সংবাদদাতা, ইসলামপুর: মার্চ থেকে ইসলামপুর ব্লকে কৃষকবন্ধু প্রকল্পে মৃত্যুকালীন সহায়তা পাচ্ছেন না উপভোক্তারা। ব্লক কৃষি দপ্তরে প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে চাষিদের সহায়তা দেওয়া বন্ধ আছে বলে জানা গিয়েছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, আধিকারিকদের অনিয়মের ফলে ভুগতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
Advertisement
ইসলামপুর মহকুমা সহ কৃষি অধিকর্তা (প্রশাসন) শ্রীকান্ত সিনহার দাবি, ২০২৩ সালে কৃষকবন্ধু প্রকল্পে মৃত্যুকালীন সহায়তার জন্য যে আবেদন জমা পড়েছিল, তিনি তদন্ত করে দেখেছেন তার মধ্যে ১৭৪টি ভুয়ো। কারও মৃত্যু সার্টিফিকেট দু’টি, কারও ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে জমিই নেই। কয়েকজনের আবার মৃত্যুই হয়নি অথচ মৃত্যুকালীন সহায়তার উপভোক্তার তালিকায় নাম আছে। এক্ষেত্রে শ্রীকান্তের তির একাংশ কর্মী ও আধিকারিকের দিকে।
শ্রীকান্তের কথায়, সাটিফিকেট ও মেমো নম্বর দিয়ে আমার কাছে তাঁরা আবেদন পাঠিয়েছিলেন মৃত্যুকালীন সহায়তা প্রদানের জন্য। এতে আমি আর্থিক দুর্নীতির গন্ধ পাই। ফলে চলতি বছর মার্চ থেকে প্রকল্পের সহায়তা দেওয়া বন্ধ রাখি। এই বিষয়ে তদন্ত করার জন্য আবেদন করার পর জেলা থেকে কমিটি গঠন হয়।
আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের আবেদন নিয়ে তদন্ত চলছে। আমার ট্রান্সফার অর্ডার হয়ে গিয়েছে, তবে চার্জ হ্যান্ডওভার হয়নি। অভিযোগ অস্বীকার করে এডিএ সিজার মজুমদার বলেন, অভিযোগের ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না। আমাদের এখান থেকে রিজেক্টেড ফাইল নিয়ে পাঠিয়েছেন, নাকি অন্য কিছু করেছেন বলতে পারছি না। তাঁর ট্রান্সফার হয়ে গেলেও না যাওয়ার জন্য টালবাহানা করছেন। আমাদের হেনস্তা করার জন্য এমন অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে আধিকারিকদের মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে সহায়তা প্রদান বন্ধ থাকায় দপ্তরে আবেদন করেও কাজ হচ্ছে না। পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য নাদিম খান বলেন, অনিয়ম হয়ে থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু প্রকল্পের সুবিধা প্রদান বন্ধ রাখায় প্রকৃত উপভোক্তারা হয়রান হচ্ছে। এই বিষয়ে প্রশাসন সদর্থক পদক্ষেপ করুক।
শ্রীকান্তের কথায়, সাটিফিকেট ও মেমো নম্বর দিয়ে আমার কাছে তাঁরা আবেদন পাঠিয়েছিলেন মৃত্যুকালীন সহায়তা প্রদানের জন্য। এতে আমি আর্থিক দুর্নীতির গন্ধ পাই। ফলে চলতি বছর মার্চ থেকে প্রকল্পের সহায়তা দেওয়া বন্ধ রাখি। এই বিষয়ে তদন্ত করার জন্য আবেদন করার পর জেলা থেকে কমিটি গঠন হয়।
আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের আবেদন নিয়ে তদন্ত চলছে। আমার ট্রান্সফার অর্ডার হয়ে গিয়েছে, তবে চার্জ হ্যান্ডওভার হয়নি। অভিযোগ অস্বীকার করে এডিএ সিজার মজুমদার বলেন, অভিযোগের ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না। আমাদের এখান থেকে রিজেক্টেড ফাইল নিয়ে পাঠিয়েছেন, নাকি অন্য কিছু করেছেন বলতে পারছি না। তাঁর ট্রান্সফার হয়ে গেলেও না যাওয়ার জন্য টালবাহানা করছেন। আমাদের হেনস্তা করার জন্য এমন অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে আধিকারিকদের মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে সহায়তা প্রদান বন্ধ থাকায় দপ্তরে আবেদন করেও কাজ হচ্ছে না। পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য নাদিম খান বলেন, অনিয়ম হয়ে থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু প্রকল্পের সুবিধা প্রদান বন্ধ রাখায় প্রকৃত উপভোক্তারা হয়রান হচ্ছে। এই বিষয়ে প্রশাসন সদর্থক পদক্ষেপ করুক।



