সংবাদদাতা, ইটাহার: সরকারি চাল অন্যত্র বিক্রির অভিযোগ তুলে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মীকে আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখালেন অভিভাবকরা। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তিন ঘণ্টা পর ওই কর্মী ঘেরাওমুক্ত হন। পাশাপাশি শিশুদের নিম্নমানের খাবার দেওয়া সহ একাধিক অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন বাসিন্দারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ইটাহার থানার পুলিস ও দপ্তরের আধিকারিকরা। সোমবার ঘটনানি ঘটেছে ইটাহারের সরুন পঞ্চায়েতের পাঁজল গ্রামে।
Advertisement
পাঁজল উত্তরপাড়া অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের দায়িত্বে রগেছেন একজন সহায়িকা। কোনও স্থায়ী কর্মী নেই। ফলে পার্শ্ববর্তী খরসোতা কেন্দ্রের স্থায়ী কর্মী হোসনারা বেগম বর্তমানে পাঁজল কেন্দ্রের দায়িত্বে আছেন। বাসিন্দাদের অভিযোগ, সোমবার একটি চালের বস্তা পাঁজল কেন্দ্র থেকে নিয়ে যাচ্ছিলেন ওই কর্মী। সেই সময় স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে চাইলে কর্মী কোনও সদুত্তর দেননি। তাই বাসিন্দারা চাল চুরি করে অন্যত্র বিক্রির অভিযোগ তুলে তাঁকে আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখান। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুস সুবাহান বলেন, দিদিমনি নিজের ইচ্ছেমতো সেন্টার চালান। আজকে চালের বস্তা নিয়ে অন্যত্র যাচ্ছিলেন বিক্রির উদ্দেশ্যে বলে আমাদের সন্দেহ। আবার মাঝে মধ্যে চাল ডাল না থাকার কথা বলে রান্না করেন না। সোমবারও শিশুদের দেওয়া হয় সাদা ভাত ও কাঁচা ডিম। এক অভিভাবক বিউটি বেগম বলেন, আমরা চাই বাচ্চাদের যাতে পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হয়। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী হোসনারা বেগম বলেন, সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমি সুপারভাইজেরকে জানিয়ে চালের বস্তা খরসোতা কেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছিলাম কারণ সেখনে চাল কম ছিল। এদিকে, এদিন বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ব্লক আধিকারিক কৃতী কুণ্ডু। তিনি এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানান, অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।



