Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রাজ্যের নানা প্রান্তে যথাযথ সম্মানে পালিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

প্রতিবছরের রীতিতে ছেদ। পেট্রাপোল সীমান্তে এবছর মাতৃভাষা দিবসের কোনো অনুষ্ঠান হলো না। অনেকে সীমান্তে এসেও মনখারাপ নিয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হলেন।

রাজ্যের নানা প্রান্তে যথাযথ সম্মানে  পালিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
  • ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: প্রতিবছরের রীতিতে ছেদ। পেট্রাপোল সীমান্তে এবছর মাতৃভাষা দিবসের কোনো অনুষ্ঠান হলো না। অনেকে সীমান্তে এসেও মনখারাপ নিয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হলেন। 
প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারি পেট্রাপোল সীমান্তে ভারত-বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠান হয়। তবে বাংলাদেশের অস্থির পরিস্থিতির কারণে গতবছর দু’দেশ আলাদাভাবে অনুষ্ঠান করেছিল। এবছর কোনো কিছুই হল না। এদিন ইছাপুর থেকে পেট্রাপোল সীমান্তে এসেছিলেন সুতপা নাগ। তিনি বলেন, ‘এই দিনে দু’দেশের মানুষের মেলবন্ধন ঘটে। সে জন্যই ছুটে এসেছিলাম। মনখারাপ করে ফিরে যেতে হচ্ছে।’ তবে জিরো পয়েন্ট থেকে এক কিলোমিটার দূরে জয়ন্তীপুরে বনগাঁ ব্লকের ছয়ঘরিয়া পঞ্চায়েত ভাষা দিবসের অনুষ্ঠান করেছে। এছাড়া বনগাঁ পুরসভা বিএসএফ ক্যাম্প মোড়ে ভাষা শহিদ বেদীতে নাচ, গান, আবৃত্তির অনুষ্ঠান করে শ্রদ্ধা জানিয়েছে।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কল্যাণীতে সেন্ট্রাল পার্ক ভাষা উদ্যানে একটি মঞ্চের উদ্বোধন করা হয়। মঞ্চটিতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কবিতা পাঠ, নাটক, সংগীতানুষ্ঠান এবং সাহিত্যকেন্দ্রিক কর্মসূচি হবে বলে জানানো হয়েছে। এদিন উদ্বোধন করেন কল্যাণী পুরসভার চেয়ারম্যান নীলিমেশ রায়চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন আধিকারিক, জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্টরা। পুরপ্রধান বলেন, ‘মঞ্চের নামকরণ হয়েছে ‘ভাষা মঞ্চ’।

Advertisement


এছাড়া বারাকপুরে তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে। গান-বাজনার মধ্য দিয়ে শহিদদের স্মরণ করা হয়েছে সেখানে। বারাকপুর রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পালন করা হয়েছে দিনটি। এদিনটিকে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে তৃণমূল। ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের উপর অত্যাচারের ঘটনা সামনে তুলে ত্রিবেণীতে মিছিল করে তারা। তাতে ছিল ট্যাবলো। অন্যদিকে শ্রীরামপুরে ভাষা শহিদ বাগান, চুঁচুড়ার ভাষা শহিদ স্মারক চত্বরে অনুষ্ঠান হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মাতৃভাষা নিয়ে একাধিক অনুষ্ঠান করেছে। তৃণমূল কর্মচারি ফেডারেশনের পক্ষ থেকে মনোজ চক্রবর্তী বলেন, ১৯৬৫ সালে সিদ্ধান্ত হয়েছিল রাজ্যে সরকারি ক্ষেত্রে বাংলা ভাষাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। তবে বামফ্রন্ট সরকার কোনো উদ্যোগ নেয়নি। তৃণমূল পরিস্থিতির উন্নতি করলেও আরও পদক্ষেপের প্রয়োজন। অন্যদিকে রাজ্যের সমস্ত স্কুলে বাংলা বাধ্যতামূলক করার দাবিতে বাংলা পক্ষ সংগঠন সম্প্রতি শিক্ষাদপ্তরে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ