ওয়াশিংটন ডিসি: স্যুট কেন পরেননি? কার সঙ্গে বৈঠক করবেন জানেন না? ওভাল অফিসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের আগেই ভোলোদামির জেলেনস্কিকে কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছিলেন মার্কিন সাংবাদিকরা। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টও ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নন। সেই তর্ক শেষ হতে না হতে শুরু হয় দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। তারপর রুশ যুদ্ধ নিয়ে আলোচনার মাঝেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তুমুল ঝগড়া ভোলোদামির জেলেনস্কির। বাদানুবাদের জেরে শেষপর্যন্ত বাতিল হয়ে গেল বহু আলোচিত খনিজ চুক্তি। বৈঠক মাঝপথে শেষ করে জেলেনস্কি সটান ওভাল অফিস ছেড়ে চলে যান। এমনকী হোয়াইট হাউসে পূর্ব নির্ধারিত মধ্যাহ্নভোজ পর্যন্ত করতে পারেননি ইউক্রেনের প্রতিনিধিরা। তার আগেই তাঁদের বেরিয়ে যেতে বলেন ট্রাম্প প্রশাসনের আধিকারিকরা। বাতিল হয়ে যায় যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন। সংবাদমাধ্যমের সামনে দুই রাষ্ট্রনেতার নজিরবিহীন বিবাদে উচ্ছ্বসিত মস্কো। প্রাক্তন রুশ প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভের প্রতিক্রিয়া, ‘বরাহনন্দনকে সপাটে চড় মেরেছে ওভাল অফিস।’
Advertisement
শুক্রবার হোয়াইট হাউসে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন ট্রাম্প-জেলেনস্কি। দ্বিতীয় ট্রাম্প সরকারের আমলে এটাই ছিল দুই রাষ্ট্রনেতার প্রথম বৈঠক। রুশ যুদ্ধের পাশাপাশি আলোচনার অন্যতম ইস্যু ছিল ইউক্রেন-আমেরিকা খনিজ চুক্তি। প্রথমে আলোচনা ঠিকঠাক এগচ্ছিল। একে অপরকে শুভেচ্ছা জানান দুই প্রেসিডেন্ট। তারপর সংবাদমাধ্যমের সামনে হঠাৎ প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে কটাক্ষ করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভান্স। বলেন, ‘চার বছর ধরে সাংবাদিক সম্মেলনে পুতিনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে গিয়েছেন আমেরিকার এক প্রেসিডেন্ট। এরপরেই পুতিন ইউক্রেন আক্রমণ করলেন। দেশের একটা বড় অংশ ধ্বংস করে দিলেন। আমার মনে হয়, কূটনীতি হল শান্তি ও সমৃদ্ধির অন্যতম পথ।’ এই বক্তব্য শেষে ভান্সকে পাল্টা প্রশ্ন করতে চান জেলেনস্কি। অনুমতি মিলতেই তিনি বলেন, ‘ইউক্রেনের একটা বড় অংশের দখল নিয়েছেন পুতিন। কেউ তাঁকে আটকায়নি। যুদ্ধের সময় প্রত্যেক দেশের নিজস্ব সমস্যা থাকে। আপনারা তা অনুভব করতে পারছেন না। তাই সহজ সমাধান বলে দিতে পারছেন। ভবিষ্যতে আপনারাও এটা অনুভব করবেন।’
এতেই বেজায় চটে যান ট্রাম্প। ধমকের সুরে জেলেনস্কিকে বলেন, ‘আমরা কী অনুভব করব, সেটা আপনাকে বলে দিতে হবে না। আপনি সেই জায়গায় নেই। আমরা একটা সমস্যার সমাধান করতে চাইছি।’ জেলেনস্কিকে উত্তরের সুযোগ না দিয়ে ফের হুঁশিয়ারি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট—‘আপনি লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন নিয়ে জুয়া খেলছেন। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন। আপনি যা করছেন, তা আমেরিকার জন্য অপমানজনক। আপনি এই যুদ্ধ জিততে পারবেন না। এভাবে ব্যবসা করা সম্ভব নয়। চুক্তি করুন। নাহলে আমরা বেরিয়ে যাচ্ছি।’ দীর্ঘ ৪০ মিনিট ধরে চলে বচসা। তারপরেই হোয়াইট ছেড়ে চলে যান জেলেনস্কি, খনিজ চুক্তিতে স্বাক্ষর না করেই।
বৈঠকের পর এক বিবৃতিতে ট্রাম্প জানান, শান্তির জন্য প্রস্তুত থাকলে জেলেনস্কি ফিরে আসতেই পারেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার জবাবে ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ আমেরিকা। ধন্যবাদ শুরু থেকে সহায়তা করার জন্য। ইউক্রেন শুধু শান্তি চায়।’ পরে মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্ষমা চাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। তবে যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের সমর্থন যে প্রয়োজন, সেকথা তিনি স্বীকার করেছেন। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘আমরা শান্তি চাই। তাই আমেরিকা এসেছিলাম। এই খনিজ চুক্তি শান্তির দিকে প্রথম ধাপ মাত্র।’
এতেই বেজায় চটে যান ট্রাম্প। ধমকের সুরে জেলেনস্কিকে বলেন, ‘আমরা কী অনুভব করব, সেটা আপনাকে বলে দিতে হবে না। আপনি সেই জায়গায় নেই। আমরা একটা সমস্যার সমাধান করতে চাইছি।’ জেলেনস্কিকে উত্তরের সুযোগ না দিয়ে ফের হুঁশিয়ারি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট—‘আপনি লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন নিয়ে জুয়া খেলছেন। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন। আপনি যা করছেন, তা আমেরিকার জন্য অপমানজনক। আপনি এই যুদ্ধ জিততে পারবেন না। এভাবে ব্যবসা করা সম্ভব নয়। চুক্তি করুন। নাহলে আমরা বেরিয়ে যাচ্ছি।’ দীর্ঘ ৪০ মিনিট ধরে চলে বচসা। তারপরেই হোয়াইট ছেড়ে চলে যান জেলেনস্কি, খনিজ চুক্তিতে স্বাক্ষর না করেই।
বৈঠকের পর এক বিবৃতিতে ট্রাম্প জানান, শান্তির জন্য প্রস্তুত থাকলে জেলেনস্কি ফিরে আসতেই পারেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার জবাবে ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ আমেরিকা। ধন্যবাদ শুরু থেকে সহায়তা করার জন্য। ইউক্রেন শুধু শান্তি চায়।’ পরে মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্ষমা চাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। তবে যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের সমর্থন যে প্রয়োজন, সেকথা তিনি স্বীকার করেছেন। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘আমরা শান্তি চাই। তাই আমেরিকা এসেছিলাম। এই খনিজ চুক্তি শান্তির দিকে প্রথম ধাপ মাত্র।’



