আইভরি কোস্ট- ১ : ইকুয়েডর- ০
আইভরি কোস্ট- ১ : ইকুয়েডর- ০
ফিলাডেলফিয়া: ফুটবলার হওয়ার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেখিয়ে আফ্রিকা থেকে হাজার হাজার ছেলেকে পাচার করা হয় ইউরোপে। এর মধ্যে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে অনেকেরই জীবন নষ্ট হয়ে যায়। তাদের মধ্যেই একজন হতে পারতেন আমাদ ডিয়ালো। মাত্র ১০ বছর বয়সেই তাঁকে শ্রীঘরে কাটানোর যন্ত্রণা ভোগ করতে হতে পারত। কিন্তু, রাখে হরি তো মারে কে! নিয়তিই রক্ষা করেছিল আমাদকে। আর রবিবার বিশ্বকাপে তিনিই আইভরি কোস্টের জয়ের নায়ক। আমাদের একমাত্র লক্ষ্যভেদেই ইকুয়েডরকে ১-০ ব্যবধানে হারাল আইভরি কোস্ট।
আবিদজানে জন্ম আমাদের। বাবা-মাকে মিথ্যে বুঝিয়ে ১০ বছরের খুদে ফুটবলার সহ আরও কয়েকজনকে ইউরোপে নিয়ে আসে পাচারকারী হামেদ মামুদ ট্রায়োরে। জাল কাগজ তৈরি করে সিরি-এ’তে খেলানোর নামে ইতালিতে ঢোকানো হয়। কিন্তু, হামেদের পাচারচক্র ধরে ফেলে ইতালির পুলিশ। আমাদদেরও গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু ততদিনে এই প্রতিশ্রুতিসম্পন্ন ফুটবলারকে অনেকেই চেনেন। তাই ইতালিতে থাকার অনুমতি পান আমাদ। পাঠানো হয় আটালান্টার অ্যাকাডেমিতে। এরপর ২০১৯ সালে ক্লাবের সিনিয়র দলের হয়ে সিরি-এ’তে অভিষেকেই গোল। নজরে পড়ে যান ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের। প্রথমে রেড ডেভিলসের হয়ে সুযোগ না পেলেও পরে লাল জার্সিতে মাঠে নামেন তিনি। আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি আমাদকে। ইউনাইটেডে খেলার সুবাদে আইভরি কোস্ট জাতীয় দলের জায়গা করে নেন তিনি।