Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / সম্পাদকীয়

অনুপ্রবেশ ‘হাতিয়ার’, ভোট এলেই ধারালো

নীতীশবাবুর ছেলে খবরের কাগজ পড়ে। এবং কিছু মনে ধরলে স্মৃতিতেও ধরে রাখার চেষ্টা করে। বয়স ১৪। পড়ে ক্লাস এইটে। রবিবার সকালে কাগজে চোখ বোলাতে বোলাতে সে প্রশ্ন করল, ‘আচ্ছা বাবা, অনুপ্রবেশ ঠিক কী?’ ভ্রূ কুঁচকে তাকালেন নীতীশবাবু... ‘হঠাৎ এই প্রশ্ন কেন?’

অনুপ্রবেশ ‘হাতিয়ার’, ভোট এলেই ধারালো
  • ২১ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

শান্তনু দত্তগুপ্ত: নীতীশবাবুর ছেলে খবরের কাগজ পড়ে। এবং কিছু মনে ধরলে স্মৃতিতেও ধরে রাখার চেষ্টা করে। বয়স ১৪। পড়ে ক্লাস এইটে। রবিবার সকালে কাগজে চোখ বোলাতে বোলাতে সে প্রশ্ন করল, ‘আচ্ছা বাবা, অনুপ্রবেশ ঠিক কী?’ ভ্রূ কুঁচকে তাকালেন নীতীশবাবু... ‘হঠাৎ এই প্রশ্ন কেন?’

Advertisement

—এই যে কাগজে দেখছি। আগের বছরও দেখেছি। মাঝখানে কয়েকদিন কাগজে দেখছিলাম না। এখন আবার ফিরে এসেছে। 
—না তো! মাঝেমধ্যেই লেখা হয়।
মাথা নাড়ল ছেলে... ‘উঁহু, আগের বছর ভোটের সময় বেশি বেশি দেখেছি। এখন আবার দেখছি। সামনে ভোট আসছে না?’
এই প্রজন্ম এখন অনেক বেশি অ্যাডভান্সড। কোনও সন্দেহ নেই, ক্লাস এইটের পড়ার অর্থ, সে সংবিধানের প্রাথমিক পাঠ নেয়, ভোট জানে, স্থানীয় প্রশাসন, বিধানসভা, লোকসভা... সবই অল্পবিস্তর পড়ে ফেলেছে। কিন্তু এখনও মাথায় যা ঢোকেনি, তা হল ভোটের ইশ্যু। ‘অনুপ্রবেশ’ ওই তালিকায় এক নম্বরেরও উপরে থাকে এবং যতদিন ভোটব্যাংক রাজনীতি বেঁচে আছে, ততদিনই থাকবে। সত্যিই কত লোক অনুপ্রবেশকারী, তাদের ধর্ম কী, তারা কোথায় আছে, ভারতীয় পরিচয়পত্র বানিয়ে ফেলেছে কি না... এই সব প্রশ্নের গুরুত্ব রাজনৈতিক দল অনুযায়ী বদলে বদলে যায়। এই যেমন গত বেশ কয়েক বছর ধরে বিজেপি লাগাতার বাংলা এবং ঝাড়খণ্ডে অনুপ্রবেশ সমস্যা নিয়ে খুঁচিয়ে চলেছে। অনুপ্রবেশ ঘটে, সেটা সূর্য ওঠার মতোই সত্যি। এবং তা নিত্যকাল ঘটে চলেছে। পড়শি দেশে যখন সামাজিক ও রাজনৈতিক দোলাচল বাড়ে, অনুপ্রবেশের হিড়িক তখন মাত্রাছাড়া হয়। তা না হলে সারা বছর কিছু না কিছু আসা যাওয়া লেগেই আছে। আর তা সীমান্তবর্তী প্রত্যেকটা প্রশাসন তো জানেই, বিএসএফ এবং কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকও জানে। অনুপ্রবেশ মাত্রাছাড়া হলে ডেমোগ্রাফি তো বটেই, এলাকার সংস্কৃতিও বদলে যায়। সে ব্যাপারেও সন্দেহ নেই। অতীত তার প্রমাণ বহন করে। বহু এলাকার আদি বাসিন্দারা বিরক্ত হয়ে ঘরবাড়ি বিক্রি করে চলে গিয়েছেন। ভোটে প্রভাব পড়েছে। স্থানীয় অর্থনীতির বহর বদলে গিয়েছে। কিন্তু তাতে সীমান্ত রক্ষীর দায় কতটা? আর রাজ্য সরকারের দায়িত্বই বা কী? অনুপ্রবেশের জাল একটা এলাকায় বিস্তার ঘটাতে আট-দশ বছর সময় নিয়ে নেয়। ততদিনে অনেক রাজ্যে সরকার পালটে যায়। প্রশাসনে নতুন লোক আসে। আগেকার ব্যাগেজ নতুন কেউ কার বইতে চায় না। তারা চায় শান্তি। স্থিতাবস্থা। এই সুযোগে পেরিয়ে যায় আরও কয়েকটা বছর। তখন সেই মানুষজন ভারতীয়ই হয়ে গিয়েছে। এই থিয়োরি যদি বাংলায় সত্যি হয়, তাহলে রাজস্থান, ত্রিপুরা, পাঞ্জাব, কাশ্মীরেও সত্যি। কতটা দীর্ঘ ভারতের সীমান্ত? ১৫ হাজার ৭০৬ কিলোমিটার। তার মধ্যে বাংলাদেশই সবচেয়ে বেশি—৪ হাজার কিলোমিটার। পাকিস্তান, ভুটান, চীন, মায়ানমার, আফগানিস্তান, নেপালের সঙ্গেও ভারতের সীমান্ত ভাগাভাগি আছে। কিন্তু কোনওটা বাংলাদেশের থেকে বেশি নয়। তার থেকেও বড়ো কথা, সীমান্তবর্তী এলাকা কতটা দুর্গম, সেটা জরিপ করা। পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, চীনের সঙ্গে ভারতের অনেকটা সীমান্ত কিন্তু পবর্ত ঘেরা। অর্থাৎ, দুর্গম। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সেই সমস্যা নেই। বেশিটাই স্থলসীমান্ত, আর কিছুটা জল। এর ফলে পশ্চিমবঙ্গ, অসম বা ত্রিপুরার বহু জেলা দিয়েই এপার-ওপার করা সম্ভব। সেটাই হয়ে থাকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজেও সেটা স্বীকার করেছেন। তাঁর কথায়, ‘বাংলাদেশের সীমান্ত মোটেই সোজা রাস্তার মতো নয়। ওখানকার পরিস্থিতি ল্যুটিয়েন্স দিল্লিতে বসে বোঝা সম্ভবই নয়। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বহু এলাকায় নদী আছে, ঘন জঙ্গলও। সর্বত্র কাঁটাতার দেওয়া একেবারে অসম্ভব বলছি না। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা এত বড়ো সীমান্ত ধরে টহল দেওয়া সম্ভব নয়।’ অর্থাৎ, দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেনে নিচ্ছেন, নিরাপত্তায় ফাঁক রয়েছে। আর সেই ফাঁক গলে অনুপ্রবেশকারীরা ঢুকে পড়ছে। এই প্রসঙ্গে তিনি কাশ্মীরের কথাও বলেছেন। যদিও উপত্যকার ক্ষেত্রে শাহবাবু খুব একটা উচ্চবাচ্য করেন না। করবেনও না। কারণ, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হওয়ায় ওখানকার নিরাপত্তার সম্পূর্ণটাই তাঁর উপর বর্তায়। তা সে অন্দর হোক বা সীমান্ত। অসম-ত্রিপুরাও তাঁর কাছে স্বর্গরাজ্য। কারও ওই দু’টিই ডাবল ইঞ্জিন। সেক্ষেত্রে বাকি থাকে কী? পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ড। এই দুই রাজ্যেই অবিজেপি এবং এনডিএ’র বাইরের দল সরকারে। ভোটের সমীকরণ দানা বাঁধতে শুরু করলেই তাই বাংলা ও ঝাড়খণ্ড নিয়ে খোঁচাখুঁচি শুরু করে দেন তিনি। তাঁর সুরে খোল-করতাল পিটিয়ে ‘গেল গেল’ কীর্তন শুরু করে নীচুতলার চুনোপুঁটিরাও। এই যেমন বাংলায় সেটা এখন শুরুই হয়ে গিয়েছে। ভোটার তালিকার ইন্টেনসিভ রিভিশন এগিয়ে আসছে বলে তথাকথিত নেতারা ময়ূরের মতো হুমকির পেখম দুলিয়ে দুলিয়ে নেচে উঠছেন। সীমান্ত কি বিএসএফের দায়িত্ব নয়? অনুপ্রবেশ যদি ঘটেই থাকে, তাহলে সেই দায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক নেবে না কেন? এইসব প্রশ্নের উত্তর অবশ্য চুনোপুঁটিরা দেবেন না। অমিত শাহ কিন্তু দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যের সারাংশ হল, অত বড়ো এলাকায় অনুপ্রবেশ ঘটলে বিএসএফের চোখ এড়িয়ে যেতেই পারে। স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসন কী করছে? এটা দেখা ওদের দায়িত্ব। 
প্রথম কথা, কোনও অনুপ্রবেশকারীই যে এলাকা দিয়ে এদেশে ঢোকে, সেখানে থাকতে শুরু করে দেয় না। চেষ্টা করে সেখান থেকে দূরবর্তী কোথাও চলে যাওয়ার। কখনও ওই রাজ্যে, আবার কখনও দূরে কোথাও। হতে পারে তা নয়ডা, বেগুসরাই, বা বেঙ্গালুরু। দ্বিতীয়ত, অন্য দেশ থেকে বেআইনি পথে যারা আসে, তারা কি সেটা ঢাক পেটায়? মানে ধরে নেওয়া যাক, এক স্বামী-স্ত্রী অবৈধভাবে এপারে এল এবং বনগাঁয় থাকার জন্য মনস্থির করল। তারা কি এলাকায় গিয়ে ঘরে ঘরে কড়া নেড়ে বলবে, শুনুন আমরা বাংলাদেশি। আপনার পাড়ায় থাকতে এসেছি। তারা সব সময় স্থানীয় কাউকে, অর্থাৎ কোনও দালালকে ধরবে এই কাজগুলো ঘুরপথে করার জন্য। তারাই কথা বলবে, কার কাছে গেলে ভুয়ো পরিচয়পত্র বানানো যাবে, তার হদিশ দেবে। আবার তারাই বাড়ি খুঁজে দেবে। ধীরে ধীরে সেই দম্পতি মিশে যাবে এলাকাবাসীর সঙ্গে। কারও যদি সন্দেহও হয়, তিনি কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে থানায় গিয়ে বলবেন না যে, আমার পাশের বাড়িতে বাংলাদেশি উঠেছে। প্রত্যেকেই আমরা নিজের চরকায় তেল দিয়ে থাকি। কোনও রাজ্যের, কোনও জেলার পুলিশই প্রতি সপ্তাহে হাজার হাজার বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি চালায় না। তাহলে এত দীর্ঘ সীমান্তবর্তী এলাকার বাংলা পুলিশ কীভাবে সেই কাজ করবে? এই উত্তরটাও শাহবাবুর দেওয়া উচিত ছিল। কিংবা আধার, ভোটার, পাসপোর্টের মতো নকল পরিচয়পত্র তৈরির চক্র নিয়ে? শুধু বাংলা নয়। বিহার, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, দক্ষিণ ভারত... সর্বত্র এই চক্র ধরা পড়েছে। তাহলে একটা বিষয় পরিষ্কার, অনুপ্রবেশকারী শুধু বাংলায় থাকতেই পারে না। তাহলে এদের ব্যবসা চলত না! এই প্রশ্নের উত্তর কি তিনি দেবেন? নিশ্চয়ই কখনও দেবেন। হয়তো ভোটের পর। কারণ, এই মুহূর্তে তাঁর দলের অনুপ্রবেশ ইশ্যুটা প্রয়োজন। ভোটের জন্য। তৃণমূল সরকার ভোটব্যাংকের জন্য অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেয়, তাদের পরিচয়পত্র করিয়ে দেয়, তারা সংখ্যালঘু তোষণ করে—এই সব অভিযোগ শুনতে অনেকের ভালো লাগতে পারে। কিন্তু পরিসংখ্যানগতভাবে প্রমাণ করাটা মুশকিল। তাও তর্কের খাতিরে ধরে নেওয়া যাক, এর কিছুটা সত্যি। কিছুটা কেন? কারণ, বাংলাদেশ থেকে আসা সব অনুপ্রবেশকারী সংখ্যালঘু নয়। অনেকেই হিন্দু। এর কোনও নম্বর পাওয়া যাবে না। এটা সরকারি খাতার বাইরে। কিন্তু যুক্তি তাই বলে। বাংলাদেশে যদি মন্দির ধ্বংস হয়, হিন্দুদের উপর অত্যাচার হয়, ধর্ষণ-খুন হয়, তাহলে নিশ্চয়ই মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা প্রাণ বাঁচাতে ভারতে পালিয়ে আসবেন না। কারা আসবেন তাহলে? হিন্দুরা। বিজেপির কথায়, এবার বাংলাতেও ভোট হবে হিন্দুত্বের নিরিখে। যদি সঠিকভাবে হিসেব কষতে হয়, তাহলে কিন্তু দেখা যাবে যে, মুসলিমদের তুলনায় হিন্দু ভোটাররাই বাদ যাচ্ছেন এসআইআরে। তাঁরাই ভোট দিতে পারবেন না বা ট্রাইব্যুনালে আবেদন করে অস্তিত্ব খুঁজে বেড়াবেন। অলীক কল্পনা বলে মনে হচ্ছে। একটা ছোট্ট হিসেব দেওয়া যাক। অসমে ছ’বছর ধরে এনআরসি প্রক্রিয়া চলেছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এবং গুয়াহাটি হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে। ২০১৯ সালে প্রকাশিত হয়েছিল চূড়ান্ত তালিকা। সেখানে দেখা গিয়েছিল, ১৯ লক্ষ নাম নাগরিকত্বের তালিকা থেকে বাদ চলে গিয়েছে। তার মধ্যে মুসলিম ৭ লক্ষ। আর হিন্দু? ১২ লক্ষ। খরচ হয়েছিল, ১৬০২ কোটি টাকা। তারপরও কিন্তু লাগাতার আবেদন এসেছে ট্রাইব্যুনালে। যাচাই হয়েছে এবং ধীরে ধীরে খালি হয়ে গিয়েছে ডিটেনশন ক্যাম্প। যদিও তার উপর ভর করেই হয়ে গিয়েছে খান তিনেক ভোট। তাহলে কোন নাগরিকের এতে লাভ হয়েছে? কারও না। সবটাই লোকসানের খাতায়। তাহলে লাভের অঙ্কে ফুলেফেঁপে উঠেছে কারা? রাজনৈতিক দল। 
এভাবেই যুগ যুগ ধরে অনুপ্রবেশ ভোটের হাতিয়ার হয়ে থেকেছে ভোটের। পলিটিক্যাল পার্টির। গেরুয়া শিবিরের। ১৯৭৯ সালে অসমের মঙ্গলদই কেন্দ্র থেকে যে অনুপ্রবেশ-রাজনীতির জন্ম, তা এখনও ডিভিডেন্ড দিচ্ছে। একইভাবে। রাজনৈতিক চরিত্রগুলো শুধু পালটে গিয়েছে। এখন একটা অঙ্ক নানাভাবে খাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, বাংলায় এক কোটি ভুয়ো ভোটার। এই দাবির যদি সত্যতা থাকে, তাহলে তা ভয়াবহ। কার জন্য? মোদি সরকারের জন্য। কারণ, এমন কতই না ভুয়ো ভোটার ইভিএমের বোতাম টিপে এনডিএ সরকারকে ক্ষমতায় এনেছে। গোটা দেশে এসআইআর সম্পূর্ণ হওয়ার পর তাহলে কেন্দ্রের সরকারও ভেঙে দেওয়া উচিত নয় কি? ইতিমধ্যেই কিন্তু আমরা দেখে নিয়েছি, ৬৮ লক্ষ মানুষ বিহারের তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। কে দিয়েছে? নির্বাচন কমিশন। মানে কেন্দ্রের প্রভাবে প্রসারিত সংস্থা। তাদের অবশ্য দাবি, এর মধ্যে ৩৮ লক্ষ মানুষ অন্য রাজ্যে চলে গিয়েছেন। বাকিরা মৃত। এই এক বছরে। যেহেতু বিহার ডাবল ইঞ্জিন, সেখানে কোনও অনুপ্রবেশকারী নেই। কোনও ভুয়ো ভোটার নেই। অথচ পাশের ঝাড়খণ্ড ও বাংলায় ‘আছে’! মানে, অনুপ্রবেশকারীরা বাংলায় থেকেছে, ঝাড়খণ্ডেও। বিহারে যেতে চায়নি। বোধহয় দারুণ ভয় পেয়েছে... ডাবল ইঞ্জিন বলে। গেলেই গায়ে আপনা আপনি বাংলাদেশি বলে ট্যাটু তৈরি হয়ে যাবে। শুধু শুধু কি আর রাজনীতি মজার খেলা! যত দিন যাবে, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন যত কাছে আসবে, এই অনুপ্রবেশ হাতিয়ার আরও ধারালো হয়ে উঠবে। এসআইআরের পর যদি কোটি খানেক নাম সত্যিই বাদ যায়, তাহলে এই প্রোপাগান্ডা কিছুটা স্তিমিত হবে। আর না হলে? বিভিন্ন মিডিয়ায় অনুপ্রবেশ শব্দের বহুল ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত থাকাই ভালো।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ