Bartaman Logo
২৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ইসলামপুরে সরকারি ধান ক্রয় কেন্দ্র বন্ধ, হয়রানির শিকার কৃষকরা

ইসলামপুরে সরকারি ধান ক্রয় কেন্দ্র বন্ধ, হয়রানির শিকার কৃষকরা
  • ২৬ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, ইসলামপুর: ইসলামপুর কৃষক বাজারের সরকারি ধান ক্রয় কেন্দ্র (সিপিসি) বন্ধ। হঠাৎ করে ধান কেনা বন্ধ করে দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। সিপিসিতে ধান নিয়ে এসে তাঁদেরকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হচ্ছে। এতে তাঁরা হয়রানি হচ্ছেন। সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করতে না পেরে অনেকে কম দামেই ফড়েদের কাছে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে চাষিরা ক্ষুব্ধ। শীঘ্রই তাঁরা ধান কেনা চালুর দাবি করেছেন।
Advertisement
কৃষকরা বলেন, ধান বিক্রির জন্য প্রথমে অনলাইনে বুকিং করতে হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তর অনলাইনে নির্দিষ্ট দিন তারিখ ঠিক করে দেয়। সেই তারিখে কৃষকরা সিপিসিতে ধান নিয়ে আসেন। যাদের ধান বিক্রির তারিখ ২৪ জানুয়ারি কিংবা তারও পরে দেওয়া আছে সেই সমস্ত চাষিদের ধান কী হবে? যদিও আধিকারিকরা এবিষয়ে পরিষ্কার করে কিছু বলতে চাননি।
খাদ্য ও খাদ্য সরবরাহ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, আগস্ট-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধান কেনা চলে। তবে ইসলামপুর সিপিসি’র লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়ে যাওয়ায় ২০ জানুয়ারি থেকে ধান কেনা বন্ধ রয়েছে। নতুন করে লক্ষ্যমাত্রা এলে তবেই ফের ধান কেনা চালু হবে। যেসমস্ত চাষি ধান বিক্রির জন্য অনলাইনে তারিখ নিয়েছিলেন তাঁদেরকে ফোন করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ১১টা নাগাদ কৃষক বাজারে ভুটভুটি বোঝাই ধান নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেল মাটিকুণ্ডা লালবাজার এলাকার চাষি শিবুরাম সিনহাকে। তিনি বলেন, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে ধান বিক্রির জন্য অনলাইনে বুকিং করি। শিডিউল তারিখ দেওয়া হয় ২৪ জানুয়ারি, স্লট নং ৪২। সেই অনুসারে শুক্রবার ২০০০ টাকা দিয়ে একটি ভুটভুটি ভাড়া করে ৩০ কুইন্টাল ধান বিক্রি করার জন্য সিপিসিতে নিয়ে এসেছি। এসে দেখতে পাই সিপিসি বন্ধ। বিষয়টি দপ্তর থেকে ফোন করেও জানায়নি। এখন আমার কাছে গাড়ি ভাড়া দেওয়ার টাকাও নেই। তাই বাধ্য হয়েই বাইরে কোথাও কমদামে ধান বিক্রি করতে হবে। একই সমস্যায় পড়েন বাঁশবাড়ির চাষি মহম্মদ সলিমুদ্দিন। এনিয়ে খাদ্য ও খাদ্য সরবরাহ দপ্তরের ইসলামপুর মহকুমা আধিকারিক মুশির আহমেদ বলেন, আপাতত ইসলামপুর সিপিসিতে ধান কেনা বন্ধ আছে। ফের টার্গেট এলে কেনা হবে। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ