Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নলহাটিতে জলের সঙ্কট মেটাতে উদ্যোগ

নলহাটিতে জলের সঙ্কট মেটাতে উদ্যোগ
  • ৩০ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: প্রখর গ্রীষ্মে ভূগর্ভস্থ জলস্তর দ্রুত নামতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে নলহাটির বিভিন্ন জায়গায় পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। সাধারণ মানুষের যাতে পানীয় জল পেতে সমস্যা না হয় সেজন্য ছোট ছোট প্রকল্পের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হয়েছে নলহাটি-১ পঞ্চায়েত সমিতি।

Advertisement

ফিবছর গ্রীষ্মের এই সময় নলহাটির বিভিন্ন গ্রামে পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দেয়। টিউবওয়েল থাকলেও ভূগর্ভস্থ জলস্তর নেমে যাওয়ায় সেগুলি অকেজ হয়ে পড়ে। তখন অন্যের বাড়ি থেকে অথবা গ্রামের শেষ প্রান্তে সেচের কাছে ব্যবহৃত সাবমার্সিবলের জল এনে পান করতে হয় বাসিন্দাদের। তাই সমস্যার সমাধানে এবছর আগাম প্রস্তুতি নিয়েছিল নলহাটি-১ পঞ্চায়েত সমিতি। কোন কোন গ্রামে গ্রীষ্মের এই সময় জলকষ্ট দেখা দেয় তার তালিকা তৈরি করে সমাধানে উদ্যোগী হয়েছিল। সেই মতো কয়েকমাস আগে এই সমিতির অধীনে দস্তুরপুর গ্রামের বাগদি পাড়া, কুরুমগ্রাম পঞ্চায়েতের মেহেগ্রাম ও কয়থা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের দুর্গাডাঙাল গ্রামের পানীয় জল প্রকল্পের কাজ শুরু করে। ঠিক হয়, গভীর গর্ত করে সাবমার্সিবল পাম্প বসানো হবে। সেখানেই ঩লোহার কাঠামো তৈরি করে উপরে প্লাস্টিকের ওয়ার্টার রিজার্ভার বসানো হবে। নীচের অংশ সিমেন্ট দিয়ে বাঁধিয়ে পাঁচটি নলকূপ লাগিয়ে দেওয়া হবে। যাতে বাসিন্দারা সেখান থেকে পানীয় জল সংগ্রহ করতে পারেন। শুধু তাই নয়, সাবমার্সিবল পাম্পটি চালানোর দায়িত্বও গ্রামবাসীদের দেওয়া হয়। যাতে তাঁরা সুবিধা মতো রিজার্ভারে জল মজুত করতে পারেন। তিনটি প্রকল্পের কাজই শেষ হয়েছে। শনিবার দস্তরপুর গ্রামের সেই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আশাদুজ্জামান। আজ, সোমবার বাকি দু’টি প্রকল্পেরও উদ্বোধন করবেন তিনি।
পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বলেন, ওই এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি মেনেই কম বাজেটের পানীয় জল প্রকল্প করা হয়েছে। প্রতিটি প্রকল্প পিছু প্রায় ১০০ করে পরিবার উপকৃত হবে। পানীয় জল যাতে অপচয় না হয় সেব্যাপারে গ্রামবাসীদের সচেতনতাও বৃদ্ধিও করা হয়েছে। পঞ্চায়েত সমিতির এই পদক্ষেপে স্বস্তি পেয়েছে জলসঙ্কটে ভোগা এলাকার বাসিন্দারা। তাঁরা বলেন, গ্রীষ্মকালে আমাদের পানীয় জলের সমস্যার মুখে পড়তে হয়। প্রশাসন যেভাবে এগিয়ে এসে এই সমাধান করল তাতে এক কলসি পানীয় জলের জন্য দূরবর্তী এলাকায় যেতে হবে না। আশাদুজ্জামান সাহেব বলেন, আগামী দিনেও এরকম ছোট ছোট প্রকল্পের মাধ্যমে আরও কয়েকটি এলাকার জলসঙ্কট দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ