নয়াদিল্লি: এইচ৫এন১ (বার্ড ফ্লু) ভাইরাস অত্যন্ত ছোঁয়াচে। খামারের একটি মুরগি শরীরে তা প্রবেশ করলে দাবানলের মতো মড়ক ছড়িয়ে পড়ে। পাখি থেকে মানুষের শরীরেও সংক্রমণ ঘটাতে পারে এই ভাইরাস। কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে সংক্রমণ? সম্প্রতি একটি গবেষণাপত্রে সেটাই জানিয়েছেন দুই ভারতীয় ফিলিপ চেরিয়ান ও গৌতম আই মেনন। দু’জনেই অশোকা বিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে মানব দেহে সংক্রমণ নিয়ে একটি মডেল বানিয়েছেন দুই বৈজ্ঞানিক। সম্প্রতি বিএমসি পাবলিক হেল্থ জার্নালে তা প্রকাশিত হয়েছে। ফিলিপদের কথায়, ‘প্রথমে পাখি থেকে একজনের শরীরে ভাইরাস প্রবেশ করে। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনার যাবতীয় সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেছি আমরা। মহামারি আটকানোর ক্ষেত্রে এই তথ্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।’ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পোল্ট্রির বাজার দ্রুত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই সেখানকার দেশগুলিতে প্রাথমিক সংক্রমণের আশঙ্কা সবথেকে বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট জানাচ্ছে, ২০০৩ থেকে ২০২৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত ২৫টি দেশে ৯৯০ জনের দেহে থাবা বসিয়েছে বার্ড ফ্লু ভাইরাস। মৃত্যু হয়েছে ৪৭৫ জনের। অর্থাৎ, মৃত্যুহার ৪৮ শতাংশ। এই অবস্থায় ভাইরাস সংক্রান্ত গবেষণাপত্রকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছে বিশেষজ্ঞ মহল।



