Bartaman Logo
৩০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আইআরসিটিসিতে চাকরির নামে প্রায় এক কোটি টাকার প্রতারণা, প্রতারিত একাধিক ছাত্রছাত্রী

রেলের অধীনস্থ সংস্থা ‘আইআরসিটিসি’তে স্থায়ী চাকরি। এই ফাঁদে পা দিয়েছিলেন নিউটাউনের একটি ইনস্টিটিউটের মালিক। তাঁর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বহু ছাত্রছাত্রীর হয়ে তিনি এক ব্যক্তিকে প্রায় এক কোটি টাকা দিয়েও ফেলেছিলেন।

আইআরসিটিসিতে চাকরির নামে প্রায় এক কোটি টাকার প্রতারণা, প্রতারিত একাধিক ছাত্রছাত্রী
  • ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: রেলের অধীনস্থ সংস্থা ‘আইআরসিটিসি’তে স্থায়ী চাকরি। এই ফাঁদে পা দিয়েছিলেন নিউটাউনের একটি ইনস্টিটিউটের মালিক। তাঁর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বহু ছাত্রছাত্রীর হয়ে তিনি এক ব্যক্তিকে প্রায় এক কোটি টাকা দিয়েও ফেলেছিলেন। কিন্তু, না মিলেছে চাকরি, না ফেরত পেয়েছেন কোটি টাকা। এই প্রতারণার ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেফতার করল সল্টলেকের ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানার পুলিশ। শনিবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম বাসুদেব মণ্ডল। তাঁর বাড়ি বেহালার সাহাপুরে। এ নিয়ে এই প্রতারণার ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হল। আরও কেউ যুক্ত রয়েছে কি না, তার খোঁজ চলছে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তামিলনাড়ুর এক ব্যক্তি বর্তমানে নিউটাউনে থাকেন। তিনি নিউটাউনের ঠিকানায় চাকরি প্রার্থীদের জন্য একটি ইনস্টিটিউট খুলেছিলেন। সেখানে অনেক ছাত্রছাত্রী রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের মালিক সল্টলেক সেক্টর ফাইভের একটি অফিসে গেলে তাঁর সঙ্গে এক ব্যক্তির পরিচয় হয়। তিনি নিজেকে প্রভাবশালী বলে দাবি করেন। বলেন, রেলের আইআরসিটিসিতে স্থায়ী পদে চাকরি করিয়ে দিতে পারেন। সেই প্রস্তাবকে সত্যি ভেবে নেন ইনস্টিটিউটের মালিক। তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের এ কথা জানান। বহু ছাত্রছাত্রী চাকরির আশায় প্রতিষ্ঠানের মালিককে লক্ষ লক্ষ টাকা দেন। তিনি ছাত্রছাত্রীদের থেকে মোট ৮৮ লক্ষ টাকা সংগ্রহ করে সেক্টর ফাইভে পরিচয় হওয়া ওই ব্যক্তিকে দেন।
কিন্তু, কোনও ছাত্রছাত্রী আইআরসিটিসিতে চাকরি পাননি। তখন প্রতিষ্ঠানের মালিক ওই ব্যক্তির কাছ থেকে ৮৮ লক্ষ টাকা ফেরত চান। অভিযোগ, ফেরত দেওয়া তো দূরের কথা, ওই প্রতিষ্ঠানের মালিককে তিনি হুমকি দেন। তারপর প্রতিষ্ঠানের মালিক ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানার দ্বারস্থ হন। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ আগেই তিনজনকে গ্রেফতার করে। তাঁদের জেরা করে পুলিশ আরও এক অভিযুক্তের খোঁজ পায়। তারপর বেহালা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, এটি একটি প্রতারণা চক্র। অন্য কোনও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এই ব্যক্তিরা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ