Bartaman Logo
৩ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

৩ মাসের মধ্যে টিম তৈরি করুন, হবে আন্তঃকলেজ প্রতিযোগিতা

খেলার সরঞ্জামের কোনও অভাব হবে না। তিন মাসের মধ্যে টিম তৈরি করুন। তারপর শুরু হবে আন্তঃকলেজ প্রতিযোগিতা।

৩ মাসের মধ্যে টিম তৈরি করুন,  হবে আন্তঃকলেজ প্রতিযোগিতা
  • ৭ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: খেলার সরঞ্জামের কোনও অভাব হবে না। তিন মাসের মধ্যে টিম তৈরি করুন। তারপর শুরু হবে আন্তঃকলেজ প্রতিযোগিতা। মঙ্গলবার রাজ্যের সবক’টি মেডিক্যাল কলেজের সঙ্গে বৈঠকে এমনই সিদ্ধান্ত হল। কী কী খেলা হবে, পুরুষ ও মহিলা ডাক্তারি পড়ুয়াদের জন্য‌ কী ধরনের খেলার ব্যবস্থা থাকবে, খেলার মাঠগুলির অবস্থা কেমন—সবটা নিয়ে আলোচনা হল সেখানে। সিদ্ধান্ত হয়েছে, পুরুষ পড়ুয়াদের জন্য ফুটবল, ভলিবল, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিস—প্রধানত এই চার ধরনের খেলার ব্যবস্থা থাকবে প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজে। ডাক্তারি ছাত্রীদের জন্য থাকবে ভলিবল, ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস— এই তিন ধরনের খেলার ব্যবস্থা। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই চিকিৎসকদের একটি কনভেনশনে মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যাোপাধ্যায় ডাক্তারি পড়ুয়াদের খেলাধুলোয় আরও জোর দেওয়া উচিত বলে জানান। তা বাস্তবায়িত করতেই মঙ্গলবার প্রথম বৈঠক হয়। 

Advertisement

বৈঠকে খেলার মাঠ নিয়ে নানা কথা হয়। যেমন, কলকাতার পাঁচ মেডিক্যাল কলেজের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে চিত্তাকর্ষক খেলার মাঠ আছে এন আর এস মেডিক্যাল কলেজের। তারপরই আসবে পিজি’র নাম। আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের খেলাধুলোর নিজস্ব কোনও মাঠ নেই। দরকার পড়লে তারা ভেটেরেনারি কলেজের মাঠটি ব্যবহার করে। ন্যাশনাল মেডিক্যালের মাঠ আছে কলেজ ক্যাম্পাসেই। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের নিজস্ব বড় মাঠ নেই। সিদ্ধান্ত হয়েছে, বর্তমানে গিরিবাবুর হস্টেলের কাছে মেডিক্যাল কলেজের লন্ড্রি আছে। সেখান থেকে লন্ড্রি চলে যাবে মেয়ো হাসপাতালে। তখন সে জায়গায় একটি ভলিবল মাঠ হবে। এছাড়াও অধ্যক্ষ অফিসের সামনে ইতিমধ্যেই ব্যাডমিন্টন খেলার একটি অ্যাস্ট্রো টার্ফ করা হয়েছে। তমলুক মেডিক্যাল কলেজেরও নিজস্ব বড় খেলার মাঠ নেই। সেখানে যাতে স্থানীয় স্টেডিয়ামের সঙ্গে কথা বলে ডাক্তারি পড়ুয়াদের খেলাধুলো চলতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। 

সম্পর্কিত সংবাদ