Bartaman Logo
২ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

হামলা হলে জবাব চারগুণ, ইরানের হুঁশিয়ারি উপসাগরীয় দেশগুলিকে, মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডার কার্যত ফাঁকা, দাবি রিপোর্টে

আমেরিকার সঙ্গে শান্তি আলোচনা অথৈ জলে। এই আবহে প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলিকে কড়া বার্তা ইরানের। তাদের হুঁশিয়ারি, ওয়াশিংটনের পাশে দাঁড়ালে পরিণতি হবে ভয়াবহ।

হামলা হলে জবাব চারগুণ, ইরানের হুঁশিয়ারি উপসাগরীয় দেশগুলিকে, মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডার কার্যত ফাঁকা, দাবি রিপোর্টে
  • ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৪
Prefer us on Google

তেহরান: আমেরিকার সঙ্গে শান্তি আলোচনা অথৈ জলে। এই আবহে প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলিকে কড়া বার্তা ইরানের। তাদের হুঁশিয়ারি, ওয়াশিংটনের পাশে দাঁড়ালে পরিণতি হবে ভয়াবহ। উপরাষ্ট্রপতি ইসমাইল ইসফাহান বলেছেন, বিশেষ করে তেল কূপের মতো পরিকাঠামোয় হামলা হলে তেহরানের প্রতিক্রিয়া হবে চারগুণ। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘যে কোনও আক্রমণের জবাব দেব আমরা। হামলাকারীদের যারাই সমর্থন করবে, তাদের ক্ষতির পরিমাণ হবে চারগুণ। মনে রাখতে হবে আমাদের অঙ্কটা একটু আলাদা। একটি তেল কূপের বদলে চারটি।’ 

Advertisement

সম্প্রতি হরমুজে অবরোধ নিয়ে সাফল্য দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি ছিল, প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলার লোকসান হচ্ছে ইরানের। জবাবে ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার গালিবাফ ইরানের কৌশলগত সুবিধার কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, ইরানের ‘সরবরাহ কার্ড’ যুক্তরাষ্ট্রের ‘চাহিদা কার্ড’-এর সমান। তাঁর দাবি, গ্রীষ্মকালে তেলের চাহিদা তুঙ্গে। এই সময়েও হরমুজ বন্ধ থাকলে আমেরিকায় জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া হবে। 
এদিকে, শান্তি আলোচনার জন্য ফের আমেরিকার সামনে জোড়া শর্ত রাখল ইরান। এর প্রথমেই রয়েছে, মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহারের শর্ত। সেইসঙ্গে যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তির দাবি।  ইরান সাফ জানিয়েছে, পরমাণু ইস্যুতে আলোচনা শুরু হবে এর পরে। অর্থাৎ হরমুজ থেকে অবরোধ তোলার পর। ইরানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, হোয়াইট হাউস প্রস্তাবটি পেয়েছে। তবে তা খতিয়ে দেখতে আমেরিকা রাজি কি না স্পষ্ট নয়। 
এই আবহে সামনে এসেছে আমেরিকার অস্ত্রভাণ্ডার সম্পর্কে বিস্ফোরক তথ্য। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের দাবি, দীর্ঘ সামরিক অভিযানে অস্ত্রভাণ্ডার প্রায় শেষ। স্টেলথ বিমান থেকে শুরু করে অত্যানুধিক নানা অস্ত্র ব্যাপক মাত্রায় ব্যবহার হয়েছে সংঘাতে। ফলে অবশিষ্ট মজুদ উদ্বেগজনক মাত্রায় নেমে এসেছে। বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতার প্রেক্ষিতে আগের মতো  মজুদ কত তাড়াতাড়ি গড়ে তোলা সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ওই রিপোর্ট। পাশাপাশি এইসব অস্ত্রের ব্যবহারে যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে সেই খতিয়ানও তুলে ধরা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ