সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: ঝাড়গ্রামে আপেল কুল ও ভারত সুন্দরী কুল বিক্রি করে আয়ের নতুন দিশা দেখাচ্ছেন চাষি তাপস মাহাত। আদতে পেশায় একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হলেও এই কুলের বাগান তৈরি করে তিনি ষোলো আনা সফল। নিজের পেশা ছেড়ে তিনি ফলের বাগান পরিচর্যায় মন দিয়েছেন। সরস্বতী পুজোর সময় তিনি তিন দিনে সাত কুইন্টাল কুল বিক্রি করে ৪৯ হাজার টাকা আয় করেছেন। তাঁকে দেখে উৎসাহিত হয়েছেন এলাকার অন্যান্য চাষিরা।
Advertisement
ঝাড়গ্রাম শহরের নতুনডিহি এলাকার বাসিন্দা তাপস মাহাত। এর আগে দুর্গাপুরে একটি সংস্থায় তিনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। করোনা পরিস্থিতিতে তাঁর বেশ কয়েকজন সহকর্মী ছাঁটাই হয়। তিনিও পারিবারিক সমস্যার কারণে চাকরি ছেড়ে দেন।
তাঁরই এক সহকর্মী মেদিনীপুরে এই কুলের চাষ করেছেন। তাপসবাবু সেখানে গিয়ে বিষয়টি দেখেন। দমদম এয়ারপোর্টের কাছের একটি নার্সারিতে এই কুলের চারার খোঁজ পেয়ে সেখান থেকে আপেল ও ভারত সুন্দরী এই দুই প্রজাতির চারা দরখুলি গ্রামের দেড় বিঘা জায়গার উপর রোপণ করেন। গত ডিসেম্বর থেকেই তাঁর কুলের বাগানে ফল উঠতে শুরু করেছে। গোপীবল্লভপুর ও বেলপাহাড়ী এলাকায় এর আগে লালকুলের চাষ হলেও ঝাড়গ্রাম জেলাতে এই আপেল কুলের চাষ প্রথম হচ্ছে। ঝাড়গ্রামে আসা পর্যটকরাও তাঁর কুলবাগান দেখতে ব্যাপক ভিড় জমাচ্ছেন। অনেকেই বাগান থেকে পাইকারি দরে কুল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর বাগানের সমস্ত কুল ঝাড়গ্রাম বাজারেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। জঙ্গলের রুক্ষ লালমাটিতেও এই উন্নত প্রজাতির কুলের চাষ সম্ভব তা তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন।
উদ্ভিদবিদ্যার গবেষক অধ্যাপক রাজেন্দ্র প্রসাদ দে বলেন, আমের মতো কুলের অনেক ভ্যারাইটি আছে। এগুলি বল সুন্দরী আপেল কুল। মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এলাকা থেকে এই প্রজাতি এসেছে। এখন ঝাড়গ্রাম এলাকাতেও এই কুলের চাষ হচ্ছে। তাপসবাবু বলেন, আমি দুর্গাপুরে কাজ করার সময়ই জানতে পারি আমার এক বন্ধু মেদিনীপুরে এই কুলের চাষ করছেন। আমি বন্ধুর বাগানে গিয়ে বিষয়টি দেখি। এবছর ডিসেম্বর মাস থেকেই বাগানে কুল ধরেছে। ঝাড়গ্রাম শহরের ফল বিক্রেতারা বাগানে এসে কুল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এখনকার নতুন প্রজন্ম আমার এই ফল চাষে উৎসাহিত হয়ে আয়ের পথ খুঁজে পাক এটাই চাই।
তাঁরই এক সহকর্মী মেদিনীপুরে এই কুলের চাষ করেছেন। তাপসবাবু সেখানে গিয়ে বিষয়টি দেখেন। দমদম এয়ারপোর্টের কাছের একটি নার্সারিতে এই কুলের চারার খোঁজ পেয়ে সেখান থেকে আপেল ও ভারত সুন্দরী এই দুই প্রজাতির চারা দরখুলি গ্রামের দেড় বিঘা জায়গার উপর রোপণ করেন। গত ডিসেম্বর থেকেই তাঁর কুলের বাগানে ফল উঠতে শুরু করেছে। গোপীবল্লভপুর ও বেলপাহাড়ী এলাকায় এর আগে লালকুলের চাষ হলেও ঝাড়গ্রাম জেলাতে এই আপেল কুলের চাষ প্রথম হচ্ছে। ঝাড়গ্রামে আসা পর্যটকরাও তাঁর কুলবাগান দেখতে ব্যাপক ভিড় জমাচ্ছেন। অনেকেই বাগান থেকে পাইকারি দরে কুল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর বাগানের সমস্ত কুল ঝাড়গ্রাম বাজারেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। জঙ্গলের রুক্ষ লালমাটিতেও এই উন্নত প্রজাতির কুলের চাষ সম্ভব তা তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন।
উদ্ভিদবিদ্যার গবেষক অধ্যাপক রাজেন্দ্র প্রসাদ দে বলেন, আমের মতো কুলের অনেক ভ্যারাইটি আছে। এগুলি বল সুন্দরী আপেল কুল। মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এলাকা থেকে এই প্রজাতি এসেছে। এখন ঝাড়গ্রাম এলাকাতেও এই কুলের চাষ হচ্ছে। তাপসবাবু বলেন, আমি দুর্গাপুরে কাজ করার সময়ই জানতে পারি আমার এক বন্ধু মেদিনীপুরে এই কুলের চাষ করছেন। আমি বন্ধুর বাগানে গিয়ে বিষয়টি দেখি। এবছর ডিসেম্বর মাস থেকেই বাগানে কুল ধরেছে। ঝাড়গ্রাম শহরের ফল বিক্রেতারা বাগানে এসে কুল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এখনকার নতুন প্রজন্ম আমার এই ফল চাষে উৎসাহিত হয়ে আয়ের পথ খুঁজে পাক এটাই চাই।



