Bartaman Logo
১২ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

রামপুরহাট মেডিকেলে আরও হাজার বেড, কার্ডিওলজি ও নিউরো বিভাগ চালুর উদ্যোগ

রামপুরহাট মেডিকেল কলেজে ১০০০ বেড বাড়ানো হচ্ছে ও নতুন কার্ডিওলজি, নিউরোলজি বিভাগ চালু হবে। এলাকার মানুষের চিকিৎসা সুবিধা বাড়বে। বিস্তারিত পড়ুন।

রামপুরহাট মেডিকেলে আরও হাজার বেড, কার্ডিওলজি ও নিউরো বিভাগ চালুর উদ্যোগ
  • ১২ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: বীরভূম তথা সংলগ্ন এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য সুখবর। চিকিৎসা পরিষেবার মান আরও উন্নত করতে রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নয়নের সিদ্ধান্ত। মেডিকেলে আরও এক হাজার বেড বাড়ানো হচ্ছে। তারজন্য তৈরি করা হবে তিনটি নতুন বিল্ডিং। শুক্রবার মেডিকেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এক ম্যারাথন বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা।

Advertisement

দীর্ঘদিন ধরেই এই এলাকার মানুষের দাবি ছিল, জটিল ও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের কলকাতার বড় হাসপাতালে ছোটা বন্ধ করার। এই নিয়ে এর আগেও মেডিকেলে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন বিধায়ক। এদিন সেই বিষয় নিয়ে ম্যারাথন বৈঠক শেষে বিধায়ক জানান, খুব শীঘ্রই রামপুরহাট মেডিকেল কলেজে কার্ডিওলজি (হৃদরোগ) এবং নিউরোলজির (স্নায়ুরোগ) মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ চালু করা হবে। এর ফলে হৃদরোগ বা স্নায়ুরোগে আক্রান্ত রোগীরা ঘরের কাছেই জরুরি ও উন্নতমানের চিকিৎসা পাবেন। সেই সঙ্গে দ্রুত এমআরআই পরিষেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই লক্ষ্যে আগামী ২২ জুলাই মেডিকেলে প্রিন্সিপ্যালের সঙ্গে আমি স্বাস্থ্যভবনে গিয়ে স্বাস্থ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠক করব। এদিন নতুন তিনটি বিল্ডিং গড়ার প্রস্তাবিত জায়গায়ও ঘুরে দেখেন বিধায়ক। তিনি বলেন, এলাকার মানুষকে যাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য আর দূরে যেতে না হয়, তার জন্যই এই উদ্যোগ। পরিকাঠামো বাড়ানোর পাশাপাশি আধুনিক চিকিৎসা চালু করাই আমাদের সরকারের লক্ষ্য।
এদিন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসার আগে বিধায়ক হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন। বিশেষ করে শিশুদের পুষ্টি পুনর্বাসন কেন্দ্র এবং ডিস্ট্রিক্ট আর্লি ইন্টারভেনশন সেন্টার পরিদর্শন করে সেখানকার পরিকাঠামো ও পরিষেবা খতিয়ে দেখেন তিনি।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, নতুন তিনটি বিল্ডিং তৈরি এবং ১০০০ বেড বৃদ্ধির প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আগামী দিনে জেলার অন্যতম প্রধান চিকিৎসা কেন্দ্রে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ