সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: রাজ্যের পাঞ্জিপাড়া, ডোমকলের পর শুক্রবার পুরুলিয়ার সাঁওতালডিহি থানার পুলিসের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে একদল যুবকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার ডিজে বক্স বাজানোকে কেন্দ্র করে ঝামেলার সূত্রপাত হয়। সাঁওতালডিহি থানার পুলিস সেই ঝামেলা থামাতে যায়। আর সেই সময় যুবকদের ছোড়া পাথরের আঘাতে দুই পুলিস আধিকারিক(একজন এসআই এবং একজন এএসআই) গুরুতর জখম হন। তাঁদের মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত লেগেছে। বর্তমানে তাঁরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শুধু তাই নয়, পুলিসের একটি গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়। লাঠি ও পাথরের আঘাতে পুলিসের গাড়িটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনার জেরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরে বিশাল পুলিস বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। লাঠিচার্জ করে আক্রমণকারীদের ছত্রভঙ্গ করা হয় বলে অভিযোগ। যদিও পুলিস লাঠিচার্জের কথা অস্বীকার করেছে। পুলিস জানিয়েছে, ঘটনায় শনিবার বিকেল পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ন’জন সাঁওতালডিহি থানা এলাকার এবং চারজনের বাড়ি পাড়া থানা এলাকায় বলে জানা গিয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে কর্মরত পুলিসকে মারধর করা, প্রাণে মারার চেষ্টা, সরকারি সম্পত্তি নষ্টের মতো অভিযোগ এনে বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন জড়িত রয়েছে। তাদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
Advertisement
জেলার পুলিস সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষ্যে সাঁওতালডিহি থানার সিঁদুরপুর পাহাড়ীগোড়ায় এক দিবসীয় মা পাহাড়চণ্ডীর মেলা হয়। প্রাচীন এই মেলায় বহু মানুষের সমাগম হয়। প্রতি বছরের মতো শুক্রবার মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। মেলায় সিঁদুরপুর, উদয়পুর, পরাসিরি, পড়াশ্যা, হড়কতোড়, ভালাগোড়া, ডুমুরডি, ভেলাটার, প্রভৃতি গ্রামের বাসিন্দারা এসেছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেলা ঠিকমতো চলছিল। শেষ মুহূর্তে সন্ধ্যার দিকে কয়েকজন যুবক তারস্বরে ডিজে বাজাতে থাকে। মেলায় আসা ছোট ছোট বাচ্চা, মহিলা ও বৃদ্ধদের প্রচণ্ড অসুবিধা হচ্ছিল। তাই মেলায় থাকা পুলিসকর্মীদের ডিজে বাজানো বন্ধ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। পুলিসের তরফে একজন সিভিক ভলান্টিয়ার যুবকদের কাছে যান। ডিজে বাজানো বন্ধ রাখতে বলেন। কিন্তু, সিভিকের কথায় ওই যুবকরা কোনও আমল দেয়নি। এরপরই একজন পুলিস আধিকারিক গিয়ে সেই ডিজে বন্ধ করেন। আর তাতেই যুবকরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে। প্রথমে পুলিস আধিকারিকদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে। অন্যান্য পুলিসকর্মী ও আধিকারিকরা সেখানে গিয়ে যুবকদের ধমক দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। আর তখনই কয়েকজন যুবক পুলিসকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে। পুলিস বাধ্য হয়ে লাঠি উঁচিয়ে যুবকদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উত্তেজিত যুবকদের সঙ্গে পুলিসদের কার্যত খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায়। পুলিসের একটি গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। খবর পেয়ে সাঁওতালডিহি থানা থেকে বিশাল পুলিস বাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনায় দুই পুলিস আধিকারিক জখম হন। তাঁদের উদ্ধার করে পাড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।
যদিও কয়েকজন গ্রামবাসী বলেন, পুলিস প্রথমে লাঠিচার্জ শুরু করে। লাঠির আঘাতে এক নাবালক জখম হয়। তাতে অনেকেই উত্তেজিত হয়ে পুলিসকে আক্রমণ করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষ্যে সাঁওতালডিহি থানার সিঁদুরপুর পাহাড়ীগোড়ায় এক দিবসীয় মা পাহাড়চণ্ডীর মেলা হয়। প্রাচীন এই মেলায় বহু মানুষের সমাগম হয়। প্রতি বছরের মতো শুক্রবার মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। মেলায় সিঁদুরপুর, উদয়পুর, পরাসিরি, পড়াশ্যা, হড়কতোড়, ভালাগোড়া, ডুমুরডি, ভেলাটার, প্রভৃতি গ্রামের বাসিন্দারা এসেছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেলা ঠিকমতো চলছিল। শেষ মুহূর্তে সন্ধ্যার দিকে কয়েকজন যুবক তারস্বরে ডিজে বাজাতে থাকে। মেলায় আসা ছোট ছোট বাচ্চা, মহিলা ও বৃদ্ধদের প্রচণ্ড অসুবিধা হচ্ছিল। তাই মেলায় থাকা পুলিসকর্মীদের ডিজে বাজানো বন্ধ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। পুলিসের তরফে একজন সিভিক ভলান্টিয়ার যুবকদের কাছে যান। ডিজে বাজানো বন্ধ রাখতে বলেন। কিন্তু, সিভিকের কথায় ওই যুবকরা কোনও আমল দেয়নি। এরপরই একজন পুলিস আধিকারিক গিয়ে সেই ডিজে বন্ধ করেন। আর তাতেই যুবকরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে। প্রথমে পুলিস আধিকারিকদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে। অন্যান্য পুলিসকর্মী ও আধিকারিকরা সেখানে গিয়ে যুবকদের ধমক দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। আর তখনই কয়েকজন যুবক পুলিসকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে। পুলিস বাধ্য হয়ে লাঠি উঁচিয়ে যুবকদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উত্তেজিত যুবকদের সঙ্গে পুলিসদের কার্যত খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায়। পুলিসের একটি গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। খবর পেয়ে সাঁওতালডিহি থানা থেকে বিশাল পুলিস বাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনায় দুই পুলিস আধিকারিক জখম হন। তাঁদের উদ্ধার করে পাড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।
যদিও কয়েকজন গ্রামবাসী বলেন, পুলিস প্রথমে লাঠিচার্জ শুরু করে। লাঠির আঘাতে এক নাবালক জখম হয়। তাতে অনেকেই উত্তেজিত হয়ে পুলিসকে আক্রমণ করে।



