গুয়াহাটি: বৃহস্পতিবার রাতেই জেনেছেন খবরটা। শনিবার ভারতের ৩৮তম টেস্ট ক্যাপ্টেন হিসেবে টস করতে যাওয়ার আগে ধাতস্থ হওয়ার সময়ও মিলেছে। কিন্তু ঋষভ পন্থের চোখেমুখে ধরা পড়ছে রোমাঞ্চ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট শুরুর আগের দিন প্রচারমাধ্যমকে তিনি বললেন, ‘দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার চেয়ে গর্বের কিছু হয় না। তবে একটা ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়া মানেই বাড়তি চাপ। আরও ম্যাচ থাকলে লড়াইয়ে ফেরার সুযোগ থাকে। কিন্তু দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটাতে হারলে সারাক্ষণ চাপ থাকে। এটা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। কিছু করার নেই। তবে বিসিসিআই আমাকে নেতৃত্বের সুযোগ দেওয়ায় গর্বিত।’
ডাকাবুকো ক্রিকেটের জন্য পরিচিতি তিনি। কেমন অধিনায়ক হওয়া লক্ষ্য তাঁর? পন্থের উত্তর, ‘প্রথাগত ভাবনাচিন্তা তো থাকছেই। পাশাপাশি, ধরাবাঁধা ধারণার বাইরেও কিছু করতে চাই। প্রত্যেকে স্বাধীন ও স্বাভাবিক পারফরম্যান্স মেলে ধরুক, এটাই চাই। ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া জরুরি। যে কাজটাই করি না কেন, ১০০ শতাংশ নিংড়ে দেব।’
বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামেই ২০১৮ সালে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক হয়েছিল পন্থের। এবার সেখানেই টেস্টে প্রথমবার অধিনায়ক হিসেবে নামবেন। তাঁর কথায়, ‘এই মাঠ আমার কাছে খুব স্পেশাল। এখানে প্রথমবার টেস্ট হচ্ছে। ফলে পুরো গুয়াহাটির কাছেই এই ম্যাচটির আলাদা তাৎপর্যপূর্ণ।’ কিন্তু বাইশ গজ নিয়ে চর্চা অব্যাহত এখানেও। ঋষভের মত, ‘আশা করছি, এই উইকেটটা ব্যাট করার পক্ষে ইডেনের চেয়ে ভালো। তবে খেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বল ঘুরবে।’ ভারতের প্রথম এগারো নিয়েও চলছে জল্পনা। পন্থও ধোঁয়াশা রাখছেন, ‘আমাদের দলে অনেক বাঁ-হাতি। এগারো বাছাইয়ের সময় প্রোটিয়া অফ স্পিনার সাইমন হার্মারের কথা মাথায় রাখছি। কারা কারা খেলবে, তারা অবশ্য এরমধ্যেই তা জেনে গিয়েছে।’