নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই মূল লক্ষ্য। এই মাস্টার প্ল্যানের মাধ্যমে উপকৃত হবেন জেলার লক্ষাধিক মানুষ। সেই লক্ষ্যেই চন্দ্রেশ্বর খালকে সম্প্রসারিত করে শিলাবতী নদীর সঙ্গে সংযুক্তিকরণের কাজ করা হবে। তবে সেই সংযুক্তিকরণের যৌক্তিকতা কি? এই কাজের মাধ্যমে কীভাবে সুফল পাবেন সাধারণ মানুষ। সাধারণ মানুষের একগুচ্ছ প্রশ্নের উত্তর দিতে বিশেষ অ্যানিমিশন ভিডিওর সাহায্য নিচ্ছে জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে একাধিক বৈঠকও করেছেন। প্রশাসনের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই প্রথম মাস্টার প্ল্যানের কাজ হচ্ছে। সাধারণ মানুষের নানা কৌতূহল ও প্রশ্নের উত্তর দিতেই বাড়ি বাড়ি ভিডিও বার্তা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়াও প্রশ্ন ও উত্তর লেখা লিফলেটও তুলে ধরা হবে।রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প রূপায়ণের জন্য একগুচ্ছ পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের জন্য টাকাও বরাদ্দ হয়েছে।প্রশাসন সূত্রে ও ভিডিও বার্তায় জানা গিয়েছে, চন্দ্রেশ্বর খালকে দাসপুর-১ ব্লকের বৈকুণ্ঠপুর থেকে গুড়লি পর্যন্ত ৫.৮ কিলোমিটার সম্প্রসারিত করা হবে। এছাড়া গুড়লি এলাকায় তৈরি হবে বিশালাকার স্লুইস গেট। ভিডিওতে অ্যানিমেশনের মাধ্যমে দু’জনের কথোপকথন তুলে ধরা হয়েছে। কথোপকথন থেকে জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের রূপায়ণের জন্য ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারিভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি চন্দ্রেশ্বর খালে জল ঢোকার ক্ষেত্রে করা হবে নিয়ন্ত্রণ। একইসঙ্গে খালের দুই পাড়েই তৈরি হবে স্লুইস গেট। এছাড়া এই বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের সুবিধার জন্য ৯টি সেতু ও বাঁধের উপর রাস্তা নির্মাণের কথা সহ একাধিক বিষয় ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি জানান বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে এই প্রকল্পের নানা সুবিধার দিক তুলে ধরা হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকাতেও বৈঠক হবে।



