ইন্দোর: দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়ার পর ইংল্যান্ড—পর পর তিন ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপে বড় বিপাকে হরমনপ্রীতরা। শেষ চারের টিকিট পাওয়া নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। কারণ, বাকি দু’টি ম্যাচ। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলা বৃহস্পতিবার। তারপর প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। পয়েন্ট তালিকায় ভারতীয় মহিলা আপাতত ৫টি খেলে ৪ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে। সমসংখ্যক ম্যাচে সমান পয়েন্ট নিউজিল্যান্ডের। কিন্তু নেট রান রেটে কিউয়িরা বেশ খানিকটা পিছিয়ে। তাই পর পর ধাক্কা সামলেও ভারতীয় মেয়েরা সেমি-ফাইনালে ওঠার দৌড়ে রয়েছে প্রবলভাবে। পরের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারাতে পারলে ছবি আরও স্পষ্ট হবে। ইতিমধ্যেই অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা শেষ চারের টিকিট পাকা করে ফেলেছে। বাকি একটি দল হবে কারা, তা নিয়েই আগ্রহ তুঙ্গে। আপাতত সব ভুলে হরমনপ্রীতদের উচিত নিউজিল্যান্ড ম্যাচকেই পাখির চোখ করা। কিউয়িদের বাধা টপকাতে পারলে শেষ চারের জায়গা পাওয়া অনেক সহজ হয়ে যাবে।
তবে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে ভারতীয় মেয়েরা যেভাবে অভিযান শুরু করেছিল, সেটা ক্রমশ ফিকে হচ্ছে। তার জন্য দায় শুধু কোনও একটি বিভাগের নয়, সমষ্টিগত। কোনও ম্যাচে বোলারদের ব্যর্থতায় ডুবেছে দল। ইংল্যান্ড ম্যাচে একটা সময় পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ ছিল ভারতের হাতেই। কিন্তু লোয়ার মিডল অর্ডার তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ায় ৪ রানের ব্যবধানে হারতে হয় টিম ইন্ডিয়াকে। ম্যাচ শেষ হতাশা চেপে রাখতে পারেননি স্মৃতি মান্ধানা। সেটাই স্বাভাবিক। ৯৪ বলে ৮৮ রান করেন তিনি। তবে আরও প্রত্যাশা ছিল তাঁকে ঘিরে। ভারতের ভাইস-ক্যাপ্টেন স্মৃতি বলেছেন, ‘একটা সময় আমাদের স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ২৩৪। দু’টো বড় পার্টনারশিপ গড়ে উঠেছিল। ২৮৮ রানের টার্গেট তখন মোটেও কঠিন মনে হচ্ছিল না। কিন্তু আমাদের শট চয়নে অনেক খামতি থেকেছে। আমি নিজেও খুব বাজে শট খেলে আউট হয়েছি।’ এদিকে, হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে সোমবার বাংলাদেশকে বশ মানায় শ্রীলঙ্কা। ৭ রানে ম্যাচ জেতে তারা। বল হাতে ৪ উইকেট তুলে নেন চামারি আত্তাপাত্তু।