Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কালনার মছলন্দপুরে চাঁদবিলের তিন জলাশয়ে মাছচাষ ও ট্যুরিজম পার্ক তৈরি করার উদ্যোগ

কালনার মছলন্দপুরে চাঁদবিলের তিন জলাশয়ে মাছচাষ ও ট্যুরিজম পার্ক তৈরি করার উদ্যোগ
  • ৭ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কালনা: কালনা-১ ব্লকের আটঘড়িয়া-সিমলন পঞ্চায়েতের মছলন্দপুরে চাঁদবিলের তিনটি জলাধারে চুনো ও বড় মাছ চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রবিবার রাজ্যের প্রাণি ও মৎস্যবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপক চাঁদবিল পরিদর্শন করেন। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, অধ্যাপক গোলাম জিয়াউদ্দিন, প্রসেনজিৎ মালিক সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা।কালনার মছলন্দপুরে প্রায় চল্লিক বিঘে জায়গাজুড়ে রয়েছে অসংখ্য গাছপালা ও তিনটি বড় জলাশয়। এলাকার বিধায়ক তথা মন্ত্রী এই অঞ্চলজুড়ে ইকো ট্যুরিজম পার্ক গড়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। পাশাপাশি তিনটি জলাশয় ঘিরে চুনো মাছ ও বড় মাছ চাষেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও এই চাঁদবিল চত্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের হাতে-কলমে শিক্ষার জন্য একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হবে। সেই ব্যাপারে স্বপনবাবু  রাজ্যের মৎস্যমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। এদিন পুকুরের জল ও মাটি পরীক্ষা সহ নানা বিষয় নিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী। স্বপনবাবু বলেন, বাঙালি মাছে-ভাতে। অন্য সম্প্রদায়ের মানুষও মাছকে ভালোবেসে ফেলেছেন। রাজ্যজুড়ে মাছের ব্যাপক চাহিদা। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে মৎস্য চাষে রাসায়নিক ব্যবহারে মাছের স্বাদের পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও হারিয়ে যাওয়ার পথে খলসে, চাঁদা, খয়রা, তপসে, মৌড়লা, পুটি প্রভৃতি চুনো মাছ। চাঁদবিলের তিনটি জলাধারে সম্পূর্ণ জৈব পদ্ধতিতে চুনোমাছ ও বড় মাছের চাষ হবে। মৎস্য বিজ্ঞান বিশ্বদ্যিালয়ের আধিকারিকরা সেই দিকগুলি খতিয়ে দেখেছেন। এই পার্ক ও জলাধার থেকে পঞ্চায়েতও আয়ের পথ পাবে। এলাকার বাসিন্দা পেশায় শিক্ষক মহবুল্লা শেখ বলেন, চাঁদ বিলে ইকো ট্যুরিজম পার্ক ও মৎস্য চাষ কেন্দ্র গড়ে উঠলে গোটা এলাকা উপকৃত হবে। হবে কর্মসংস্থান। মন্ত্রীর উদ্যোগে স্থানীয় মানুষ পাশে আছেন।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ