নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: শীতের মরশুমে নবাবি মুলুকে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ে। এবারও পুজোর পর থেকেই ঐতিহাসিক স্থানগুলি দেখতে দেশ-বিদেশের পর্যটক সমাগম শুরু হয়েছে। মুর্শিদাবাদের একটি থানা এলাকায় হঠাৎ করে অশান্তির জেরে জেলায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। যার ফলে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে পর্যটন শিল্পে। বিদেশি পর্যটকের দল মুর্শিদাবাদে এসে ইন্টারনেট না থাকায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে না। বাধ্য হয়েই তারা জেলা ছাড়ছে। অনেক পর্যটক হোটেলে এসে অনলাইন পেমেন্ট করতে না পেরে সমস্যায় পড়ছেন। হোটেল মালিকরাও ইন্টারনেট না থাকায় ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। হোটেলে কাস্টমারদের আগে থেকে নগদ টাকার লেনদেনের কথা তাঁরা জানিয়ে দিচ্ছেন। অনেকেই আবার অশান্তির খবর জেনে আগে থেকে ট্যুর ক্যান্সেল করে দিয়েছেন। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হলে তবেই পর্যটন ব্যবসায় ফের হাল ফিরতে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। না হলে শীতের মরশুমে নবাবি মুলুকে পর্যটন ব্যবসা ব্যাপক ধাক্কা খাবে বলে আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের।
Advertisement
সারা বছর পর্যটক সমাগম হলেও শীতের মরশুমে নবাবি মুলুকে কার্যত তিল ধারণের জায়গা থাকে না। সেইমতো এক মাস আগে থেকেই সেজে উঠতে শুরু করেছে সাবেক নবাবি মুলুক। রং করে আলো লাগিয়ে প্রস্তুতি নিয়ে ফেলে মুর্শিদাবাদ জেলার ছোট, বড়, মাঝারি মাপের হোটেলগুলি। শীতকালে দু’-তিনদিন ভ্রমণের জন্য পুজো থেকেই ভালো বুকিং শুরু হয়। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকরা ছুটে আসেন ইতিহাসের সাক্ষী হতে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে মুর্শিদাবাদের হাজারদুয়ারি, কাটরা মসজিদ ও কাঠগোলা বাগানবাড়িতে ক্রমশ পর্যটকের ভিড় শুরু হয়। কিন্তু, দু’সপ্তাহ যেতে না যেতেই পর্যটন ব্যবসায় জোর ধাক্কা খেল।
মুর্শিদাবাদ চেম্বার অব কমার্সের সাধারণ সম্পাদক স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, ইন্টারনেট বন্ধ থাকার ফলে সমস্ত ব্যবসার পাশাপাশি পর্যটন ব্যবসায় খুব ক্ষতি হচ্ছে। বিদেশি পর্যটকরা অনেকেই পরিবারের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করতে পারছেন না। অনলাইনে হোটেল বুকিং বন্ধ রয়েছে। অনেকেই অশান্তির খবর পেয়ে আগেভাগে ট্যুর প্রোগ্রাম বাতিল করেছে। ভরা পর্যটনের মরশুমে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে আমাদের। সারাবছর ধরে এই শীতের তিনটি মাসের জন্য আমরা অপেক্ষা করি। কবে ইন্টারনেট পরিষেবা স্বাভাবিক হবে বুঝতে পারছি না।
কাটরা মসজিদের সামনে এক ঠেলা গাড়ি চালক রহিম মণ্ডল বলেন, সারা বছর বসে থাকি এই দু’টি মাসের জন্য। গত দু’সপ্তাহ ধরে ভালো বায়না পাচ্ছিলাম। হঠাৎ করে দু’দিন থেকে পর্যটকের ভিড় কম। এখানে কোনও সমস্যা নেই। শুধু নেট বন্ধ থাকায় মানুষ এখান থেকে চলে যাচ্ছেন।
হাজারদুয়ারি প্রাসাদের সামনে এক বিদেশি পর্যটক বলেন, কী হয়েছে জানি না। তবে সমস্যা কিছু একটা আছে। তাই এখানে ইন্টারনেট নেই। হোটেলেও ইন্টারনেট পাচ্ছি না। ট্যুর শিডিউল কাটছাঁট করে দ্রুত কলকাতায় ফিরব।
বহরমপুরের লালদিঘির ধারের এক হোটেলের কর্ণধার বলেন, আমাদের এদিকে তো কোনও সমস্যা নেই। সবই স্বাভাবিক। মুশকিল হচ্ছে ইন্টারনেট পরিষেবা না থাকায়। হোটেলে কাস্টমার এলে আগে জেনে নিচ্ছি অনলাইন পেমেন্ট করবে কি না। অনলাইন হলে রুম ভাড়া দিচ্ছি না। নগদ নিয়ে অনেকেই আসছে না। এটিএম থেকে টাকা তুলে তারপর অনেকেই ফের রুম বুকিং করছে।
মুর্শিদাবাদ চেম্বার অব কমার্সের সাধারণ সম্পাদক স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, ইন্টারনেট বন্ধ থাকার ফলে সমস্ত ব্যবসার পাশাপাশি পর্যটন ব্যবসায় খুব ক্ষতি হচ্ছে। বিদেশি পর্যটকরা অনেকেই পরিবারের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করতে পারছেন না। অনলাইনে হোটেল বুকিং বন্ধ রয়েছে। অনেকেই অশান্তির খবর পেয়ে আগেভাগে ট্যুর প্রোগ্রাম বাতিল করেছে। ভরা পর্যটনের মরশুমে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে আমাদের। সারাবছর ধরে এই শীতের তিনটি মাসের জন্য আমরা অপেক্ষা করি। কবে ইন্টারনেট পরিষেবা স্বাভাবিক হবে বুঝতে পারছি না।
কাটরা মসজিদের সামনে এক ঠেলা গাড়ি চালক রহিম মণ্ডল বলেন, সারা বছর বসে থাকি এই দু’টি মাসের জন্য। গত দু’সপ্তাহ ধরে ভালো বায়না পাচ্ছিলাম। হঠাৎ করে দু’দিন থেকে পর্যটকের ভিড় কম। এখানে কোনও সমস্যা নেই। শুধু নেট বন্ধ থাকায় মানুষ এখান থেকে চলে যাচ্ছেন।
হাজারদুয়ারি প্রাসাদের সামনে এক বিদেশি পর্যটক বলেন, কী হয়েছে জানি না। তবে সমস্যা কিছু একটা আছে। তাই এখানে ইন্টারনেট নেই। হোটেলেও ইন্টারনেট পাচ্ছি না। ট্যুর শিডিউল কাটছাঁট করে দ্রুত কলকাতায় ফিরব।
বহরমপুরের লালদিঘির ধারের এক হোটেলের কর্ণধার বলেন, আমাদের এদিকে তো কোনও সমস্যা নেই। সবই স্বাভাবিক। মুশকিল হচ্ছে ইন্টারনেট পরিষেবা না থাকায়। হোটেলে কাস্টমার এলে আগে জেনে নিচ্ছি অনলাইন পেমেন্ট করবে কি না। অনলাইন হলে রুম ভাড়া দিচ্ছি না। নগদ নিয়ে অনেকেই আসছে না। এটিএম থেকে টাকা তুলে তারপর অনেকেই ফের রুম বুকিং করছে।



