


দুবাই: আইসিসি’র টুর্নামেন্টে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে তিন বছরে চতুর্থ ফাইনাল খেলতে চলেছে ভারত। ২০২৩ সালে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের খেতাবি লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল টিম ইন্ডিয়ার। ওই বছরই ঘরের মাঠে ওয়ান ডে বিশ্বকাপ ফাইনালেও অজিদের কাছে বশ মানে ‘মেন ইন ব্লু’। তবে ২০২৪ সালে অক্ষেপ অনেকটাই মিটেছিল টি-২০ বিশ্বকাপ জেতায়। এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল। রবিবার মরুদেশে মহারণ। ভারতের প্রতিপক্ষ সেই নিউজিল্যান্ড। আরও এক ট্রফি হাতে পোডিয়ামে দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে রোহিত অ্যান্ড কোম্পানির কাছে। কিন্তু স্বপ্ন কি পূরণ হবে? বিশ্বের প্রথম ক্যাপ্টেন হিসেবে চারটি আইসিসি টুর্নামেন্টের ফাইনালে খেলার নজির ইতিমধ্যেই গড়েছেন হিটম্যান। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিততে পারলে তাঁর মুকুটে যোগ হবে আরও একটি পালক। ভারতের সর্বকালের অন্যতম সেরা অধিনায়কের তালিকায় প্রথম সারিতেই থাকবেন হিটম্যান। তবে ফাইনালের আগে তিনি মোটেও স্বস্তিতে নেই। ব্যাট হাতে শুরুটা ভালো করেও আচমকাই থামতে হচ্ছে তাঁকে। ফলে চাপ বাড়ছে বাকিদের উপর। অবশ্য এখনও পর্যন্ত রোহিতের ব্যর্থতা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সেভাবে প্রকট হয়নি। কারণ, টিম ইন্ডিয়া অপরাজিত। দুরন্ত ফর্মে আছেন বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আয়াররা। তবে ফাইনালে অধিনায়ক রান না পেলে এবং দল হারলে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারে বিসিসিআই। রোহিত নিজেও দেওয়াল লিখন পড়তে পারছেন না। পরিস্থিতি বেগতিক মনে হলে দুবাইয়েই ওয়ান ডে ক্রিকেটকে আলবিদা জানাতে পারেন তিনি। তবে দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারলে ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলার দাবি জোরালো হবে হিটম্যানের।
এদিকে, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে রোহিতকে বড় ইনিংস খেলার উপর ফোকাস করতে বললেন সুনীল গাভাসকর। প্রাক্তন অধিনায়ক বলেছেন, ‘চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসরে রোহিত শুরুটা ভালো করছে। ওর আগ্রাসী ব্যাটিং চাপে ফেলছে বিপক্ষ দলের বোলারদের। কিন্তু সমস্যা হল, ২০-৩০ রান করেই আউট হয়ে যাচ্ছে রোহিত। ওকে বড় ইনিংস খেলতে হবে। তাহলেই চাপে পড়ে যাবে নিউজিল্যান্ড। ভারতের কাপ জয়ের পথ অনেকটাই সহজ হবে। আসলে রোহিত এমন একজন ব্যাটসম্যান, যে ক্রিজে টিকে থাকলে টিম ইন্ডিয়ার স্কোর ২৫ ওভারেই ১৮০-২০০ রানে পৌঁছে যাবে। আর সেটা যদি ফাইনালে হয়, তাহলে ভাবুন কী অবস্থা হবে কিউয়ি বোলারদের! ভারত অনায়াসেই তখন ৩৫০ রানের টার্গেট ছুড়ে দিতে পারবে নিউজিল্যান্ডকে। তাই রোহিতকে বলব, আগ্রাসন ভালো, কিন্তু উইকেট হারালে চলবে না। আমরা যতটুকু রোহিতকে চিনি, তাতে বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকলে ও একাই ম্যাচের রং বদলে দিতে পারে।’