Bartaman Logo
২৫ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ধর্ষণে সাক্ষ্যগ্রহণ শিশুকন্যার, ২০ বছরের কারাদণ্ড অপরাধীর

চার বছরের শিশুকন্যা আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় ২০ বছরের কারাদণ্ড পেল অভিযুক্ত। আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট সরকারি আইনজীবী। বিস্তারিত পড়ুন।

ধর্ষণে সাক্ষ্যগ্রহণ শিশুকন্যার,  ২০ বছরের কারাদণ্ড অপরাধীর
  • ২৫ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ধর্ষণের ঘটনায় চার বছরের শিশুকন্যা কোর্টে আঙুল উঁচিয়ে অভিযুক্তকে শনাক্ত করেছিল। উঁচু টুলে বসে নির্ভয়ে দেওয়া সাক্ষ্যে ২০ বছরের কারাদণ্ড হল অপরাধীর। বুধবার আলিপুরের বিশেষ পকসো আদালতের বিচারক রিম্পা রায় দোষী সাব্যস্ত শেখ ইসরাইল ওরফে সুড্ডুকে এই সাজা শোনান। পাশাপাশি, এক লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও একবছর হাজতবাসের নির্দেশ দেন। জরিমানার টাকা আদায় হলে তা দিতে হবে নির্যাতিতাকে। পাশাপাশি নাবালিকাকে চার লক্ষ টাকা দেওয়ার জন্য লিগ্যাল এইডকে নির্দেশ দেন বিচারক। সরকারি কৌঁসুলি মাধবী ঘোষ বলেন, ‘বিচারকের কাছে শিশুটি যে বক্তব্য পেশ করেছিল, পরবর্তী কালে আদালতে সাক্ষ্য দিতে এসে একই বক্তব্য পেশ করে। আমরা আদালতের কাছে অপরাধীর কঠিন সাজার আরজি জানিয়েছিলাম। বিচারক সমস্ত বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে যে রায় দেন, তাতে আমরা খুশি।’ ২০২২ সালের ২৪ নভেম্বর শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনাটি ঘটে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজ থানা এলাকায়। বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তকে পাকড়াও করে। তার বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা দায়ের করা হয়। ২২ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে পুলিশ অফিসার অজয় দাস ধৃতের বিরুদ্ধে আলিপুরের বিশেষ পকসো আদালতে চার্জশিট পেশ করেন। এই ঘটনায় আদালতের নির্দেশে শিশুকন্যা এবং অভিযুক্তের মেডিকো লিগ্যাল করা হয়। চার্জ গঠন করে শুরু হয় মূল মামলার বিচার। অভিযোগকারীর কৌঁসুলি শেখ হাসিফুল ইসলাম বলেন, ‘এই মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দেন ২৯ জন। অপরাধীর তরফে সাফাই সাক্ষ্য দেন দু’জন। অভিযোগ গুরুতর হওয়ায় জামিনের আবেদন একাধিকবার বাতিল হয়ে যায়। অভিযুক্তকে জেল হেপাজতে রেখেই বিচার চলে।’ দীর্ঘ শুনানির শেষে এদিন দোষী সাব্যস্ত অপরাধীর বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা  হয়। 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ