সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: রাতে অন্ধকারে মুড়ে থাকা শিলিগুড়ি ইস্টার্ন বাইপাসে ফের দুর্ঘটনা। রবিবার রাতে দু’টি বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক মহিলা সহ পাঁচজন জন গুরুতর জখম হন। বাইপাসে পর্যাপ্ত পথবাতি না থাকা এবং রাতে ট্রাফিক কর্মীরা না থাকায় এলাকাবাসী ক্ষোভে ফেটে পড়েন। দুর্ঘটনাস্থলে আসা সকলের অভিযোগ, পর্যাপ্ত পথবাতি নেই এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে গাফিলতির জন্যই বাইপাস এখন মরণফাঁদ হয়ে উঠেছে। প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। এর আগে দুর্ঘটনায় প্রাণহানিও ঘটেছে। রাতেই জখমদের শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু, জখম গুরুতর থাকায় তাঁদের উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
Advertisement
রবিবার রাতে ইস্টার্ন বাইপাসে আশিঘর এলাকায় রাস্তার একই লেনে দু’টি বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সেই জায়গায় কোনও পথবাতিও নেই। রাতে সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়। যার রেশ ছিল সোমবার সকালেও। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, একটি বাইকে তিনজন আর একটি বাইকে এক মহিলা সহ দু’জন ছিলেন। হেলমেট ছাড়া বাইক চালাচ্ছিলেন কিছু যুবক। তাদের বাইক থেকে মদের বোতলও পাওয়া গিয়েছে। হেলমেট ছাড়া একটি বাইকে তিনজন ছিলেন।
এদিকে, শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি(ট্রাফিক) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, এই রাস্তার দায়িত্বে যারা রয়েছে তাদেরকে আমরা আগেও পথবাতি বসানোর বিষয়টি জানিয়েছিলাম। রবিবারের দুর্ঘটনার পর ফের যোগাযোগ করা হয়। তারা জানিয়েছে, শীঘ্রই পথবাতি বসানো হবে। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাত দশটার পর ট্রাফিক পুলিস থাকে না। সেই সময় সংশ্লিষ্ট এলাকার থানাগুলিকে এই রাস্তায় টহল বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি(ট্রাফিক) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, এই রাস্তার দায়িত্বে যারা রয়েছে তাদেরকে আমরা আগেও পথবাতি বসানোর বিষয়টি জানিয়েছিলাম। রবিবারের দুর্ঘটনার পর ফের যোগাযোগ করা হয়। তারা জানিয়েছে, শীঘ্রই পথবাতি বসানো হবে। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাত দশটার পর ট্রাফিক পুলিস থাকে না। সেই সময় সংশ্লিষ্ট এলাকার থানাগুলিকে এই রাস্তায় টহল বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



