দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি: রেল বাজেটে যা ছিল রীতিমতো দস্তুর, সেই ‘পিঙ্ক বুক’ প্রকাশ কি বন্ধ করার পথেই হাঁটছে মন্ত্রক? এদিন এই ব্যাপারে রেলমন্ত্রী ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে বলেছেন, সারা বছর ধরেই রেলওয়ে প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। তাই আলাদা করে পিঙ্ক বুকের কী প্রয়োজন? পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়েছেন বৈষ্ণব। আর এতেই জল্পনা একেবারে তুঙ্গে উঠেছে। যদিও রেলের ‘পিঙ্ক বুক’ প্রকাশ হবে না, সরকারিভাবে এমন মন্তব্য রেল বোর্ডের পক্ষ থেকে করা হয়নি। তাই ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে পুরোমাত্রায়। কারণ সোমবার ২০২৫-২৬ আর্থিক বছরে রেলের ডিমান্ডস-ফর-গ্রান্টসের পরিপ্রেক্ষিতে রেলমন্ত্রী এক সাংবাদিক বৈঠক করলেও সোমবার রাত পর্যন্ত পিঙ্ক বুক প্রকাশিত হয়নি। প্রশ্ন উঠছে, বিভিন্ন রাজ্যকে রেল বাজেটে ব্রাত্য রাখা হয়েছে, এমন অভিযোগ কার্যত ধামাচাপা দিতেই কি বেনজিরভাবে এহেন সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রক?
Advertisement
যদিও বাংলা সহ কোনও রাজ্যের বঞ্চনার অভিযোগ মানতে চাননি রেলমন্ত্রী। সোমবার বৈষ্ণব বলেন, ২০২৫-২৬ আর্থিক বছরে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন রেল প্রকল্পের বাস্তবায়নের জন্য ১৩ হাজার ৯৫৫ কোটি টাকার অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০১৪ - ইউপিএ জমানার এই পাঁচ বছরে গড়ে বাংলার জন্য যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ হতো, কেন্দ্র এবার রাজ্যকে তার তিন গুণ বেশি টাকা দিয়েছে। এমনকী ইউপিএ জমানায় যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী ছিলেন, তখনও বাংলা এত অর্থ বরাদ্দ পায়নি রেল বাজেটে।
এই প্রসঙ্গে এদিন ফের বৈষ্ণব কাঠগড়ায় তুলেছেন রাজ্য সরকারকে। বলেছেন, বাংলায় এখনও পর্যন্ত ৬৮ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ করেছে রেল। কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য জমি অধিগ্রহণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মতো সমস্যার সমাধান রাজ্য সরকারকেই করতে হবে। আমরা একাধিকবার এই ব্যাপারে রাজ্যের কাছে আর্জি জানিয়েছি। আবারও করব। গত শনিবার ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের সাধারণ বাজেট পেশ হয়েছে। প্রকাশিত বাজেট ডকুমেন্টে ওইদিনই স্পষ্ট হয়েছে, বিশেষত একাধিক মেট্রো প্রকল্পে বাংলাকে ব্রাত্যই রাখা হয়েছে। অভিযোগ উড়িয়ে এদিন রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, ১৯৭২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে বাংলায় মাত্র ২৮ কিমি মেট্রো রেলের কাজ হয়েছে। কিন্তু মোদি সরকারের ১০ বছরে হয়েছে ৩১ কিমি। বৈষ্ণব জানিয়েছেন, বাংলায় আরও বন্দে ভারত এবং অমৃত ভারত ট্রেন চালানো হবে। এমনকী চালু করা হবে নমো ভারত র্যাপিড রেলও।
এই প্রসঙ্গে এদিন ফের বৈষ্ণব কাঠগড়ায় তুলেছেন রাজ্য সরকারকে। বলেছেন, বাংলায় এখনও পর্যন্ত ৬৮ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ করেছে রেল। কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য জমি অধিগ্রহণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মতো সমস্যার সমাধান রাজ্য সরকারকেই করতে হবে। আমরা একাধিকবার এই ব্যাপারে রাজ্যের কাছে আর্জি জানিয়েছি। আবারও করব। গত শনিবার ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের সাধারণ বাজেট পেশ হয়েছে। প্রকাশিত বাজেট ডকুমেন্টে ওইদিনই স্পষ্ট হয়েছে, বিশেষত একাধিক মেট্রো প্রকল্পে বাংলাকে ব্রাত্যই রাখা হয়েছে। অভিযোগ উড়িয়ে এদিন রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, ১৯৭২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে বাংলায় মাত্র ২৮ কিমি মেট্রো রেলের কাজ হয়েছে। কিন্তু মোদি সরকারের ১০ বছরে হয়েছে ৩১ কিমি। বৈষ্ণব জানিয়েছেন, বাংলায় আরও বন্দে ভারত এবং অমৃত ভারত ট্রেন চালানো হবে। এমনকী চালু করা হবে নমো ভারত র্যাপিড রেলও।



