নয়াদিল্লি: আমেরিকার আর্থিক অনুদান নিয়ে কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে তরজা থামছেই না। এবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের রিপোর্টকে হাতিয়ার করেই বিজেপিকে আক্রমণ করেছে হাত শিবির। কংগ্রেসের মতে, মার্কিন অনুদান নিয়ে বিজেপি যে মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছিল, তা অর্থমন্ত্রকের রিপোর্টেই তা ফাঁস হয়ে গিয়েছে। পাল্টা বিজেপি এদিনও দাবি করছে, বিদেশি সাহায্য নিয়ে কংগ্রেস ও রাহুল গান্ধী ভারতের গণতন্ত্রকে দুর্বল করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
Advertisement
সাম্প্রতিক রিপোর্টে অর্থমন্ত্রক জানিয়েছে, ২০২৩-’২৪ আর্থিক বছরে মার্কিন সংস্থা ইউএস-এইড ভারতে সাতটি প্রকল্পের জন্য মোট ৭৫ কোটি ডলার অনুদান দিলেও ভারতের নির্বাচনে ভোটের হার বাড়াতে কোনও টাকা দেওয়া হয়নি। ভারতে ভোটের হার বাড়াতে আমেরিকা টাকা দিয়েছিল, স্বয়ং ডোনাল্ড ট্রাম্প একথা জানাতেই আসরে নামে বিজেপি। রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে গেরুয়া শিবির অভিযোগ তোলে, নিজেদের দক্ষতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হারাতে না পেরে বিদেশি শক্তির সাহায্য ও অর্থ নিয়েছে কংগ্রেস। ভারতের নির্বাচনের জন্য ইউএস-এইডের টাকা দেওয়ার বিষয়টিকে উদ্বেগজনক বলেছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। অর্থমন্ত্রকের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী, বিদেশমন্ত্রী ও তাঁদের মিথ্যা বাহিনীর মুখোশ খুলে দিয়েছে কেন্দ্রেরই অর্থমন্ত্রকের রিপোর্ট। ভোটের হার বাড়াতে কোনও অনুদান দেওয়া হয়নি। সব প্রকল্পের কথাই কেন্দ্রীয় সরকার জানে।’ বিজেপি মিথ্যা খবর ছড়িয়ে দেশবিরোধী কাজ করছে বলেও অভিযোগ কংগ্রেসের।
বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য পাল্টা দাবি করেছেন, কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা ইউএস-এইডের টাকা জর্জ সোরেসের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন সংগঠন ও এনজিওর মাধ্যমে ভারতে ছড়িয়ে নির্বাচনী ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করেছে। এর সুবিধা কারা পেয়েছে, তা সকলেই জানে।
বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য পাল্টা দাবি করেছেন, কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা ইউএস-এইডের টাকা জর্জ সোরেসের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন সংগঠন ও এনজিওর মাধ্যমে ভারতে ছড়িয়ে নির্বাচনী ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করেছে। এর সুবিধা কারা পেয়েছে, তা সকলেই জানে।



