তেহেরান ও নয়াদিল্লি: পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় লস্কর যোগ সামনে আসার পরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করেছে ভারত। ছিন্ন করা হয়েছে পড়শি দেশের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক। চলছে ‘বদলা’ নেওয়ার প্রস্তুতিও। ‘মুখরক্ষায়’ পাকিস্তানও বেশ কয়েকটি পাল্টা পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে। দু’দেশের মধ্যে চলতি উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিল ইরান। শুক্রবার এক বিবৃতিতে নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদ উভয় দেশকে তেহেরানের ‘ভ্রাতৃপ্রতিম প্রতিবেশী’ আখ্যা দিয়েছেন েস দেশের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি। এই সঙ্কট মুহূর্তে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বৃহত্তর সমঝোতার লক্ষ্যে ইরান মধ্যস্থতায় প্রস্তুত বলে তিনি জানিয়েছেন।
এদিন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে আরাঘচি লিখেছেন, ‘ভারত ও পাকিস্তান উভয়ই ইরানের ভ্রাতৃপ্রতিম প্রতিবেশী। শতকের পর শতক দু’দেশের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ। এর শেকড় গ্রথিত আছে সাংস্কৃতিক ও সভ্যতার সঙ্গে। অন্য প্রতিবেশীর মতো আমরা তাদের চূড়ান্ত প্রাধান্য দিয়ে থাকি। এই কঠিন সময়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বৃহত্তর সমঝোতা গড়ে তুলতে ইরান প্রস্তুত।’
ভারত বিরোধী জঙ্গিদের মদত দিচ্ছে পাকিস্তান— এই অভিযোগ তুলে দীর্ঘদিন থেকে সবর নয়াদিল্লি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন সময়ে ভারতের তরফে এই সংক্রান্ত নানা প্রমাণও তুলে দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের হাতে। কিন্তু পরিস্থিতি বদল হয়নি। তা আরও একবার প্রমাণিত হল পহেলগাঁওয়ের ঘটনায়। ইরানের মধ্যস্থতা প্রস্তাব সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত নয়াদিল্লির প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।