সংবাদদাতা, দেওয়ানহাট: মেরামতির অভাবে বছরের পর বছর ধরে গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস চত্বরেই পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে অ্যাম্বুলেন্স। ফলে গ্রামের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েছেন কোচবিহার-১ ব্লকের প্রান্তিক গ্রাম পুঁটিমারি-ফুলেশ্বরী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে নষ্ট হয়ে পড়ে থাকা গ্রাম পঞ্চায়েতের অ্যাম্বুলেন্সটি মেরামত করে পরিষেবার কাজে লাগানো হোক। কেননা একমাত্র অ্যাম্বুলেন্সটি নষ্ট হয়ে থাকায় রাতবিরেতে গ্রামে কেউ অসুস্থ হলে তাঁকে কোচবিহার শহরের হাসপাতালে নিতে যেতে কার্যত কালঘাম ছোটে।
Advertisement
পঞ্চায়েত অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত পুঁটিমারি-ফুলেশ্বরী গ্রাম পঞ্চায়েতে ২০০৮ সালে তৎকালীন বিধায়ক অক্ষয় ঠাকুর তাঁর এলাকা উন্নয়ন তহবিল থেকে অ্যাম্বুলেন্সটি প্রদান করেছিলেন। সেই থেকে পুঁটিমারি-ফুলেশ্বরী সহ পাটছড়া, চান্দামারি, ফলিমারি ছাড়াও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার কেউ অসুস্থ হলে এই অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হতো। কিন্তু চার বছর ধরে অ্যাম্বুলেন্সটির যন্ত্রাংশ বিকল হয়ে থাকায় সেটি আর রাস্তায় নামানো হয়নি। গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস চত্বরেই অবহেলায় পড়ে আছে। যেকারণে সমস্যায় পড়েছেন প্রান্তিক এই গ্রামের বাসিন্দারা।
বর্তমানে এই গ্রাম পঞ্চায়েতের লোকসংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার। স্থানীয় বাসিন্দা দুলাল বর্মন, ইউনুস আলি প্রমুখ বলেন, আগে গ্রামে কেউ অসুস্থ হলে গ্রাম পঞ্চায়েতের অ্যাম্বুলেন্সে করে কোচবিহারে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হতো। অ্যাম্বুলেন্সটি গ্রামে থাকত বলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া সহজ হতো। কিন্তু প্রায় চার বছর ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে। ফলে গ্রামের মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এখন কেউ অসুস্থ হলে ফোন করে বাইরে থেকে গ্রামে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে আসতে হয়। তারপর রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। এতে সময় ও টাকা দুইই বেশি খরচ হচ্ছে। অবিলম্বে অ্যাম্বুলেন্সটি মেরামত করে পরিষেবা দেওয়া হোক।
সমস্যার কথা স্বীকার করে পুঁটিমারি-ফুলেশ্বরী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন উপ প্রধান আমিনুর রহমান বলেন, গত পঞ্চায়েত বোর্ডে আমরা প্রায় ৯০ হাজার টাকা খরচ করে অ্যাম্বুলেন্সটি মেরামত করি। কিন্তু এক মাসের মধ্যেই খারাপ হয়ে যায়। গাড়িটির ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কোচবিহারের নতুন এমপি’র কাছে একটি নতুন অ্যাম্বুলেন্সের দাবি জানানো হয়েছে। উনি তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
বর্তমানে এই গ্রাম পঞ্চায়েতের লোকসংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার। স্থানীয় বাসিন্দা দুলাল বর্মন, ইউনুস আলি প্রমুখ বলেন, আগে গ্রামে কেউ অসুস্থ হলে গ্রাম পঞ্চায়েতের অ্যাম্বুলেন্সে করে কোচবিহারে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হতো। অ্যাম্বুলেন্সটি গ্রামে থাকত বলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া সহজ হতো। কিন্তু প্রায় চার বছর ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে। ফলে গ্রামের মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এখন কেউ অসুস্থ হলে ফোন করে বাইরে থেকে গ্রামে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে আসতে হয়। তারপর রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। এতে সময় ও টাকা দুইই বেশি খরচ হচ্ছে। অবিলম্বে অ্যাম্বুলেন্সটি মেরামত করে পরিষেবা দেওয়া হোক।
সমস্যার কথা স্বীকার করে পুঁটিমারি-ফুলেশ্বরী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন উপ প্রধান আমিনুর রহমান বলেন, গত পঞ্চায়েত বোর্ডে আমরা প্রায় ৯০ হাজার টাকা খরচ করে অ্যাম্বুলেন্সটি মেরামত করি। কিন্তু এক মাসের মধ্যেই খারাপ হয়ে যায়। গাড়িটির ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কোচবিহারের নতুন এমপি’র কাছে একটি নতুন অ্যাম্বুলেন্সের দাবি জানানো হয়েছে। উনি তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।



