


তেহরান: আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনেই। পালটা হামলার পথে হেঁটেছে ইরানও। যুদ্ধংদেহি মানসিকতায় ইতিমধ্যেই মধ্য প্রাচ্যের একাধিক দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাত এনেছে তারা। ফলে আরও তলানিতে ঠেকেছে ইরান ও আমেরিকার সম্পর্ক। আগেই মার্কিন মুলুকে প্রবেশের ব্যাপারে ইরানিদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউস। আর বর্তমান পরিস্থিতিতে আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ অনিশ্চিত। দেশের ফুটবল সংস্থার শীর্ষকর্তা মেহদি তাজি জানিয়েছেন, ‘পরিস্থিতি যা তাতে আমাদের আমেরিকায় গিয়ে বিশ্বকাপ খেলার সম্ভবনা খুবই কম। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত স্পোর্টস অথরিটির কর্তারাই নেবেন।’
এশিয়ান বাছাই পর্বে গ্রুপ ‘এ’তে শীর্ষে থেকেই সরাসরি বিশ্বকাপের টিকিট অর্জন করে ইরান। টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বে নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম ও মিশরের বিরুদ্ধে খেলার কথা তাদের। এরমধ্যে প্রথম দু’টি ম্যাচ রয়েছে লস অ্যাঞ্জেলসে। তবে যেভাবে তাদের উপর আমেরিকা আঘাত এনেছে, তাতে বেজায় ক্ষুব্ধ গোটা দেশ। একইসঙ্গে গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন ফিফা কর্তারা। শনিবার কার্ডিফে আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ডের (আইএফএবি) বার্ষিক সভা শেষে ফিফা সাধারণ সচিব মাতিয়াস গ্রাফস্ট্রম জানান, ‘ইরান সম্পর্কে আপনাদের মতো আমিও খবরটি পড়েছি। এখন বিস্তারিত মন্তব্য করার সময় আসেনি। তবে বিশ্বজুড়ে সব পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে ফিফা। আশা করছি, বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জনকারী প্রতিটি দলই সূচি মেনেই অংশগ্রহণ করবে। বাকিটা সময়ের উপর ছেড়ে দিতে চাই।’