Bartaman Logo
২১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দিনহাটাকে জালনোট পাচারের চ্যানেল বানানোর ছক আইএসআইয়ের, মনে করছেন গোয়েন্দারা

মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও অসমের পর ফের দিনহাটা। এটাকে নয়া ‘ফিডার চ্যানেল’ হিসাবে ব্যবহারের ছক আইএসআইয়ের মদতপুষ্ট জালনোট পাচার সিন্ডিকেটের।

দিনহাটাকে জালনোট পাচারের চ্যানেল বানানোর ছক আইএসআইয়ের, মনে করছেন গোয়েন্দারা
  • ২১ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি ও সংবাদদাতা, দিনহাটা: মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও অসমের পর ফের দিনহাটা। এটাকে নয়া ‘ফিডার চ্যানেল’ হিসাবে ব্যবহারের ছক আইএসআইয়ের মদতপুষ্ট জালনোট পাচার সিন্ডিকেটের। এই চক্রীদের টার্গেট পাকিস্তানে তৈরি ভারতীয় জালনোট বাংলাদেশ থেকে এপারে ঢুকবে দিনহাটার চোরা সীমান্ত দিয়ে। কোচবিহার থেকে পাকিস্তানি চরদের গ্রেপ্তারের পর এমন তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। একই সঙ্গে তাদের ধারণা, ‘চিকেন নেক’ শিলিগুড়িও টার্গেট ওই চরদের। এজন্য তারা বিভিন্ন ধরনের টোপ দিয়ে গোরু পাচারে রাখাল, রাজমিস্ত্রিদের ময়দানে নামিয়েছে। 

Advertisement

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় জালনোট এপারে আসার রুটগুলির মধ্যে কালিয়াচক ও বৈষ্ণবনগর অন্যতম। এর বাইরে ফরাক্কা, জলঙ্গি, সূতি, ধুলিয়ান প্রভৃতি এলাকাও রয়েছে। অসমের কিছু এলাকা দিয়েও জালনোট আসে। এই অবস্থায় পাকিস্তানে তৈরি জালনোট বাংলাদেশ থেকে এপারে নিরাপদে পাঠাতে দিনহাটাকে নয়া চ্যানেল হিসাবে গড়তে চাইছে আইএসআই মদতপুষ্ট সিন্ডিকেট। মিঠু রহমান এসটিএফের হাতে ধরা পড়ার পর এমন তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। 
মিঠুর বাড়ির পরেই বাংলাদেশের লালমনিরহাট। কাজেই, এমন ভৌগোলিক অবস্থানের জেরেই সংশ্লিষ্ট এলাকাকে জালনোট পাচারের ফিডার চ্যানেল গড়ার ছক কষেছে চক্রীরা। কয়েক দিনের মধ্যেই ওরা মিঠুর মাধ্যমে প্রায় সাড়ে ৭ লক্ষ টাকার জালনোটের কনসাইনমেন্ট এপারে পাঠাতো বলেই খবর। পুলিশের এক অফিসার জানান, ভারতীয় অর্থনীতিকে পঙ্গু করতেই এমন পরিকল্পনা করেছেন ওই চক্রীরা। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 
সম্প্রতি কোচবিহার জেলায় তিনজন পাকিস্তানি চর ধরা পড়েছে। ধৃতদের জেরা করে গোয়েন্দারা চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য পেয়েছে। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিতভাবে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। শুধু জালনোট পাচার নয়, চিকেন নেক শিলিগুড়িও টার্গেট পাক চরদের। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, মিঠু গোরু পাচারের ক্যারিয়ার। বাকি ধৃতদের কেউ দিনমজুর, কেউ রাজমিস্ত্রি। সহজে টাকা কামানোর টোপ দিয়ে তাদের মগজ ধোলাই করা হয়েছে। এদের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে শিলিগুড়ির তথ্যও সংগ্রহ করছে বাংলাদেশে ঘাঁটি গেড়ে থাকা চক্রীরা।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ