বিজয়ওয়াড়া ও নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অন্ধ্রপ্রদেশের কাডাপা জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। আরটি-পিসিআর পরীক্ষায় রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে আরও চারজনের। অন্ধ্রপ্রদেশে এর আগে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সর্বশেষ ঘটনা ঘটেছিল চার বছর আগে, ২০২২ সালে। নতুন করে সংক্রমণের ঘটনা সামনে আসায় গোটা অঞ্চলে নজরদারি বাড়িয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও সরকারি সূত্রে খবর। মৃতদের মধ্যে একজন ভেলোর সিএমসি-তে ভরতি ছিলেন। ৬০ বছরের ওই রোগীর ডায়াবেটিস, কিডনির সমস্যা সহ বিভিন্ন কোমর্বিডিটি ছিল। গত ২৮ জুন তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত দ্বিতীয় রোগীর বয়স ৪৩ বছর। তবে তাঁর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। দুই মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে সংগৃহীত নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পুনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজিতে (এনআইভি) পাঠানো হয়েছে। তবে নতুন করে সংক্রমণ ছড়ানোর নেপথ্যে করোনা ভাইরাসের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।
দু’জনের মৃত্যুর পাশাপাশি আরও চারজনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তাঁরা কাডাপা জেলার বিভিন্ন অংশের বাসিন্দা। এই চারজনের মধ্যে তিনজন হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। চতুর্থ রোগী কাডাপার একটি স্থানীয় হাসপাতালের কোভিড-১৯ স্পেশাল ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। তাঁর মৃদু উপসর্গ রয়েছে। রিপোর্ট পজিটিভ আসা চারজনেরই আরটি-পিসিআর পরীক্ষা হয়েছিল কাডাপা ভাইরোলজি ল্যাবরেটরিতে। আক্রান্ত চারজনেরই কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ নেওয়া ছিল। একজন আবার টিকার বুস্টার ডোজও নিয়েছিলেন।
এই খবর সামনে আসার পর পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য দপ্তর প্রত্যেক জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সতর্ক করে দিয়েছে। ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো উপসর্গ বা ইনফ্লুয়েঞ্জা লাইক ইলনেস দেখা দিলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে। দপ্তরের এক শীর্ষ কর্তা বলেন, রাজ্যে সারা বছর ধরে কোভিড নিয়ে নজরদারি চালানো হয়। বর্তমানে পজিটিভিটি রেট ১.৫ থেকে ২ শতাংশ। প্রয়োজনীয় যে কোনো নির্দেশ বা ব্যবস্থার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গেও সমন্বয় বজায় রাখা হচ্ছে। তিনি বলেছেন, এক্ষেত্রে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণই নেই।