সুজয় মণ্ডল, বসিরহাট: আজ থেকে প্রায় ৩৫০ বছর আগেকার কথা। দুই বাংলার একদিকে তখন চলছে খরা আর অন্যদিকে বন্যা। তখন হাসনাবাদের রামেশ্বরপুরের জমিদার গদাধর ঘোষ রাতে স্বপ্নাদেশ পান দুর্গাপুজো করার এবং মহিলাদের হাতে প্রতিমা তৈরির দায়িত্ব দেওয়ার। এরপর ধুমধাম করে রামেশ্বরপুরে ঘোষবাড়ির দালানে দুর্গাপুজো শুরু করেন তিনি। স্বপ্নাদেশ মেনে প্রতিমা তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয় মহিলাদের। এখনো পর্যন্ত নারীশক্তির হাতেই প্রতিমা তৈরির দায়িত্ব অর্পণ করা রয়েছে ঘোষ জমিদার বাড়িতে। অবিভক্ত বাংলায় ঘোষবাড়ির পুজো ক্রমশ জমে ওঠে। দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষ জমিদার বাড়ির এই পুজো দেখতে আসেন। এখনও পুরনো রীতি মেনেই এই পুজো হয়। রথের দিন দুর্গা প্রতিমার কাঠামো বেঁধে পুজোর সূচনা হয়। তখন থেকেই রোজ সন্ধ্যাবাতি দেওয়া থেকে শুরু করে পুজোর নিয়মকানুন মানা শুরু হয়।



