সংবাদদাতা, ইটাহার: বাইক চুরি ঠেকাতে এক যুবককে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে উদ্ধার হল ৮ টি চোরাই বাইক। ধৃতের নাম ইউনিস আলি। তার বাড়ি ইটাহারের বীননগর এলাকায়।
Advertisement
সম্প্রতি ইটাহারের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাইক চুরির অভিযোগ জমা পড়ছিল পুলিসের কাছে। পুলিস সূত্রে খবর, দুষ্কৃতীরা কখনও হেলমেট পরে, আবার কখনও মুখে রুমাল বেঁধে জনবহুল এলাকা থেকে নিমেষেই গায়েব করে দিচ্ছে বাইক। এমনকী রেইকি করে চলছে এই ‘অপারেশন’।
চোখের নিমেষে বাইক নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে চোর। চোরাই বাইক গুলির নম্বর প্লেট খুলে তারা কখনও স্থানীয়দের কাছে সস্তায় বিক্রি করছে। আবার সুযোগ পেলে বেশি দামে চোরাই বাইক পার্শ্ববর্তী বিহার রাজ্যে পাচার করে দিচ্ছে। গত ২৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় ইটাহার বিদ্যুৎ দপ্তরের ভিতর থেকে এক কর্মীর বাইক চুরি হয়। অভিযোগ পেয়ে পুলিস তদন্তে নেমে এলাকার বিভিন্ন দোকান ও বিদ্যুৎ দপ্তরের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে। গত ৮ ডিসেম্বর চূড়ামণ থেকে একটি নম্বরপ্লেট বিহীন বাইক সহ ইউনিসকে আটক করে পুলিস। তাকে ৪ দিনের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিস। সেই জিজ্ঞাসাবাদে ইটাহার, মালদহ জেলার চাঁচল সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে চুরি যাওয়া মোট ৮ টি বাইকের খোঁজ পায়। এরপর ইটাহারের বনকালি জামালপুর এলাকার জঙ্গল থেকে ৪ টি, চূড়ামণ থেকে ১ টি এবং ধৃতের বীননগরের বাড়ি থেকে বাকি ৩ টি চোরাই বাইক বাজেয়াপ্ত করে পুলিস।
ধৃতকে বৃহস্পতিবার ফের রায়গঞ্জ জেলা আদালতে পেশ করলে বিচারক ধৃতের জামিন মঞ্জুর করেন। পুলিস জানায়, আন্তঃরাজ্য বাইক পাচার চক্রের সন্দেহ উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। চক্রের মূল পান্ডাকে ধরতে
তদন্ত জারি রয়েছে। ইতিমধ্যে চাঁচলের পুলিস আরও দু’জনকে এই চক্রের গ্রেপ্তার করেছে। মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সহ বিহারের সীমানা লাগোয়া এলাকায় নাকা চেকিং বাড়ানো হয়েছে বলে দাবি পুলিসের।
চোখের নিমেষে বাইক নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে চোর। চোরাই বাইক গুলির নম্বর প্লেট খুলে তারা কখনও স্থানীয়দের কাছে সস্তায় বিক্রি করছে। আবার সুযোগ পেলে বেশি দামে চোরাই বাইক পার্শ্ববর্তী বিহার রাজ্যে পাচার করে দিচ্ছে। গত ২৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় ইটাহার বিদ্যুৎ দপ্তরের ভিতর থেকে এক কর্মীর বাইক চুরি হয়। অভিযোগ পেয়ে পুলিস তদন্তে নেমে এলাকার বিভিন্ন দোকান ও বিদ্যুৎ দপ্তরের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে। গত ৮ ডিসেম্বর চূড়ামণ থেকে একটি নম্বরপ্লেট বিহীন বাইক সহ ইউনিসকে আটক করে পুলিস। তাকে ৪ দিনের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিস। সেই জিজ্ঞাসাবাদে ইটাহার, মালদহ জেলার চাঁচল সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে চুরি যাওয়া মোট ৮ টি বাইকের খোঁজ পায়। এরপর ইটাহারের বনকালি জামালপুর এলাকার জঙ্গল থেকে ৪ টি, চূড়ামণ থেকে ১ টি এবং ধৃতের বীননগরের বাড়ি থেকে বাকি ৩ টি চোরাই বাইক বাজেয়াপ্ত করে পুলিস।
ধৃতকে বৃহস্পতিবার ফের রায়গঞ্জ জেলা আদালতে পেশ করলে বিচারক ধৃতের জামিন মঞ্জুর করেন। পুলিস জানায়, আন্তঃরাজ্য বাইক পাচার চক্রের সন্দেহ উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। চক্রের মূল পান্ডাকে ধরতে
তদন্ত জারি রয়েছে। ইতিমধ্যে চাঁচলের পুলিস আরও দু’জনকে এই চক্রের গ্রেপ্তার করেছে। মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সহ বিহারের সীমানা লাগোয়া এলাকায় নাকা চেকিং বাড়ানো হয়েছে বলে দাবি পুলিসের।



