নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: দেশে নানাভাবে ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। কখনও ভুল ইতিহাস পড়ানো হচ্ছে ছাত্রছাত্রীদের। কখনও আবার ইতিহাস বিকৃত করে তা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এমনই অভিযোগ তুলে প্রতিবাদে সরব হল পশ্চিমবঙ্গ ইতিহাস সংসদ। আজ, শুক্রবার থেকে জলপাইগুড়িতে প্রসন্নদেব মহিলা কলেজে শুরু হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ ইতিহাস সংসদের ৪০তম অধিবেশন। তার আগে ইতিহাসের বিকৃতির চেষ্টা নিয়ে রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করেন পশ্চিমবঙ্গ ইতিহাস সংসদের সম্পাদক তথা রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আশিসকুমার দাস। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, আমাদের দেশে নানাভাবে ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। যদিও এমন কোনও ঘটনা নজরে পড়লেই আমরা তার প্রতিবাদ করি। আগামী দিনেও করব। ধর্মনিরপেক্ষ, বিজ্ঞানসম্মত, যুক্তিনির্ভর ইতিহাস চর্চাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
Advertisement
এই প্রথম উত্তরবঙ্গের কোনও কলেজে পশ্চিমবঙ্গ ইতিহাস সংসদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। তিনদিনের ওই অধিবেশনে গোটা দেশের চারশোর বেশি নবীন ও প্রবীণ গবেষক তাঁদের গবেষণা নিয়ে আলোচনা করবেন। বাংলাদেশে অস্থিরতার কারণে এবারের অধিবেশনে ওপার বাংলা থেকে কোনও গবেষক যোগ দিতে আসছেন না।
উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান তথা পশ্চিমবঙ্গ ইতিহাস সংসদের আজীবন সদস্য আনন্দগোপাল ঘোষ বলেন, আঞ্চলিক ইতিহাস চর্চার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কিন্তু কিছু নিয়মকানুনের মধ্যে দিয়ে সেই চর্চা করতে হয়। অনেকেই তা না মানায় অনেক সময় ইতিহাস বিকৃত হচ্ছে। একইসঙ্গে তাঁর আক্ষেপ, ইতিহাস চর্চার ক্ষেত্রে আঞ্চলিক গবেষকরা এখনও অনেকটাই কোণঠাসা। নামকরা কেউ না হলে অনেক ক্ষেত্রে ইতিহাস চর্চায় তাঁর অবদানকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
- নিজস্ব চিত্র।
উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান তথা পশ্চিমবঙ্গ ইতিহাস সংসদের আজীবন সদস্য আনন্দগোপাল ঘোষ বলেন, আঞ্চলিক ইতিহাস চর্চার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কিন্তু কিছু নিয়মকানুনের মধ্যে দিয়ে সেই চর্চা করতে হয়। অনেকেই তা না মানায় অনেক সময় ইতিহাস বিকৃত হচ্ছে। একইসঙ্গে তাঁর আক্ষেপ, ইতিহাস চর্চার ক্ষেত্রে আঞ্চলিক গবেষকরা এখনও অনেকটাই কোণঠাসা। নামকরা কেউ না হলে অনেক ক্ষেত্রে ইতিহাস চর্চায় তাঁর অবদানকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
- নিজস্ব চিত্র।



