সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: মূত্রনালি বন্ধ থাকায় প্রস্রাব ভালোভাবে হতো না কালচিনির দক্ষিণ লতাবাড়ি গ্রামের ৩৭ বছরের যুবক বাবলু্ খাঁড়িয়ার। ১২-১৩ বছর ধরে এই সমস্যা চলছিল তাঁর। সেজন্য দরকার ছিল ইউরেথ্রোপ্লাস্টি অপারেশন। বাইরে এই অপারেশন করতে কমপক্ষে খরচ হয় তিন লক্ষ টাকা। দক্ষিণ লতাবাড়ির ওই গরিব যুবকের পক্ষে এত টাকা একেবারেই জোগাড় করা সম্ভব ছিল না।
Advertisement
একমাত্র মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ছাড়া জেলা হাসপাতালে এধরনের অপারেশনের কোনও পরিকাঠোমোই নেই। আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাইরে থেকে যন্ত্রপাতি এনে বিনামূল্যে মুখের মাংস বাবলুর মূত্রনালিতে প্রতিস্থাপন করে সফলভাবে এই অপারেশন করল। বর্তমানে ওই যুবক সম্পূর্ণ সুস্থ। তাঁকে শনিবার জেলা হাসপাতালের ওয়ার্ড থেকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এই সফল অপারেশন করেছেন জেলা হাসপাতালের সার্জন পবিত্র রায়। সহযোগিতায় ছিল জেলা হাসপাতালের পুরো অ্যানাসথেসিয়া টিম। তিন দিন আগে এই অপারেশন হয়। বাবুলর মূত্রনালিতে যেদিন এই অপারেশন হয় সেদিন হাসপাতালে আর অন্য কোনও অপারেশন রাখা হয়নি। কারণ, টানা ছ’ঘণ্টা ধরে চলা এই অপারেশনে জেলা হাসপাতালের পুরো অ্যানাসথেসিয়া টিমের সদস্যরা যুক্ত ছিলেন।
আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালের সুপার পরিতোষ মণ্ডল বলেন, বাইরে এই অপারেশন করলে কমপক্ষে তিন লক্ষ টাকা খরচ হতো। কিন্তু ওই গরিব যুবকের পক্ষে এই টাকা খরচ করা সম্ভব ছিল না। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ছাড়া জেলা হাসপাতালে এধরনের অপারেশনের পরিকাঠামোও নেই। কিন্তু যুবকের অবস্থার কথা ভেবে বাইরে থেকে যন্ত্রপাতি এনে এই অপারেশন করা হয়। হাসপাতালের নিউরো সার্জন পবিত্র রায় এই অপারেশন করেছেন। অপারেশন সফল হওয়ায় ও সুস্থ থাকায় যুবককে শনিবার ছুটি দেওয়া হয়েছে।
পবিত্র রায় বলেন, পেটে প্রস্রাব জমা থাকার কারণে যুবকের দু’টি কিডনিও খারাপ হচ্ছিল। অপারেশন সম্পূর্ণভাবে সফল হওয়ায় ওই যুবকের আর কোনও সমস্যা নেই। এদিকে, ওই যুবকের পরিবার জেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে চোখের জলে ধন্যবাদ জানিয়েছে।
এই সফল অপারেশন করেছেন জেলা হাসপাতালের সার্জন পবিত্র রায়। সহযোগিতায় ছিল জেলা হাসপাতালের পুরো অ্যানাসথেসিয়া টিম। তিন দিন আগে এই অপারেশন হয়। বাবুলর মূত্রনালিতে যেদিন এই অপারেশন হয় সেদিন হাসপাতালে আর অন্য কোনও অপারেশন রাখা হয়নি। কারণ, টানা ছ’ঘণ্টা ধরে চলা এই অপারেশনে জেলা হাসপাতালের পুরো অ্যানাসথেসিয়া টিমের সদস্যরা যুক্ত ছিলেন।
আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালের সুপার পরিতোষ মণ্ডল বলেন, বাইরে এই অপারেশন করলে কমপক্ষে তিন লক্ষ টাকা খরচ হতো। কিন্তু ওই গরিব যুবকের পক্ষে এই টাকা খরচ করা সম্ভব ছিল না। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ছাড়া জেলা হাসপাতালে এধরনের অপারেশনের পরিকাঠামোও নেই। কিন্তু যুবকের অবস্থার কথা ভেবে বাইরে থেকে যন্ত্রপাতি এনে এই অপারেশন করা হয়। হাসপাতালের নিউরো সার্জন পবিত্র রায় এই অপারেশন করেছেন। অপারেশন সফল হওয়ায় ও সুস্থ থাকায় যুবককে শনিবার ছুটি দেওয়া হয়েছে।
পবিত্র রায় বলেন, পেটে প্রস্রাব জমা থাকার কারণে যুবকের দু’টি কিডনিও খারাপ হচ্ছিল। অপারেশন সম্পূর্ণভাবে সফল হওয়ায় ওই যুবকের আর কোনও সমস্যা নেই। এদিকে, ওই যুবকের পরিবার জেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে চোখের জলে ধন্যবাদ জানিয়েছে।



