সংবাদদাতা, পতিরাম: ইঞ্জেকশন পাচার কাণ্ডে নতুন মোড়। তদন্ত করতে গিয়ে পুলিসের হাতে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। এবার হুন্ডির কারবারি দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করল পতিরাম থানার পুলিস।
Advertisement
মঙ্গলবার ওই দুই ভাইকে আটক করেছিল পুলিস। সন্ধ্যা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিস সূত্রে খবর, ধৃতদের নাম রাম প্রসাদ খটিক এবং লাল বাহাদুর খটিক। বাড়ি হিলির পূর্ব রায়নগর এলাকায়। ওই দু’জন ইঞ্জেকশন পাচারের পর দুই দেশের কারবারীদের মধ্যে আর্থিক লেনদেন চালাত। তারা সরাসরি মাদক পাচারের সঙ্গেও যুক্ত ছিল বলে পুলিস সূত্রে খবর। সব মিলিয়ে পতিরামে এই কাণ্ডে গ্রেপ্তারির সংখ্যা দাঁড়াল ১৬ জন। আরও কয়েকজন হুন্ডির কারবারিকে খুঁজছে পুলিস।
এবিষয়ে ডিএসপি (সদর) বিক্রম প্রসাদ বলেন, ইঞ্জেকশন পাচারে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা দুই ভাই বলেই পুলিস জানতে পেরেছে।
পুলিস সূত্রে খবর, ৩১ ডিসেম্বর রাতে পতিরামে ২০ হাজার ৭২৫ টি ইঞ্জেকশনের ওষুধ বাজেয়াপ্ত করে পুলিস। ওই পাচার চক্রের সঙ্গে বহু পাচারকারী জড়িত ছিল। প্রথম দিন পুলিস ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল। পরবর্তীতে আরও পাচারকারীদের ধরা হয়।
হিলির কাঁটাতারের ওপার থেকে মূল পাচারকারী জাহাঙ্গীর মণ্ডল ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। গঙ্গারামপুর থেকে মূল সাপ্লায়ারকেও ধরা হয়। পাচারের কাজে যুক্তদের গ্রেপ্তার করলেও পুলিসের নজর এবার হুন্ডি কারবারিদের দিকে।
পুলিস সূত্রের খবর, হিলি দিয়ে প্রতিদিন চলে পাচারের কাজ। তাই হুন্ডি কারবারীদের জাল এই এলাকাতেই বেশি বিস্তৃত। সূত্রের খবর, পাচারকারীরা এক দেশ থেকে অন্য দেশে মাল পাচার করে। কিন্তু আর্থিক লেনদেন সরাসরি করা সম্ভব হয় না। তাই দুই পারের কারবারীদের মধ্যে আর্থিক লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করে এই হুন্ডি ব্যবসায়ীরা। তাদের খোঁজে পুলিস সুপার ও ডিএসপির (সদর) নেতৃত্বেই পতিরাম এবং হিলি থানা এই অভিযান চালাচ্ছে।
এবিষয়ে ডিএসপি (সদর) বিক্রম প্রসাদ বলেন, ইঞ্জেকশন পাচারে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা দুই ভাই বলেই পুলিস জানতে পেরেছে।
পুলিস সূত্রে খবর, ৩১ ডিসেম্বর রাতে পতিরামে ২০ হাজার ৭২৫ টি ইঞ্জেকশনের ওষুধ বাজেয়াপ্ত করে পুলিস। ওই পাচার চক্রের সঙ্গে বহু পাচারকারী জড়িত ছিল। প্রথম দিন পুলিস ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল। পরবর্তীতে আরও পাচারকারীদের ধরা হয়।
হিলির কাঁটাতারের ওপার থেকে মূল পাচারকারী জাহাঙ্গীর মণ্ডল ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। গঙ্গারামপুর থেকে মূল সাপ্লায়ারকেও ধরা হয়। পাচারের কাজে যুক্তদের গ্রেপ্তার করলেও পুলিসের নজর এবার হুন্ডি কারবারিদের দিকে।
পুলিস সূত্রের খবর, হিলি দিয়ে প্রতিদিন চলে পাচারের কাজ। তাই হুন্ডি কারবারীদের জাল এই এলাকাতেই বেশি বিস্তৃত। সূত্রের খবর, পাচারকারীরা এক দেশ থেকে অন্য দেশে মাল পাচার করে। কিন্তু আর্থিক লেনদেন সরাসরি করা সম্ভব হয় না। তাই দুই পারের কারবারীদের মধ্যে আর্থিক লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করে এই হুন্ডি ব্যবসায়ীরা। তাদের খোঁজে পুলিস সুপার ও ডিএসপির (সদর) নেতৃত্বেই পতিরাম এবং হিলি থানা এই অভিযান চালাচ্ছে।



