Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / সম্পাদকীয়

নরেন্দ্র মোদির বিদেশনীতি কি পিংপং বল?

ডলার ৮৮ টাকা পেরিয়ে একশোর দিকে ছুটছে, রপ্তানি বাণিজ্য দিশাহারা, শেয়ার বাজার টালমাটাল। বাজারে আগুন দাম। সরকারি চাকরির পথ বন্ধ! যেটুকু আছে তাও খেয়ে নিচ্ছে সর্বগ্রাসী এআই দৈত্য!

নরেন্দ্র মোদির বিদেশনীতি কি পিংপং বল?
  • ৩১ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

হিমাংশু সিংহ: ডলার ৮৮ টাকা পেরিয়ে একশোর দিকে ছুটছে, রপ্তানি বাণিজ্য দিশাহারা, শেয়ার বাজার টালমাটাল। বাজারে আগুন দাম। সরকারি চাকরির পথ বন্ধ! যেটুকু আছে তাও খেয়ে নিচ্ছে সর্বগ্রাসী এআই দৈত্য! দেশ সামনের দিকে ছুটছে না পিছনে? বিজ্ঞান আবারও আশীর্বাদ না হয়ে অভিশাপ হবে না তো!

Advertisement

ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রেম চটকে যেতেই নতুন বন্ধু খুঁজতে বেরিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। গতকাল পাকিস্তানের চিরবন্ধু জিনপিংয়ের পর আজ ‘সর্বনাশী’ নেহরুর বিদেশ নীতির প্রধান ভরসা রাশিয়ার সর্বময় কর্তা পুতিনের মুখোমুখি। নমস্তে ট্রাম্প কখন বদলে গিয়েছে ধন্যবাদ পুতিনে! এসসিও, ব্রিকস সম্মেলনের হঠাৎ গুরুত্ব বাড়ছে। জি ২০ পিছনে। কিন্তু কমিউনিস্ট জিনপিং সত্যি বন্ধু হবেন নাকি পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছেন? তা অবশ্য ভবিষ্যৎ বলবে। বিদেশ নীতিতে সবাই সুযোগ খোঁজে। অস্ত্র, বাণিজ্য, দখলদারির ধান্দা ছাড়া চিঁড়ে ভেজে না! কিন্তু রপ্তানি মুখ থুবড়ে পড়ায় দেশে যাঁরা কাজ হারাচ্ছেন, আগামী দিনে আরও হারাবেন, সেই গরিবদের কী হবে? মার্কিন শুল্ক ধাক্কায় বেকারত্ব নয়া রেকর্ড করবে। এমনিতেই ৪৫ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে বেরোজগারি। এবার মরার উপর নতুন খাঁড়ার ঘা! টাকা এই গতিতে দুর্বল হতে থাকলে আমদানি নির্ভর শিল্পকেই বা বাঁচাবে কে? রাজায় রাজায় লড়াই হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়। বছরে দু’কোটি চাকরি দূরঅস্ত, নতুন করে ২ কোটি কর্মরতর কাজ যাওয়ার উপক্রম। বিজেপি সরকার যতই ‘তেমন কিচ্ছু হবে না, শেষে আমেরিকাই পস্তাবে’ গোছের হাবভাব দেখাক, ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শুল্ক গুঁতোয় আগামী এক বছরে কয়েক কোটি ভারতবাসী যে রুটিরুজি হারাবে তা বিলক্ষণ বলা যায়। ডাবল ইঞ্জিন গুজরাতের বস্ত্র শিল্পের শ্রমিক যেমন কাজ হারাবে তেমনি বাংলার চর্মনগরী বানতলাও অন্ধকারের দিন গুনছে। থমকে যাচ্ছে প্রধান রপ্তানি সামগ্রী রত্ন ও অলঙ্কার শিল্পও। শুধু বাংলাতেই ৭ লক্ষ অলঙ্কারশিল্পীর কাজ হারানোর আশঙ্কা। ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প প্রমাদ গুনছে। যদি উৎপাদন শিল্প রপ্তানির অভাবে মার খায়, তাহলে সাধের মেক ইন ইন্ডিয়ার গালভরা স্লোগান দিয়ে কোন রাজকার্য সম্পন্ন করবেন প্রধানমন্ত্রী! ভারত থেকে আমেরিকায় ৮৭ বিলিয়ন ডলারের জিনিস রপ্তানি হয়। সর্ববৃহৎ ট্রেড পার্টনার গত এক দশকেরও বেশি সময়। সব ঠিক থাকলে এবছরই তা ১০০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁয়ে ফেলত। কিন্তু আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে সমাধান না হলে ভারত -মার্কিন বাণিজ্য ৪৫ থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলার কিংবা তারও নীচে নেমে আসবে। অন্যথায় আমেরিকার বাজারে ভারতীয় জিনিসের চাহিদা ঠিক রাখতে গেলে দাম অর্ধেকের কম করতে হবে। নিট ফল, মার খাবে অসহায় শ্রমিক-কর্মচারীরা। নেতারা ফুলে ফেঁপে ডুগডুগি বাজাবেন। বাংলায় সামনেই ভোট বলে নিয়ম করে এসে বদলের ডাক দিলেই সেই ঘা শুকোবে?
ইতিমধ্যেই দেশের শিল্প ও বাণিজ্য মহল প্রমাদ গুনতে শুরু করে দিয়েছে। শুল্ককোপে দেশের একাধিক বড় শহরে বস্ত্র উৎপাদন কার্যত বন্ধ হওয়ার উপক্রম। বাড়তি শুল্কের জেরে ভিয়েতনাম, বাংলাদেশের মতো প্রতিযোগীদের তুলনায় অনেকখানি পিছিয়ে পড়ছি আমরা। ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শুল্ক বস্ত্র, চামড়া ও গলদা চিংড়ির মতো ব্যবসাগুলিকে সবচেয়ে বেশি আঘাত করেছে। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন। এই কারণে  অনেকেই কারখানা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন। চাপে পড়তে পারে ভারতের একাধিক সেক্টর। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সেক্টর হল বস্ত্র ও পোশাক শিল্প। জেম অ্যান্ড জুয়েলারি, সি ফুড, কার্পেট ও ফার্নিচার, চামড়া ও জুতো, রাসায়নিক ও চাষাবাদের সঙ্গে যুক্ত সেক্টরও সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। আমেরিকার বাজারে এই সব ভারতীয় পণ্যের দাম বাড়বে। কম দামে অন্যদেশ থেকে পেলে ভারতীয় রপ্তানিকারকের থেকে কে কিনবে? নতুন বাজারের সন্ধানে অন্তত ৪০টি দেশে নিজেদের পণ্য তুলে ধরতে চলেছে বাণিজ্য মন্ত্রক। মরণকালে হরিনাম আর কী! সেই তালিকায় রয়েছে ব্রিটেন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স, ইটালি, স্পেন, নেদারল্যান্ডস। এই দুর্দিনে মেক্সিকো, পোল্যান্ড, রাশিয়ার বাজারকেও সম্ভাবনাময় বলে মনে করছে ভারত। ভাবনাচিন্তা চলছে বেলজিয়াম, কানাডা, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, অস্ট্রেলিয়া নিয়েও। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, এই ৪০টি দেশের তালিকায় রয়েছে তুরস্ক। অপারেশন সিন্দুর চলাকালীন পাকিস্তানকে অস্ত্র দিয়ে সাহায্যের অভিযোগ উঠেছিল তুরস্কের বিরুদ্ধে। সেই তুরস্কের সঙ্গেই এবার ব্যবসা বাড়াতে আগ্রহী ভারত। চাপে পড়ে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরছে জয়শঙ্করের বিদেশনীতি! কিন্তু এই তাগিদটা এতদিন কেন দেখায়নি কেন্দ্রের সরকার? ট্রাম্পের মতো ধুরন্ধর ব্যবসায়ী যে হাত ধরাধরি আর নমস্কারে বশ মানার নন তা প্রধানমন্ত্রী ঘুণাক্ষরে বুঝতে পারেননি? সেই জন্যই আজ এত বড় সর্বনাশ! চীনের উপর ভরসা করলেও না ফল হিতে বিপরীত হয়। চীন জানে এশিয়ায় মৌরসিপাট্টা প্রতিষ্ঠায় ভারতই তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী। তাই ‘হিন্দি চিনি ভাই ভাই’ শুনলেই ১৯৬৫’র দুঃস্বপ্ন তাড়া করে। ড্রাগনের দেশের মিষ্টি কথাকে বিশ্বাস করা যায়?
আজ শনিবারের বারবেলায় এই লেখা যখন লিখছি তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের অবিসংবাদিত লাল পার্টির নেতা, প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের বৈঠকের দিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব। সাত বছর সম্পর্কের অনেক চড়াই উৎরাই, শীতলতা, ডোকলাম ও গলওয়ানের রুক্ষতা পেরিয়ে আবার যে দু’দেশ এত তাড়াতাড়ি আলোচনার টেবিলে বসবে কেউ ভেবেছিল? বিশেষ করে অপারেশন সিন্দুরে যেখানে পাকিস্তানের প্রতিরোধের মুখই ছিল চীনা অস্ত্র ও মদত। যুদ্ধজাহাজ ও ড্রাগনের দেশের ক্ষেপণাস্ত্র। এমনকী পাকিস্তানকে আগামী দিনে আরও শক্তিশালী করতে সুলভে আধুনিক অস্ত্র, বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়ার অঙ্গীকারও করেছে বেজিং। একটা সময় মনে হচ্ছিল পাকিস্তান নয়, বুঝি চীনের সঙ্গেই পাল্লা দিচ্ছে ভারতের বায়ুসেনা। আড়াল থেকে লড়ছে বেজিং। তাহলে কোন বাধ্যবাধকতায় ৭ বছর পর সাংহাই কোঅপারেশনের বৈঠকে যোগ দিয়ে পাকিস্তানের অভিন্ন হৃদয় বন্ধু চীনের সঙ্গে গলাগলি? দু’বছর পরেও সম্পর্কের এই উষ্ণতা থাকবে না অরুণাচল সীমান্তের গোলাগুলির উত্তাপে ঢেকে যাবে? ভারতের বিদেশ নীতি কি পিংপং বল যে একবার নাচি আমেরিকার সঙ্গে, পরেরবার নেত্য করি পুতিন- জিনপিংয়ের কাঁধে ভর দিয়ে! বছরের শুরুতে ট্রাম্প সাহেব যখন দ্বিতীয়বার শপথ নিয়েছিলেন কিংবা মে মাসের প্রথম সপ্তাহে অপারেশন সিন্দুরের পর মোদিজি এত তাড়াতাড়ি বেজিং যাওয়ার কথা স্বপ্নেও ভেবেছিলেন? চীনে যাওয়ার আগে জাপানেও বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। গতবছর রাশিয়ার ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে শেষবার দেখা গিয়েছিল মোদিকে। গত জুলাইতে ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর চীনের প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। সম্প্রতি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশমন্ত্রীর বৈঠকের পরে সরাসরি বিমান পরিষেবা চালু করা সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও দর্শনার্থীদের জন্য ভিসার ব্যাপারেও দু’দেশ সম্মত হয়েছে। এটুকুতেই কি বোঝা গেল বরফ গলছে? তাই রাতারাতি ভোলবদলে চীনের কোলে! 
সরকারের দাবি, মার্কিন শুল্কের আঘাতে যে বিপুল ক্ষতি হবে তা নাকি সামাল দেবে নতুন জিএসটি ব্যবস্থা। খুব ভালো কথা। বর্তমান ১২ শতাংশ স্ল্যাবে থাকা ৯৯ শতাংশ পণ্যই পাঁচ শতাংশ করের স্ল্যাবে স্থানান্তরিত হবে। একইভাবে, ২৮ শতাংশ স্ল্যাবের আওতায় থাকা ৯০ শতাংশ পণ্য ১৮ শতাংশের স্ল্যাবে ঢুকে যাবে। পুরনো কর কাঠামোয় মোট চারটি স্ল্যাব ছিল। ৫, ১২, ১৮ এবং ২৮ শতাংশ। নতুন ব্যবস্থায় ১২ এবং ১৮ শতাংশের স্ল্যাব বাতিল হয়ে যাবে। বেশিরভাগ পরিষেবা পাঁচ এবং ১৮ শতাংশের স্ল্যাবে চলে আসবে। বলা হচ্ছে, তার ফলে দেশের ভিতর কেনাকাটার পরিমাণ ৫.৩১ লক্ষ কোটি টাকা নাকি বাড়বে। দেশের মানুষ অতিরিক্ত কেনাকাটা করলে সেই জোরেই ট্রাম্পের শুল্কবোমার ক্ষতি সামাল দেওয়া যাবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় সরকার। পুজোর বাজারের অবস্থাটা একবার দেখুন, মুখ চুন করে বসে আছে দোকানিরা। তারপরও বলবেন, মার্কিন শুল্ক ধাক্কার বিপর্যয় রুখে দেওয়া যাবে জিএসটির সাম্প্রতিক সংশোধনীর মাধ্যমে। আপাতত তাহলে গাছে কাঁঠাল আর গোঁফে তেল দিয়েই চলুক। নানা কিসিমের স্তোক দিয়েই কেটে যাক পাঁচ রাজ্যের ভোট পর্ব।
আসলে রাজনীতির মতোই বিদেশনীতিতেও স্থায়ী বন্ধু কিংবা শত্রু বলে কিছু হয় না। কোন বাধ্যবাধকতায় কখন কার সঙ্গে সম্পর্ক জুড়ে যায়, আর কার সঙ্গে শীতল দূরত্ব তৈরি হয়, তা ভগবানও বলতে পারেন না। ফিরে যান চলতি বছরেরই শুরুতে। ২০ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্প শপথ নেওয়ার সময় একবাক্যে সবাই বলেছিলেন, নরেন্দ্র মোদির ক্ষমতা নাকি বহুগুণ বেড়ে গেল। বাংলাদেশ, পাকিস্তান সব ঠান্ডা হয়ে যাবে। কারণ, ২০০০ সালে বিল ক্লিনটনের ঐতিহাসিক সফরের পর ভারত মার্কিন সম্পর্কের যে অগ্রগতি তা ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের রূপ পেয়েছে হাউডি মোদি এবং নমস্তে ট্রাম্পেরই দৌলতে! দ্বিতীয়বার শপথ নেওয়ার পর নরেন্দ্র মোদি চতুর্থ রাষ্ট্রপ্রধান যিনি এক মাসেরও কম সময়ে হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করে করমর্দন করেছিলেন। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। তখন দু’পক্ষের তরফেই আশা ছিল ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য পাঁচ বছরে সহজেই ৫০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে। আর আজ ৮ মাস পরে...!
কেউ কিচ্ছু মনে রাখে না, রাখতে চায় না। সময় যাবে। আরও কত দেশে সফরে যাবেন মোদিজি। তারপর নতুন বছরে ভোটে মশগুল হবে তামিলনাড়ু, অসম, কেরল, বাংলা। কত প্রতিশ্রুতির বন্যা ছুটবে। কে মনে রাখবে একদা মোদিজির প্রাণের বন্ধুর সিদ্ধান্তে এ দেশের কয়েক কোটি মানুষের জীবনে অতর্কিতে অন্ধকার নেমে আসার কথা। যেমন আজ কেউ মনে রাখে না নোট বাতিলে কত মানুষ শহিদ হয়েছেন, কত মানুষ ব্যবসা হারিয়েছেন, নয়া কৃষক আইনের গুঁতোয় কত পরিবার পথে বসেছে,জিএসটি কত ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীকে নিঃস্ব করেছে! তাও এই নাটক কেন? নরেন্দ্র মোদি গোলপোস্টটা ক্রমাগত সরিয়ে স্বপ্নের জাল বুনতে জানেন। এতদিন তিনি ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎ অর্থনীতিতে পরিণত করার স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন। যেদিন থেকে ৫০ শতাংশ মার্কিন শুল্ক আঘাত হানতে শুরু করেছে  মোদিজি ও তাঁর ভক্তকুল আর তৃতীয় স্থান নয়, এক লাফে ভারতকে দ্বিতীয় অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত করার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। বলছেন, চীনের ঋণ যেভাবে বেড়ে গিয়েছে তাতে বেজিং শীঘ্রই পিছিয়ে পড়বে। ২০৩৮ সাল নাগাদ ভারতই হবে দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ আর্থিক শক্তি। সামনে শুধু আমেরিকা। নরেন্দ্র মোদির ৭৫তম জন্মদিনের আর ৪০৮ ঘণ্টা বাকি। আর কিছুদিন পর তিনি বলবেন, স্বাধীনতার শতবর্ষে ভারতের অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তি আমেরিকাকেও ছাড়িয়ে যাবে। নীচে দাঁড়িয়ে হাততালি দেবে সর্বহারা জনতা। আর বলবে, এমন বেহালা তো কাউকে বাজাতে শুনিনি! তারপরও মানুষ খুব বিরক্ত হলে সার্জিকাল স্ট্রাইক তো আছেই। মোদি জমানায় শুধু বিদেশনীতি নয়, জনগণও পিংপং বল!

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ