নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: রেল, সড়ক পরিবহণ, অসামরিক বিমান পরিবহণ, জাহাজ ইত্যাদি সরাসরিভাবে পরিকাঠামো নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত মন্ত্রকগুলির দায়িত্ব অনেকটাই ছেঁটে দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, একটি ইন্টিগ্রেটেড ট্র্যান্সপোর্ট অ্যান্ড লজিস্টিকস অথরিটি তৈরি হবে। কেন্দ্রীয় শিল্প বাণিজ্য মন্ত্রকের অধীনে এই সংস্থা কাজ করবে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরই নজরদারি করবে। রেল প্রকল্প, সেতু নির্মাণ, বন্দর নির্মাণ,হাইওয়ে ইত্যাদি প্রকল্প এবং পরিকল্পনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন করবে এই অথরিটি। এই অথরিটির আওতা ও পরিচালনায় হবে গবেষণা, পরিকল্পনা, পরিচালনা এবং পরিকাঠামো প্রকল্পের প্রভাব কী হতে পারে সেই রিপোর্ট তৈরি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে মঙ্গলবার এই সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেছেন, ১০ বছর পর কোনো একটি পরিকাঠামো নির্মাণ করা কেন জরুরি, সেই আগাম পরিকল্পনাও এই সংস্থাই করবে। রাজ্য ও কেন্দ্র— দুই সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করবে এই অথরিটি। আর পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে বাজেট কত হবে, কোন খাতে কত টাকা বরাদ্দ হবে, কর্মসংস্থান কেমন হবে সবই দেখার দায়িত্ব নেবে এই অথরিটি। সোজা কথায় একসঙ্গে একঝাঁক মন্ত্রকের অনেক দায়িত্বই এই অথরিটির কাছে চলে আসবে। ৫০০ কোটি টাকার বেশি কোনও পরিকাঠামো প্রকল্প হলে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারকে পরামর্শ ও পরিকল্পনা দেবে এই সংস্থা। প্রশিক্ষণ থেকে স্কিল তৈরির কোর্স চালু করা ইত্যাদি সব বিষয়েই থাকবে এই সংস্থারই অধিকার। সুতরাং প্রশ্ন উঠছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকগুলির গুরুত্ব কমিয়ে আসলে এরকম স্বশাসিত সংস্থার হাতে কেন তুলে দেওয়া হচ্ছে প্রশাসনিক অধিকার?



