নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: গত কয়েক বছর ধরেই সোদপুর-খড়দহে থিম ও সাবেকি পুজো মিলিয়ে বেশ কয়েকটি বড় মাপের পুজো হয়। অনেক মানুষ দেখতে আসেন। প্রবল ভিড় হয়। ভিড় সামলানোর জন্য এবছর পুলিসের নির্দেশ, দুঘর্টনার সম্ভাবনা তৈরি হলে দর্শনার্থীদের দ্রুত বেরনোর সুযোগ করে দিতে মণ্ডপের প্রবেশ এবং বাহির পথ বড় করতে হবে। রাখতে হবে উপযুক্ত অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা।
শনিবার পানিহাটির লোকসংস্কৃতি ভবনে সোদপুর-খড়দহের ২৭৪টি পুজো কমিটির সঙ্গে বৈঠক হয় বারাকপুর পুলিস কমিশনারেটের। বৈঠকে ডিসি (সেন্ট্রাল) ইন্দ্রবদন ঝা নিরাপত্তা সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিতে বলেন। তার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য, পুজো মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা বসাতে হবে। প্রতিমার সামনেও রাখতে হবে ক্যামেরা। এর ফলে কেউ অসৎ উদ্দেশে প্রতিমার কাছে গেলে তা ক্যামেরাবন্দি হবে। পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক এবং বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা বাড়াতে হবে। ডিসি বলেন, ‘প্রতিটি পুজোকে নিরাপত্তা দেওয়ার মতো ফোর্স পুলিসের হাতে নেই। বড় পুজোগুলিতে তা থাকবে। হয়ত তা চাহিদা মতো নাও হতে পারে। তাই স্বেচ্ছাসেবক এবং বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।’ একই সঙ্গে তিনি জানান, রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার দিকে নজর দিতে হবে।
সোদপুর-খড়দহে বেশ কয়েকটি বড় মাপের পুজো হয়। তার মধ্যে পানিহাটির শহিদ কলোনির থিম চারধাম, সোদপুরের নবোদয় সঙ্ঘের থিম দর্পণে, আগরপাড়া আদর্শ নগর সর্বজনীনের থিম প্রাণাঙ্কুর, পানশিলা ঠাকুরবাড়ির থিম শ্রীচরণেষু, আগরপাড়া মহাজাতি নগর সেন্ট্রালের থিম জোনাকি। এদিন পুলিসের সঙ্গে বৈঠকে পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষ, পানিহাটি ও খড়দহ পুরসভার কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ছিল দমকল, পূর্ত ও বিদ্যুৎদপ্তর। আসান পোর্টালের মাধ্যমে সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেমের দ্বারা পুজো অনুমতির বিষয়টি এদিন বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।