Bartaman Logo
৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জাতীয় সড়ক নাকি গর্তে ভরা মৃত্যুফাঁদ? ঝুঁকি নিয়েই নিত্য যাতায়াত বারাসতে

জাতীয় সড়ক, নাকি গর্তের পর গর্তে ভরা মৃত্যুফাঁদ? বারাসতের উপর দিয়ে যাওয়া ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের বর্তমান চেহারা দেখে এই প্রশ্নই তুলেছেন নিত্যযাত্রীরা।

জাতীয় সড়ক নাকি গর্তে ভরা মৃত্যুফাঁদ? ঝুঁকি নিয়েই নিত্য যাতায়াত বারাসতে
  • ১৪ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: জাতীয় সড়ক, নাকি গর্তের পর গর্তে ভরা মৃত্যুফাঁদ? বারাসতের উপর দিয়ে যাওয়া ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের বর্তমান চেহারা দেখে এই প্রশ্নই তুলেছেন নিত্যযাত্রীরা। কোথাও পিচের অস্তিত্ব নেই। কোথাও আবার পাঁচ-ছ’ ইঞ্চি নয়, হাঁটুসমান গর্ত। সামান্য বৃষ্টিতেই সেই গর্ত জলে ঢেকে যায়। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগের অন্যতম ব্যস্ত রাস্তার এমন বেহাল দশা দেখে ক্ষোভে ফুঁসছেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের প্রশ্ন, জাতীয় সড়কের এই হাল কি প্রশাসনের চোখে পড়ে না? নাকি দুর্ঘটনার খবর এখন স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে গিয়েছে।

Advertisement

১২ নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বহরমপুর, কৃষ্ণনগর, জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি সহ একাধিক রুটের দূরপাল্লার বাস চলাচল করে। একইসঙ্গে শ’য়ে শ’য়ে পণ্যবাহী ট্রাক, ছোটো-বড়ো বাণিজ্যিক গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স, ব্যক্তিগত গাড়ি অবিরাম যাতায়াত করে এই রাস্তা দিয়ে। এটাই উত্তরবঙ্গ ও কলকাতার মধ্যে যোগাযোগের লাইফলাইন। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তায় বড়ো বড়ো গর্ত হওয়ায় প্রতিদিনই ছোটোখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। দু’চাকার গাড়ির চালকদের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। একটু অসাবধান হলেই গর্তে চাকা পড়ে ভারসাম্য হারানোর আশঙ্কা থাকে। রাতের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। অনেক সময় জল জমে থাকায় গর্তের গভীরতা বোঝা যায় না। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে সমস্যার কথা জানানো হলেও স্থায়ী সমাধানের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। স্থানীয় ব্যবসায়ী সুমন্ত পালের কথায়, জাতীয় সড়কের যদি এই হাল হয়, তাহলে সাধারণ গ্রামের রাস্তার কী দশা, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারেই রয়েছে বারাসতের বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায়ের কার্যালয়। প্রতিদিন 
এই পথ দিয়ে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক আধিকারিক, সরকারি কর্মী এবং হাজার হাজার সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন। 
স্থানীয়দের প্রশ্ন, জাতীয় সড়ক ভেঙে চুরমার হলেও কেন প্রশাসনের টনক নড়ছে না? জোড়াতালি দিয়ে কতদিন দায় এড়ানো হবে? সমস্যা শুধু ১২ নম্বর জাতীয় সড়কেই আটকে নেই। বারাসতের ডাকবাংলো মোড় থেকে চাঁপাডালি মোড় পর্যন্ত যশোর রোডেও একাধিক অংশের ছবি 
একই। বড়ো বড়ো খানাখন্দে প্রতিদিন নাজেহাল হচ্ছেন গাড়িচালক 
ও পথচারীরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ