সংবাদদাতা, ডোমকল: ইসলামপুরে অবাধে ভৈরবের পাড়ের মাটি চুরি চলছে। জেসিবি নামিয়ে কাটা হচ্ছে নদ পাড়ের মাটি। ট্রাক্টরে করে সেই মাটি পৌঁছে যাচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটায়। চোখের সামনে বেআইনি কারবার চললেও মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না কেউ। প্রতিবাদ করলেই জুটছে হুমকি-শাসানি। মাটি মাফিয়াদের থেকে রেহাই পাচ্ছেন না সরকারি আধিকারিকরাও। দিন কয়েক আগেই অবৈধ মাটি কাটা বন্ধ করতে গিয়ে রোষের মুখে পড়েছিলেন খোদ ব্লক রেভিনিউ অফিসার। তাঁর গলায় ধরা হয়েছিল হাঁসুয়া। যদিও স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, সরকারি কর্তারা মুখে যতই বুলি আওড়ান না কেন, পুলিস-প্রশাসনের প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ মদতেই মাটি মাফিয়াদের বাড়বাড়ন্ত। ইসলামপুরের হুড়শি, লোচনপুর অঞ্চলের ভৈরব পাড়ের এলাকাগুলিতে ঢুঁ মারলেই নদ পাড়ের মাটি কেমন উধাও হয়েছে, তা চোখে পড়বে। পাড় থেকে জেসিবি দিয়ে খুবলে নেওয়া হয়েছে মাটি। প্রতিদিন একাধিক ট্রাক্টর নদের পাড় থেকে মাটি কেটে নিয়ে চলে যাচ্ছে। গ্রামের মেঠো পথে মাটি নিয়ে ছুটছে বালি বোঝাই ট্রাক্টর।
Advertisement
বছরের পর বছর ধরে এই দৃশ্য গা সওয়া হয়ে গিয়েছে নদপাড়ের মানুষদের। বিষয়টি অজানা নয় প্রশাসনেরও। অথচ অভিযোগ, মাটি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করছে না প্রশাসন। দিনের পর দিন তাদের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলেছে। স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলেই আবার হুমকির সুরে শাসানি মিলছে— ‘নদ কারও বাপের নয়! ক্ষমতা থাকলে আটকে দেখা।’
ঘুঘুপাড়ার এক বাসিন্দা বলছেন, ‘মাটি কাটার সময় একবারে বারণ করেছিলাম। উল্টে আমায় বলেছিল, ভালো চাইলে চুপ থাকিস, নইলে সমস্যা আছে ! তাই আমরাও আর কথা বাড়াইনি।’ স্থানীয়দের একাংশের দাবি, মাটি কারবারিদের সঙ্গে ইটভাটার মালিক ও প্রশাসনের যা দহরম মহরম, তাতে ওদের বিরুদ্ধে কে কী ব্যবস্থা নেবে? যদিও ব্লক প্রশাসনের দাবি, মাটি কাটা বন্ধ করতে তাঁদের অভিযান চলছে। ফলে তাঁদেরও মাটি মাফিয়াদের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে। দিন কয়েক আগে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগ পেয়ে হুড়শি এলাকায় হানা দিয়েছিল রানিনগর ১ ব্লকের রেভিনিউ অফিসার মলয় মিত্র ও তাঁর দল। মলয়বাবু বলছিলেন, আমরা সেখানে হানা দিতেই দেখি কয়েকটি ট্রাক্টরে করে মাটি চুরি করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আমরা বাধা দিতেই ওরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে ওদের একজন আমার গলায় হাঁসুয়া ধরে। পরিস্থিতি বুঝে সেখান থেকে দু’টি ট্রাক্টরকে আটক করে নিয়ে আসি আমরা। ভূমিদপ্তরের আধিকারিকদের একাংশের দাবি, তাঁদের ম্যান পাওয়ার অত্যন্ত কম। এত কম লোক নিয়ে অফিস সামলে নিত্যদিন হানা দেওয়া সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তারপরে গেলেও প্রাণ হাতে নিয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে।
রানিনগর ১ ব্লকের বিএলএলআরও রুমা কুণ্ডু বলেন, বেআইনি ভাবে মাটি কাটা রুখতে আমাদের লাগাতার অভিযান চলছে। বেশ কয়েকটি ট্রাক্টর আটক করেছি আমরা। প্রায় ২৫ জনকে নোটিস ধরানো হয়েছে। তবে আমাদের ম্যান পাওয়ার খুব কম হওয়ায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এত অল্প স্টাফ নিয়ে অফিস সামলানো আবার অভিযান চালানো একসঙ্গে দুইদিক করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তারপরেও আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি।
ঘুঘুপাড়ার এক বাসিন্দা বলছেন, ‘মাটি কাটার সময় একবারে বারণ করেছিলাম। উল্টে আমায় বলেছিল, ভালো চাইলে চুপ থাকিস, নইলে সমস্যা আছে ! তাই আমরাও আর কথা বাড়াইনি।’ স্থানীয়দের একাংশের দাবি, মাটি কারবারিদের সঙ্গে ইটভাটার মালিক ও প্রশাসনের যা দহরম মহরম, তাতে ওদের বিরুদ্ধে কে কী ব্যবস্থা নেবে? যদিও ব্লক প্রশাসনের দাবি, মাটি কাটা বন্ধ করতে তাঁদের অভিযান চলছে। ফলে তাঁদেরও মাটি মাফিয়াদের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে। দিন কয়েক আগে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগ পেয়ে হুড়শি এলাকায় হানা দিয়েছিল রানিনগর ১ ব্লকের রেভিনিউ অফিসার মলয় মিত্র ও তাঁর দল। মলয়বাবু বলছিলেন, আমরা সেখানে হানা দিতেই দেখি কয়েকটি ট্রাক্টরে করে মাটি চুরি করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আমরা বাধা দিতেই ওরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে ওদের একজন আমার গলায় হাঁসুয়া ধরে। পরিস্থিতি বুঝে সেখান থেকে দু’টি ট্রাক্টরকে আটক করে নিয়ে আসি আমরা। ভূমিদপ্তরের আধিকারিকদের একাংশের দাবি, তাঁদের ম্যান পাওয়ার অত্যন্ত কম। এত কম লোক নিয়ে অফিস সামলে নিত্যদিন হানা দেওয়া সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তারপরে গেলেও প্রাণ হাতে নিয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে।
রানিনগর ১ ব্লকের বিএলএলআরও রুমা কুণ্ডু বলেন, বেআইনি ভাবে মাটি কাটা রুখতে আমাদের লাগাতার অভিযান চলছে। বেশ কয়েকটি ট্রাক্টর আটক করেছি আমরা। প্রায় ২৫ জনকে নোটিস ধরানো হয়েছে। তবে আমাদের ম্যান পাওয়ার খুব কম হওয়ায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এত অল্প স্টাফ নিয়ে অফিস সামলানো আবার অভিযান চালানো একসঙ্গে দুইদিক করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তারপরেও আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি।



