সংবাদদাতা, পতিরাম: পতিরামে ইঞ্জেকশন পাচার কাণ্ডে গ্রেপ্তার এবার মূল সাপ্লায়ার। গঙ্গারামপুর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোমবার রাতে পতিরাম থানার পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের নাম বদ্রীদুজা আলি ওরফে বদ্রী। তাকে গঙ্গারামপুরের গোটাহারে বাড়ি থেকেই ধরা হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, ভিনরাজ্য থেকে ইঞ্জেকশন এনে এই জেলার পাচারকারীদের হাতে দিত বদ্রী।
Advertisement
তিনদিন আগে কাঁটাতারের ওপার থেকে জাহাঙ্গীর মণ্ডলকে পুলিস গ্রেপ্তার করেছিল। সেই জাহাঙ্গীরই ওই ২০ হাজার ৭২৫ টি ইঞ্জেকশন এই বদ্রীকে অর্ডার দিয়েছিল। পতিরাম থানা এখনও পর্যন্ত এই মামলায় ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। মূল চক্রীদের মধ্যে কয়েকজনকে পুলিস হেফাজতে নিয়েছে। তাদের এবার সরাসরি জিজ্ঞাসাবাদ করলেন পুলিস সুপার। পুলিস আরও জানিয়েছে, ওই পাচার সামগ্রীর অর্থ আন্তর্জাতিক লেনদেনকারীকে গ্রেপ্তার করেছিল। এদিন এসপি ও ডিএসপির জিজ্ঞাসাবাদের পরই হিলিতে অভিযান চালিয়ে আরও দুই হুন্ডি কারবারিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
বালুরঘাট সদর ডিএসপি বিক্রম প্রসাদ বলেন, মোট ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও দু’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আগেই পাচারে যুক্ত জাহাঙ্গীর মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপর দুলাল মহন্ত সহ মূল সাপ্লায়ারকে ধরা হয়েছে। আজকে আরও দু’জনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিস সূত্রে খবর, মূল সাপ্লায়ার বদ্রী ইঞ্জেকশনগুলি গঙ্গারামপুর থেকে একেবারে গ্রামের পকেট রুট দিয়ে ক্রেনে করে হিলির দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। তার আগেই পুলিসের হাতে পড়ে যায় পাচার সামগ্রী। বদ্রী শুধু ইঞ্জেকশন নয়, অন্যান্য সামগ্রীও ভিনজেলা থেকে আনার কাজ করত বলে পুলিস সূত্রে খবর। মঙ্গলবার বদ্রীকে জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক চারদিনের হেফাজতে পাঠিয়েছেন।
ইঞ্জেকশন পাচার চক্র সামনে আসার পর থেকেই বারবার অন্যদিকে মোড় নিচ্ছে তদন্ত। ফলে এবার ইঞ্জেকশনের পাশাপাশি নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ , ইয়াবা সহ অন্যান্য সামগ্রী পাচারের দিকে নজর পড়েছে পুলিসের। ইঞ্জেকশন পাচারের তদন্তের সঙ্গে এবার হুন্ডি কারবারীরাও পুলিসের রাডারে।
বালুরঘাট সদর ডিএসপি বিক্রম প্রসাদ বলেন, মোট ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও দু’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আগেই পাচারে যুক্ত জাহাঙ্গীর মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপর দুলাল মহন্ত সহ মূল সাপ্লায়ারকে ধরা হয়েছে। আজকে আরও দু’জনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিস সূত্রে খবর, মূল সাপ্লায়ার বদ্রী ইঞ্জেকশনগুলি গঙ্গারামপুর থেকে একেবারে গ্রামের পকেট রুট দিয়ে ক্রেনে করে হিলির দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। তার আগেই পুলিসের হাতে পড়ে যায় পাচার সামগ্রী। বদ্রী শুধু ইঞ্জেকশন নয়, অন্যান্য সামগ্রীও ভিনজেলা থেকে আনার কাজ করত বলে পুলিস সূত্রে খবর। মঙ্গলবার বদ্রীকে জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক চারদিনের হেফাজতে পাঠিয়েছেন।
ইঞ্জেকশন পাচার চক্র সামনে আসার পর থেকেই বারবার অন্যদিকে মোড় নিচ্ছে তদন্ত। ফলে এবার ইঞ্জেকশনের পাশাপাশি নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ , ইয়াবা সহ অন্যান্য সামগ্রী পাচারের দিকে নজর পড়েছে পুলিসের। ইঞ্জেকশন পাচারের তদন্তের সঙ্গে এবার হুন্ডি কারবারীরাও পুলিসের রাডারে।



