নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহারের ডাউয়াগুড়ির বৈশ্যপাড়ায় জোড়া খুনের ঘটনার দু’মাস পরেও খোঁজ মিলল না বাড়ির একমাত্র ছেলে প্রণব বৈশ্যর। বহু চেষ্টা করেও পুলিস তার হদিশ পায়নি এখনও। খোঁজখবর নিয়ে কোচবিহার থেকে পুলিসের একটি টিম উত্তরপ্রদেশ গিয়েছিল। কিন্তু টিম পাঠিয়েও শেষ পর্যন্ত তাকে সেখানে পাওয়া যায়নি। বাবা ও দাদার খুনের ঘটনার পর থেকে প্রণব বেপাত্তা। তাই জোড়া খুনে তাকে সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখেনি পুলিস।
Advertisement
তদন্তকারী অফিসারদের অনুমান, পুলিসের চোখে ধুলো দিয়েছে সে। তাই গা ঢাকা দিয়ে আছে এখনও। তবে এই খুনের মামলায় হাল ছাড়তে নারাজ পুলিস। বিভিন্ন তথ্য ও সূত্র মারফত তারা প্রণবকে উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ধূর্ত প্রণবের খোঁজ মিলছেই না। উল্লেখ্য, গত ২৩ ডিসেম্বর ডাউয়াগুড়ির বৈশ্যপাড়ার বাড়ির আলমারি থেকে প্রণবের বাবার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল। ঘটনার তদন্তে নেমে ওই দিনই বাড়ির সেফটিক ট্যাঙ্ক থেকে প্রণবের পিসতুতো দাদার পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়েছিল। জোড়া দেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রামে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। জেলার পুলিস সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য নিজে সেদিন ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। জলপাইগুড়ি থেকে ফরেন্সিক টিম এসে ওই বাড়ি থেকে নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে গিয়েছিল। উদ্ধার হওয়া দেহ দু’টি কয়েকদিন পর পরিবারের অন্য সদস্যদের হস্তান্তর করা হয়েছিল। তাঁরাই দেহ দু’টি সৎকার করেছিলেন। কিন্তু এতকিছুর পরেও প্রণবের হদিশ মেলেনি। প্রণব যেন কর্পূরের মতো উবে গিয়েছে। পুলিসের কোনও প্রচেষ্টাই এখনও পর্যন্ত সফল হয়নি।
কোচবিহারের এসপি দ্যুতিমান ভট্টাচার্য বলেন, পুলিসের টিম উত্তরপ্রদেশ গিয়েছিল। কিন্তু ওই ছেলেটিকে ধরা যায়নি। তাঁর খোঁজ চলছে।
কোচবিহারের এসপি দ্যুতিমান ভট্টাচার্য বলেন, পুলিসের টিম উত্তরপ্রদেশ গিয়েছিল। কিন্তু ওই ছেলেটিকে ধরা যায়নি। তাঁর খোঁজ চলছে।



