সংবাদদাতা বোলপুর: ইটভাটায় মাটি চাপা পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল দুই শিশুর। ঘটনাটি ঘটেছে বোলপুর থানার সিঙ্গি পঞ্চায়েতের বড়ডিহা গ্রামের একটি ইটভাটায়। মৃত দুই শিশুর নাম রকি মুর্মু(৭) ও কাঞ্চন সরেন(৯)। ইটভাটায় অবৈধভাবে গর্ত করার জন্যই ওই দুই শিশুর অকাল মৃত্যু হয়েছে। ভাটায় জেসিবি ব্যবহার করতে গ্রামবাসীরা অনুরোধ করলেও তা ভাটা কর্তৃপক্ষ গ্রাহ্য করেনি। তাই ওই ভাটামালিক ও কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। এর প্রতিবাদে সোমবার রাতেই বোলপুর-নানুর যাওয়ার রাস্তা অবরোধ করে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখান আদিবাসীরা। এমনকী, পুলিসের সঙ্গেও বচসা বেধে যায়। এরপর এসডিপিও রিকি আগরওয়ালের নেতৃত্বে পুলিশবাহিনী এসে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে অবরোধ উঠে যায়।
Advertisement
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকালে ইটভাটার মাটির ঢিবিতে খেলতে যায় রকি, কাঞ্চন সহ এলাকারই বেশকয়েকটি শিশু। আচমকা সেখান থেকে রকি ও কাঞ্চন গড়িয়ে গিয়ে নীচের গর্তে পড়ে যায়। তাদের ওই অবস্থা দেখে বাকি শিশুরা দৌড়ে গিয়ে বাড়িতে খবর দেয়। সঙ্গে সঙ্গে গ্রামবাসীরা ভাটায় চলে আসেন। এরপর রকি ও কাঞ্চনের বাবা-মা ইটভাটা কর্তৃপক্ষকে জেসিবি দিয়ে মাটি খুঁড়ে তাঁদের বাচ্চাদের উদ্ধার করার জন্য বারংবার অনুরোধ করেন। কিন্তু ইটভাটার মালিক ও কর্মীরা তাতে আমল দেয়নি বলে অভিযোগ। এরপর প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে গ্রামবাসীরাই গর্ত থেকে মাটি খুঁড়ে ওই দুই শিশুকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
দীর্ঘক্ষণ মাটি চাপা পড়ে থাকায় দম বন্ধ হয়ে শিশু দু’টির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর পরপরই ভাটা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী। তাঁদের অভিযোগ, কর্মী ও মালিকদের গাফিলতির জন্যই অকালে প্রাণ গেল ওই দুই শিশুর। সেজন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে ওই দুই শিশুর মৃতদেহ বোলপুর-সিঙি রাস্তার উপর রেখে সোমবার সন্ধ্যায় দীর্ঘক্ষণ অবরোধ করে গ্রামবাসীরা। এরপর রাত ১০টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পুলিস গিয়ে এলাকাবাসীদের অবরোধ তোলার জন্য অনুরোধ করে। কিন্তু, সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন অবরোধকারীরা। পরে বোলপুরের এসডিপিও-র নেতৃত্বে বিশাল পুলিস বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।
মঙ্গলবার বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে মৃতদেহ দু’টির ময়নাতদন্ত হয়। মৃত রকির বাবা শিবদাস মুর্মু, মা দুলি মুর্মু ও কাঞ্চনের দিদা সবমণি টুডু বলেন, ইটভাটা কর্তৃপক্ষের অমানবিক আচরণে আমরা অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। চোখের সামনে দু’টি তাজা প্রাণ চলে গেলেও তাদের কোনও হেলদোল ছিল না। অবৈধভাবে বিরাট গর্ত করা হয়েছে। সেখানে পড়েই রকি ও কাঞ্চন মারা গিয়েছে। তাই ক্ষতিপূরণের দাবিতে পথ অবরোধ করেছি।
দীর্ঘক্ষণ মাটি চাপা পড়ে থাকায় দম বন্ধ হয়ে শিশু দু’টির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর পরপরই ভাটা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী। তাঁদের অভিযোগ, কর্মী ও মালিকদের গাফিলতির জন্যই অকালে প্রাণ গেল ওই দুই শিশুর। সেজন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে ওই দুই শিশুর মৃতদেহ বোলপুর-সিঙি রাস্তার উপর রেখে সোমবার সন্ধ্যায় দীর্ঘক্ষণ অবরোধ করে গ্রামবাসীরা। এরপর রাত ১০টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পুলিস গিয়ে এলাকাবাসীদের অবরোধ তোলার জন্য অনুরোধ করে। কিন্তু, সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন অবরোধকারীরা। পরে বোলপুরের এসডিপিও-র নেতৃত্বে বিশাল পুলিস বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।
মঙ্গলবার বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে মৃতদেহ দু’টির ময়নাতদন্ত হয়। মৃত রকির বাবা শিবদাস মুর্মু, মা দুলি মুর্মু ও কাঞ্চনের দিদা সবমণি টুডু বলেন, ইটভাটা কর্তৃপক্ষের অমানবিক আচরণে আমরা অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। চোখের সামনে দু’টি তাজা প্রাণ চলে গেলেও তাদের কোনও হেলদোল ছিল না। অবৈধভাবে বিরাট গর্ত করা হয়েছে। সেখানে পড়েই রকি ও কাঞ্চন মারা গিয়েছে। তাই ক্ষতিপূরণের দাবিতে পথ অবরোধ করেছি।



