Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

একুশের সমাবেশে কেশপুর থেকে বিপুল কর্মী নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ

২১ জুলাই শহিদ সমাবেশে যোগ দেওয়ার জন্য মেদিনীপুর জেলার ব্লকে ব্লকে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। পিছিয়ে নেই কেশপুরও।

একুশের সমাবেশে কেশপুর থেকে বিপুল কর্মী নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ
  • ৪ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কেশপুর: ২১ জুলাই শহিদ সমাবেশে যোগ দেওয়ার জন্য মেদিনীপুর জেলার ব্লকে ব্লকে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। পিছিয়ে নেই কেশপুরও। এবছর কেশপুর ব্লক থেকে ১০ হাজার কর্মী সমর্থক শহিদ সমাবেশে যোগ দেবে দলীয় নেতৃত্বের দাবি। তারজন্য কেশপুর ব্লক তৃণমূলের পক্ষ থেকে ৯২টি বাস বুকিং করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ৩০টি ছোট গাড়িতে কর্মী-সমর্থকরা কলকাতায় যাবেন। এনিয়ে বৃহস্পতিবার কেশপুর ব্লক তৃণমূলের উদ্যোগে বিশেষ বৈঠক হয়।

Advertisement

কেশপুর ব্লক তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০ জুলাই রাতেই কলকাতার উদ্দেশে কর্মী-সমর্থকরা রওনা দেবেন। এনায়েতপুর, জোড়াকেঁউদি-শোলিডিহা সহ চারটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বহু পরিবার ট্রেনে রওনা দেবে। কেশপুর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি প্রদ্যুৎ পাঁজা বলেন, ২১ জুলাই নিয়ে দলের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে আবেগ রয়েছে। এবছর রেকর্ড সংখ্যক মানুষ যাবে। নতুন লড়াইয়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। কর্মী সমর্থকদের যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেই দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। কেশপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি চিত্তরঞ্জন গড়াই বলেন, মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনেত্রীর ভাষণ শোনার জন্য আমরা মুখিয়ে রয়েছি। 

প্রসঙ্গত, এক সময় কেশপুর এলাকায় রাজনৈতিক হানাহানি নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বাম আমলে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। সেই সময় গ্রামের পর গ্রামের মানুষ ঘর ছাড়া থাকতেন। সেই সব বাড়িতে লুটপাট চলত। কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার ছুটে গিয়েছেন কেশপুরে। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। তবে আজও কেশপুরের মানুষ পুরনো স্মৃতি ভুলতে পারেনি।

স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মী বলেন, সিপিএমের উপর ক্ষোভ রয়েছে। তাই বহু মানুষ ২১ জুলাই শহিদ সমাবেশে উপস্থিত হয়। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে ৬০০ থেকে ৭০০ কর্মী সমর্থক শহিদ সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন। তাঁদের জন্য দলের তরফে খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ রফিক বলেন, ওই দিনটা ভোলার নয়। হঠাৎ পুলিস লাঠিচার্জ শুরু করে। জুতো ছিঁড়ে গেলেও কোনও মতে লুকিয়ে থাকতে হয়েছে। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলাম। সিপিএমের অত্যাচার ভোলার নয়।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ