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে।
দুপুরে রোদ, রাতে ঠান্ডা। বালুরঘাট সহ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে আবহাওয়ার এমন ছবি। এদিন দুপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি এবং ভোরবেলায় সর্বনিম্ন ছিল ১১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বালুরঘাট মাঝিয়ান আবহাওয়া পর্যবেক্ষক কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী দু’দিন একই আবহাওয়া থাকবে জেলাজুড়ে। আবহাওয়া পর্যবেক্ষক সুমন সূত্রধর বলেন, বালুরঘাটে ২৮ তারিখ থেকে তাপমাত্রা আরও কমবে।



